পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ডিএনসিসির ঈদ আনন্দ উৎসব ধর্ম-বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে সবার জন্য বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকালে মিরপুর ডিওএইচএস থেকে দিয়াবাড়ি সংযোগ সড়ক ও নতুন ১৮ওয়ার্ড প্রকল্পের অন্তর্গত উত্তরা আজমপুর কাঁচা বাজার হতে চামুরখান পর্যন্ত রাস্তার উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেছেন।

প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, “ঢাকা উত্তরে ডিএনসিসির উদ্যোগে ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে ঈদের বড় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণত ঈদের জামাত শেষে ঢাকায় সবাই গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে, বাসায় থেকে ঈদের দিন কাটিয়ে দেয়। আমরা এবার সবাইকে ঈদের উৎসবে যুক্ত করতে চাই। সুলতানী মোঘল আমলে পুরনো ঢাকায় একময় ঈদ মিছিল হতো। সেই পুরোনো ঈদ মিছিল আবার ফিরিয়ে আনতে চাই। এই ঈদ আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণ করবে শিল্পী, সংস্কৃত কর্মী, নারী-পুরুষ, শিশু, সকল ধর্মের, বর্ণের মানুষ।”

আরো পড়ুন:

প্যারিসে হেলদি সিটি সামিটে ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি পরিচালনা কমিটির পঞ্চম সভা

তিনি বলেন, “আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি দল-মত নির্বিশেষে সবাই ঈদ আনন্দ উৎসবে যোগ দিন। ঈদের জামাত শেষে সকাল ৯টায় পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ থেকে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ঈদ আনন্দ মিছিল শুরু হবে। বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের সামনে দিয়ে আগারগাঁও প্রধান সড়ক হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউ দিয়ে সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হবে আনন্দ মিছিল।বর্ণাঢ্য এই আনন্দ মিছিলে ব্যান্ড পার্টি, ঘোড়ার গাড়ি, ঢোল, বাজনাসহ নানা আয়োজন থাকবে।”

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যেসব জায়গায় জনদুর্ভোগ হচ্ছে সেসব জায়গায় অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করব। সেই অনুযায়ী এক নম্বর অগ্রাধিকারে ছিল উত্তরা থেকে মিরপুর-১২ (মিরপুর ডিওএইচএস) নম্বর যাওয়ার রাস্তাটি। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম রোজার মধ্যেই রাস্তাটির কাজ সম্পন্ন করবো।প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ঈদের আগে ঈদের উপহার হিসেবে উত্তরা থেকে মিরপুর-১২ (মেট্রোরেলের নিচ দিয়ে মিরপুর ডিএএইচএস) যাওয়ার রাস্তাটির কাজ সম্পন্ন করে উদ্বোধন করলাম। ঈদে অনেকে এখানে ঘুরতে আসবে। মানুষ যেন আনন্দে ও নির্বিঘ্নে ঘুরতে আসতে পারে সেটি মাথায় রেখেই রাস্তাটি নির্মাণ ও সংস্কার করা হয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, “রাস্তাটি জলাধারের ওপর দিয়ে গিয়েছে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘব কর‍তেই আমরা সাময়িকভাবে এই রাস্তাটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করে দিয়েছি। ডিএনসিসির কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে। জলাধারের পানির প্রবাহ বজায় রাখতে ভবিষ্যতে উঁচু ব্রিজ করে স্থায়ী রাস্তা নির্মাণ করা হবে। জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে আমরা সাময়িকভাবে রাস্তাটি নির্মাণের জন্য ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের কাছে আবেদন করি। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডকে ধন্যবাদ সদয় অনুমোদনের জন্য। তাদের সহযোগিতায় ঈদের আগেই রাস্তাটি সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি।”

সড়ক উদ্বোধনকালে অন্যান্যের সঙ্গে আরো উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো.

কামরুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মঈন উদ্দিন, ১৮ ওয়ার্ডের প্রকল্প বাস্তবায়নকারী ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ওসমান সরোয়ার, ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা খয়বর রহমান, জুলকার নায়ন ও জিয়াউর রহমান, ১৮ ওয়ার্ড প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদুর রহমান খান ও প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর এস সৌমিক ইসলাম প্রমুখ।

ঢাকা/আসাদ/সাইফ

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ড এনস স আনন দ ম ছ ল ড এনস স র ঈদ আনন দ ম হ ম মদ প রকল প র রহম ন র জন য

এছাড়াও পড়ুন:

রোজা আর ঈদ: চেতনায়, স্মৃতিতে, ভালোবাসায়

বহুদিন আগের কথা। আমি তখন আমেরিকার অরেগন রাজ্যে বাস করি। সদ্য ফেলে আসা বাংলাদেশের স্মৃতি হৃদয়ে তখন বারবার জেগে ওঠে। এমন প্রবাস কষ্টের সময়ে এসেছিল চিঠিটি। প্রসঙ্গ রমজান ও ঈদ। লেখিকার অনুরোধ আমি যেন আসন্ন ঈদুল ফিতর নিয়ে একটা কবিতা লিখে পাঠাই। সত্তরের দশকের শেষে দেশ ছাড়ার আগে বিভিন্ন সাহিত্যের আসরে ছিল আমার পদচারণা, তার কারণে হয়তো এ অনুরোধ। আমাদের ব্যবহারিক জীবন চলত আধুনিক গ্রেগরিয়ান মাস– গ্রিক রোমান দেবদেবীর নামাঙ্কিত জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ইত্যাকার নামকে ঘিরে। আর ঈদ-রমজান আবর্তিত হতো চাঁদকে ঘিরে। চাঁদের আবির্ভাব, বৃদ্ধি, পূর্ণিমায় পরিণত হওয়া ও ক্রমশ ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়ে যাওয়া। 

এমন নিশাচরী প্রাকৃতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে আমাদের ধর্মীয় ও উৎসবের দিন ও রাতগুলো। কিন্তু আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করি, ধর্মের বাইরে বৃহত্তর সাংস্কৃতিক/সাহিত্যিক বলয়ে আমরা মুসলমানরা ঈদ ও রমজানকে বর্ণনা ও গ্রহণ করতে পারিনি। যেভাবে হিন্দু ধর্ম ঋতু ও প্রকৃতিকে ঘিরে পূজাকেন্দ্রিক সাহিত্যের সম্ভার রচনা করেছে, বাঙালি মুসলমান তার যাপিত জীবনের আচারসর্বস্ব ধর্মকে শিল্পের মোড়কে গ্রহণ করেনি। 

শত শত বছর পূর্ববঙ্গ ও সিলেটের মুসলমানদের যাপিত জীবন আবর্তিত হয়েছে হিজরি পঞ্জিকাকে ঘিরে। সে পঞ্জিকা ঘিরে আমরা পালন করেছি আশুরা, মহররম, শবেবরাত, ঈদ, রমজান প্রভৃতি অনুষ্ঠান। বাহ্যিকভাবে দৃশ্যমান প্রাকৃতিক উৎসব যেমন– চৈত্রসংক্রান্তি, বসন্ত উৎসব, নববর্ষ ইত্যাদি এসেছে বাংলা মাসগুলোকে কেন্দ্র করে। আশ্বিন, ভাদ্র, কার্তিক, পৌষ প্রভৃতি মাস হয়েছে আমাদের সংস্কৃতি পরিচায়ক বাঙালিত্বের নিশানদার এবং তাদের কেন্দ্র করেই আমরা তৈরি করেছি আমাদের সাংস্কৃতিক জীবনের রোজনামচা। রবীন্দ্রনাথ শরতের দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে লিখেছেন– ‘এসো গো শারদ লক্ষ্মী তোমার শুভ্র মেঘের রথে’– এই যে ধর্ম ও প্রকৃতিচিন্তাকে মিলিয়ে তৈরি করা এক গভীর সাংস্কৃতিক দ্যোতনা, এটা আমরা মুসলমানেরা রোজা ও ঈদকে কেন্দ্র করে করতে পারিনি। এই মিলন ঘটানোর সময় ফুরিয়ে যায়নি।  

আমাদের চান্দ্রিক মাসগুলোর নাম আরবি। ১৩০০ বছর পরেও আমরা এ নামগুলো আত্মস্থ করতে পারিনি। আমি আমার সেই গুণমুগ্ধ পত্রলেখিকার প্রসঙ্গে ফিরে যাই। তাঁর তাগাদায় একটা ঈদকেন্দ্রিক গভীর কবিতা লিখতে সেদিন ব্রতী হয়েছিলাম। মনের গভীরে সন্ধান করছিলাম এমন এক ঈদের চিত্রকল্প, যা উৎসারিত আমাদের নদীবিধৌত গ্রামীণ আবহাওয়া থেকে। ‘চাঁদের কসম খাওয়া রাত’ কিংবা ‘সেমাই গন্ধে ভরা ভোর’ এমন চিত্রকল্প মনে এসেছিল। অঘ্রানের ধান কাটা মাঠকে নিমেষে ঈদের ময়দানে পরিণত করে ভূস্বামী আশরাফ ও কৃষক আতরাফেরা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে গেছে প্রার্থনায়। অতএব প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক নতুন সাম্যবাদ, ঈদকে নিয়ে এমন এক প্রগতিশীল চিন্তায় শিহরিত হয়েছিলাম।

আমার দীনিয়াতের শিক্ষক ছোটবেলা হাদিস শিখিয়েছিলেন– ‘আস্ সিয়ামু, যুন্নাতুন’। রোজা হচ্ছে চাল কিংবা বর্মস্বরূপ। কেন বর্ম? কিসের বিরুদ্ধে বর্ম? যুগ যুগ ধরে মানুষ প্রচুর খাওয়াদাওয়াকে মনে করেছে ভোগ এবং অনশনকে মনে করেছে উপাসনা। খ্রিষ্টধর্মে ইস্টারের সময়ে রয়েছে লেন্টের অনশন, যা এক সময় ছিল চল্লিশ দিনের। হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মেও আছে ধর্মের খাতিরে অন্ন পরিহারের নিয়ম। ইসলাম এই মানবিক প্রেরণাকে জোরালো স্বীকৃতি দিয়ে একটা পুরা চান্দ্রমাসকে এ আচারের অনুগত করে এক তাৎপর্যময় সামাজিক, মানবিক এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্ম দিয়েছে। শৈশবে এক গ্রামীণ পরিবেশে, যেখানে খেতে পাওয়া ও না-পাওয়ার নাগরদোলায় আবিষ্ট থাকত মানুষ, সেই পরিবেশে আমি রোজা রাখার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম। তারপর দীর্ঘদিন চলে গেছে, বহু মহাদেশে, অনেক জীবন ছেনে আবার থিতু হয়েছি শৈশবের সেই গ্রামে। এ বছর কাটিয়েছি রমজানের অনেকগুলো দিন। সিলেটি ভাষায় আমরা সাহ্‌রিকে বলি ‘ফতা খাওয়া’, ঢং ঢং করে ঘণ্টা বাজিয়ে গভীর রাতে ফতা খাওয়ার জন্য সে যুগে সবাইকে ডাকা হতো। 

পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে বাংলার মানুষ শহরমুখী হলো, রমজান ও ঈদের জন্য কিন্তু গ্রামমুখী হতে ভুলল না। শুধু তৈরি করল রমজান ও ঈদকে ঘিরে নাগরিক উৎসব, যার প্রবল পরাকাষ্ঠা এবার দেখেছি ঢাকায় ও আমাদের জেলা শহরগুলোতেও। ভাজা, ছোলা, ডালের পেঁয়াজু, বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন, জিলিপি, শরবত ইফতারকে কেন্দ্র করে। গেল বছর রোজার ঠিক আগে আমি সময় কাটিয়েছিলাম মিসর ও জর্ডানে। শুনেছিলাম কায়রোর রমজান ও ঈদ উৎসবের কথা।
এবার ঢাকা ও বাংলাদেশ ঘুরে মনে হলো, আমাদের রমজান ও ঈদ উৎসব পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ। আমরা এই বিশাল ধর্ম-নিঃসৃত সাংস্কৃতিক যজ্ঞকে চিরকালীন সাহিত্যে পরিণত করব; যা আমাদের বিশ্বাস ও জীবনের যাপিত সময়ে, তা চলে আসুক আমাদের গল্পে, গানে, কবিতায়। যে নৈতিক ঢাল ও সংযম রোজার অবদান, তা ছড়িয়ে পড়ুক আমাদের জীবনে। প্রতিদিনের ইফতারের আনন্দ আর মাস পেরিয়ে ঈদের আসন্ন আনন্দ যেন হয়ে ওঠে এক শোষণমুক্ত সাম্যবাদী সমাজ গড়ার অঙ্গীকার।

ঈদ আসন্ন। ঘটনাক্রমে আমি আবার বিদেশে। কিন্তু আমি একটা চক্রাকার সময়গোলকে দেখতে পাচ্ছি আমার শৈশব, আমার গ্রাম। আজীবন রেমিট্যান্সযোদ্ধা আমি দেখতে পাচ্ছি আমার সমস্ত জীবনকে। এ জীবনে রূপকল্প রমজান এবং ঈদ। এ জীবন ক্ষুধা পেরিয়ে আনন্দের, এ জীবন ত্যাগ ও তিতিক্ষা পেরিয়ে পরিপূর্ণতার। ঈদ ধন্য হোক। ঈদ মোবারক।
গ্রামীণ চাঁদ নিঃসৃত রূপকল্প ছাপিয়ে ঈদ হয়ে উঠেছে নগরের। চাঁদরাতের হুল্লোড়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে আমাদের নারীরা। সালোয়ার-কামিজ ও রুপালি-সোনালি কারুকাজে নতুন স্বপ্ন বস্ত্রশিল্পের। এ আয়োজনে আছে নিত্যনতুন শিল্পের ইঙ্গিত। নীল নদ, দজলা ফোরাত কিংবা বুড়িগঙ্গার পারে ঈদকে কেন্দ্র করে রচিত হচ্ছে নতুন ফ্যাশন। নগরের ঈদ। প্রবাসের ঈদ ধ্বনিত হচ্ছে জমকালোভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এই পণ্যবাদী বাণিজ্যিক ঈদকে মেলাতে হবে সমাজ নির্মাণের  চেতনার সঙ্গে। প্রেরণামূলক কবিতা ও সংগীতের সঙ্গে। বহুকাল আগে নজরুল লিখেছিলেন– ‘রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ’। কৈশোর যৌবনের সন্ধিক্ষণে আমি লিখেছিলাম–
‘চাঁদের কসম খাওয়া রাত পেরিয়ে অন্তহীন সোনালী ভোরের’ কথা। আগামীর তরুণ-তরুণীরা গ্রহণ করুন ঈদকে আরও ব্যাপক মহিমায়। আবারও ঈদ মোবারক।

আবেদ চৌধুরী: জিন বিজ্ঞানী 

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
  • প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও চাঁদরাতে বাংলাভিশনের ‘উৎসবে আনন্দে’
  • কোন ভাষার মানুষ কীভাবে ‘ঈদের শুভেচ্ছা’ জানান
  • দক্ষিণ চট্টগ্রামের শতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন
  • পটুয়াখালীতে ২২ গ্রামের ২৫ হাজার মানুষের ঈদ উদযাপন
  • ঈদ কেন পালন করা হয়
  • সবার জন্য নিয়ে আসুক সুখ ও সমৃদ্ধি
  • যেভাবে ঈদ উৎসব উদ্‌যাপন শুরু হয়েছিল
  • সর্বজনীন আনন্দের উৎসব
  • রোজা আর ঈদ: চেতনায়, স্মৃতিতে, ভালোবাসায়