শহীদ পরিবারে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঈদ উপহার বিতরণ
Published: 27th, March 2025 GMT
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে বীর শহীদ হওয়া নারায়ণগঞ্জ জেলার ২২টি শহীদ পরিবারের মাঝে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড (WEWB) অর্থায়নে ঈদ উপহার ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর কমিটি।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শহীদ পরিবারগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংগঠনটি এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে। বৃস্পতিবার(২৭ই মার্চ) সকালে সোনারগাঁ বালুয়াদিঘির পাড়ে শহীদ জনির পরিবারের মাঝে এই উপহার দিয়ে কার্যক্রম শুরু করে
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার মূখ্য সংগঠক জাহিদুল হক বাঁধন বলেন, "গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের কাছে চিরস্মরণীয়। তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।"
উপহার সামগ্রী বিতরণকালে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদ পরিবারগুলোর সঙ্গে সময় কাটান এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন।
যুগ্ম সদস্য সচিব অনিক খান সিয়াম বলেন, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আমরা ভবিষ্যতেও শহীদ পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ মুখপাত্র সাব্বির আল রাজ, সদস্য ইরফান সাদিক, হোসাইন ভূইয়া,আজিম আল হাসান প্রমুখ।
.উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: স ন রগ ও ন র য়ণগঞ জ পর ব র র উপহ র
এছাড়াও পড়ুন:
গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের
শিল্প খাত ও ক্যাপটিভে গ্যাসের দাম ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে শিল্প খাতের জন্য আত্মঘাতী বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া। এ কারণে সিদ্ধান্তটি বাতিল বা পুনর্বিবেচনারও দাবি জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার। সংগঠনটির সভাপতি বলেন, এই মূল্যবৃদ্ধির কারণে সব ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান সংকটে পড়বে। সেই সঙ্গে নতুন উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হবেন। ভোগান্তির শিকার হবেন শ্রমিকেরাও। আজ শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে চেম্বার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, ‘শিল্প খাতে ও ক্যাপটিভে গ্যাসের দাম ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন নিচ্ছে, সেটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অবাস্তব। এ সিদ্ধান্ত শিল্প খাতের জন্য আত্মঘাতী হবে। আমাদের খনিজ গ্যাস ও আমদানি করা গ্যাসের দাম সমন্বয় করলে সিস্টেম লসের পরও প্রতি ঘনমিটারে আনুমানিক সর্বোচ্চ ২২ টাকার মতো দাম হতে পারে। বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম দিতে হচ্ছে ৩০ টাকা করে। নতুন করে দাম বাড়ানো হলে শ্রমজীবী মানুষের ভোগান্তি ব্যাপকভাবে বাড়বে। ক্ষুদ্র শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো নতুন সংকটে পড়বে এবং নতুন উদ্যোক্তারা শিল্পকারখানা স্থাপনে নিরুৎসাহিত হবে।’ তাই গ্যাসের দাম না বাড়াতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।