ডিএসইতে পিই রেশিও বেড়েছে ০.৬২ শতাংশ
Published: 29th, March 2025 GMT
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ থেকে ২৭ মার্চ) পর্যন্ত সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে। আলোচ্য সময়ে ডিএসইর পিই রেশি বেড়েছে ০.৬২ শতাংশ।
শনিবার (২২ মার্চ) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য মতে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ৯.
এর আগের সপ্তাহের (১৬ থেকে ২০ মার্চ) শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ৯.৫৯ পয়েন্টে। আর সপ্তাহ শেষে তা অবস্থান করছে ৯.৬৮ পয়েন্টে। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.০৯ পয়েন্ট বা ০.৯৪ শতাংশ বেড়েছিল।
খাতভিত্তিক পিই রেশিওগুলোর মধ্যে- জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ৫.৯৩ পয়েন্টে, ব্যাংক খাতে ৬.২৬ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতে ১০.২৩ পয়েন্ট, টেক্সটাইল খাতে ১০.৪৪ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতে ১০.৬৫ পয়েন্টে, আর্থিক খাতে ১১.৫৭ পয়েন্টে, সাধারণ বিমা খাতে ১২.২৭ পয়েন্টে, খাদ্য ও আনুসঙ্গিক খাতে ১২.৮২ পয়েন্টে, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ১৩.০৯ পয়েন্টে, টেলিযোগাযোগ খাতে ১৩.২০ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতে ১৩.৭৪ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতে ১৫.৩০ পয়েন্টে, আইটি খাতে ১৬.৯২ পয়েন্টে, বিবিধ খাতে ১৮.৬১ পয়েন্টে, পেপার ও প্রিন্টিং খাতে ১৯.২৩ পয়েন্টে, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ২৬.৯৯ পয়েন্ট, পাট খাতে ২৭.৬৮ পয়েন্টে, ট্যানারি খাতে ৪০.৩৪ পয়েন্টে এবং সিরামিক খাতে ১১৪.৫৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
ঢাকা/এনটি/ইভা
উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ড এসইর প ই র শ ও
এছাড়াও পড়ুন:
পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে ডিএসই-সিএসই-পিএসএক্সের সমঝোতা স্মারক
দক্ষিণ এশিয়ার এক্সচেঞ্জগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার জন্য একটি কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ (পিএসএক্স)-এর মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
গত ২৭ মার্চ শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে অনুষ্ঠিত এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান দিলশান উইরসেকারা, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অব পাকিস্তান-এর চেয়ারম্যান আকিফ সাইদসহ প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রবিবার (৩০ মার্চ) ডিএসইর প্রকাশনা ও জনসংযোগ উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আরো পড়ুন:
আইপিওর খসড়া সুপারিশ জমা দিয়েছে পুঁজিবাজার টাস্কফোর্সের
প্যারামাউন্ট সোলারের শেয়ার কিনবে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল
সমঝোতা স্মারকে তিনটি দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর ডিজিটাল রূপান্তরে যৌথ উদ্যোগ, নতুন আর্থিক পণ্য ও বাজার উন্নয়নে এক্সচেঞ্জগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়, বাজার তদারকি এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা কাঠামোর সমন্বয়, মানবসম্পদ উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ, ক্রস-এক্সচেঞ্জ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং নলেজ শেয়ারিং উদ্যোগগুলি সংগঠিত করার বিষয়ে সহযোগিতার অঙ্গীকার প্রদান করা হয়।
এই সমঝোতা স্মারকের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হলো, বিনিয়োগকারীদের প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণের জন্য আন্তঃসীমান্ত তালিকাভুক্তির সুযোগ অনুসন্ধান করা, ব্রোকার অংশীদারিত্ব এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংযোগের সুবিধা প্রদান করা।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘‘আকারে ছোট হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ব্যতীত অন্যান্য দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর প্রযুক্তিগত এবং প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে এসকল অত্যন্ত সম্ভাবনাময় স্টক এক্সচেঞ্জগুলো কাঙ্ক্ষিত সক্ষমতা অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে। সম্পদ ও অভিজ্ঞতার পারস্পরিক বিনিময় এবং প্রযুক্তিগত যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে আমাদের স্টক এক্সচেঞ্জগুলো নিজ নিজ দেশে দক্ষ ও শক্তিশালী পুঁজিবাজার গঠনে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। একত্রে কাজ করে, আমরা আমাদের আর্থিক ইকোসিস্টেমে সমৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের সুযোগ উন্মুক্ত করতে পারব, যা বিনিয়োগকারী এবং অংশীদারদের জন্য সুফল বয়ে আনবে।’’
ডিএসইর চেয়ারম্যান ওই অনুষ্ঠানে ‘Navigating Frontier Capital Markets: How Evolving Market Regulation and Exchanges Foster Efficient Capital Market Development’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন। তিনি তার বক্তব্যে ডিএসই, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এবং অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা, ডিএসইর ডিমিউচুয়ালজেশন পরবর্তী অভিজ্ঞতা, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য করণীয় বিষয়ে আলোকপাত করেন।
পরে ডিএসইর প্রতিনিধিরা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অব পাকিস্তান-এর চেয়ারম্যান, কমিশনার, পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি সিস্টেমের সিইও ও সেন্ট্রাল কাউন্টার পার্টির সিইও এবং কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জের সিইও, সিআরও ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন।
বৈঠকে ডিএসইর চেয়ারম্যান বর্তমান কার্যক্রম, রিজিওনাল পণ্যের বাজার উন্নয়ন, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি নিজস্বভাবে তৈরি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। উপস্থিত সবাই তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন করেন এবং একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত রোড শোতে ডিএসইর প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন পরিচালক মো. শাকিল রিজভী, মিনহাজ মান্নান ইমন, রিচার্ড ডি’ রোজারিও এবং মহাব্যবস্থাপক ও কোম্পানি সচিব মোহামাদ আসাদুর রহমান।
ঢাকা/এনটি/রাজীব