ট্রাক উল্টে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জে যানজট
Published: 28th, March 2025 GMT
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা চান্দিনা ইলিয়টগঞ্জ এলাকায় ট্রাক উল্টে পাঁচ কিলোমিটারের যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ দুর্ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম লেনে এই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় রনি নামে একজন জানান, বেলা এগারোটার দিকে চট্টগ্রামমুখী সিমেন্টবাহী একটি ট্রাক মহাসড়কের উপরে উল্টে যায় । এতে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়।
ঢাকা থেকে কুমিল্লায় রয়েল কোচ পরিবহনের যাত্রী শাহজাহান বলেন, “৩০ মিনিট ধরে ইলিয়টগঞ্জ বাজারে যানজটে আটকে আছি। শুনেছি সামনে দুর্ঘটনা ঘটেছে। তীব্র গরম ও যানজটে রোজাদারদের বেশি কষ্ট হচ্ছে।”
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ইনচার্জ কৌশক আহমেদ বলেন, “ইলিয়টগঞ্জ বাজারে একটি বড় সিমেন্টবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কে উল্টে যায়। এরমধ্যে ট্রাকটি সরানো হয়েছে। বর্তমানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যান চলাচল স্বাভাবিকের জন্য কাজ করছে।
ঢাকা/রুবেল/টিপু
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
কেমন ছিল ’৭১–এর ঈদ
সাড়ে সাত কোটি বাঙালি স্বাধীন হয়েছিল ঠিক ৫৪ বছর আগে—১৯৭১ সালে। স্বাধীনতাযুদ্ধের সেই বছরের পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়েছিল ২০ নভেম্বর, বারের হিসাবে দিনটি ছিল শনিবার। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনী কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা, মা-বোনদের ধর্ষণ, মুক্তিবাহিনী ও সংখ্যালঘুদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ চালাচ্ছিল। তাই একাত্তরে বিজয়ের প্রতীক্ষায় থাকা স্বজন হারানো বাঙালির ঈদ–আনন্দ ‘ম্লান’ হয়ে গিয়েছিল বলে স্মৃতিচারণামূলক বিভিন্ন লেখা ও সাক্ষাৎকারে তথ্য পাওয়া যায়।
ঈদের দিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সরাসরি যুদ্ধ হয়। বহু মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন, আহত হন অনেকে। অন্যদিকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অনেক সদস্য যুদ্ধে মারা যান, অনেকেই আবার মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে ধরা পড়েন।
১৯৭১ সালের ২০ নভেম্বর ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের বাণী