ইবির সাবেক উপ-উপাচার্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
Published: 29th, March 2025 GMT
দুদকের দায়েরকৃত দুর্নীতির মামলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দাখিল করা চার্জশিটের ওপর শুনানি শেষে সিনিয়র স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) শেখ নাজমুল আলম এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম।
মামলায় অভিযুক্ত অন্যরা হলেন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আব্দুস সাত্তার ও পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুর রউফ।
অবৈধভাবে নিয়োগ প্রদান এবং সরকারি ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদক যশোরের তৎকালীন উপ-পরিচালক আল আমিন। মামলার তদন্ত শেষে তাদের অভিযুক্ত করে সম্প্রতি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে দুদক।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে আবেদন করেন আব্দুর রউফ। নিয়োগের জন্য গঠিত তিন সদস্য বিশিষ্ট বাছাই বোর্ডের সদস্য ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন। এতে সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার। একই বছরের ২২ আগস্ট মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আরো তিন প্রার্থী অংশ নেন। তবে কাউকে পাস করানো হয়নি।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তানুযায়ী, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে আব্দুর রউফের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও বাছাই বোর্ড তাকে প্রথমে সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে অভিজ্ঞতার ঘাটতি বিবেচনায় তাকে সেকশন অফিসার (গ্রেড-১, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।
রিজেন্ট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই তাকে সেকশন অফিসার হিসেবে নিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবৈধ নিয়োগের ফলে ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত তিনি বেতন-ভাতা বাবদ ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন। এ মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
অধ্যাপক কামাল উদ্দিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য থাকাকালে তার বিরূদ্ধে ছাত্রলীগ নেতাদেরকে নিম্ন পদে আবেদন করে উচ্চ পদে নিয়োগ, বয়সের শর্ত শিথিল করে কর্মকর্তা নিয়োগ ও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদে নিয়োগের অভিযোগ রয়েছে।
ঢাকা/তানিম/মেহেদী
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর উপ উপ চ র য স ব ক উপ ইসল ম
এছাড়াও পড়ুন:
ইবির সাবেক উপ-উপাচার্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
দুদকের দায়েরকৃত দুর্নীতির মামলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দাখিল করা চার্জশিটের ওপর শুনানি শেষে সিনিয়র স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) শেখ নাজমুল আলম এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম।
মামলায় অভিযুক্ত অন্যরা হলেন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আব্দুস সাত্তার ও পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুর রউফ।
অবৈধভাবে নিয়োগ প্রদান এবং সরকারি ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদক যশোরের তৎকালীন উপ-পরিচালক আল আমিন। মামলার তদন্ত শেষে তাদের অভিযুক্ত করে সম্প্রতি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে দুদক।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে আবেদন করেন আব্দুর রউফ। নিয়োগের জন্য গঠিত তিন সদস্য বিশিষ্ট বাছাই বোর্ডের সদস্য ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন। এতে সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার। একই বছরের ২২ আগস্ট মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আরো তিন প্রার্থী অংশ নেন। তবে কাউকে পাস করানো হয়নি।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তানুযায়ী, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে আব্দুর রউফের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও বাছাই বোর্ড তাকে প্রথমে সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে অভিজ্ঞতার ঘাটতি বিবেচনায় তাকে সেকশন অফিসার (গ্রেড-১, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।
রিজেন্ট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই তাকে সেকশন অফিসার হিসেবে নিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবৈধ নিয়োগের ফলে ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত তিনি বেতন-ভাতা বাবদ ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন। এ মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
অধ্যাপক কামাল উদ্দিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য থাকাকালে তার বিরূদ্ধে ছাত্রলীগ নেতাদেরকে নিম্ন পদে আবেদন করে উচ্চ পদে নিয়োগ, বয়সের শর্ত শিথিল করে কর্মকর্তা নিয়োগ ও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদে নিয়োগের অভিযোগ রয়েছে।
ঢাকা/তানিম/মেহেদী