স্বাধীনতার প্রহরে গর্জে উঠেছিল লক্ষ প্রাণ

অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের চেতনা,
বাংলার বুকের গভীরে লুকানো আশা-
পরাধীনতার শিকল ভেঙ্গে স্বাধীনতা আনা,
সেদিন মুক্তির জন্য জেগেছিল প্রতিটি ঘর।

ভাষা, সংস্কৃতি, সব কিছুর স্বাধীনতা অর্জনে- অত্যাচারের বিরুদ্ধে ছিল বাংলার জনতা,
সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে মুক্তির বার্তা-
"আমরা হব স্বাধীন" এ আমাদের অঙ্গীকার।

বিজয়ের চেতনায়, সাহসী স্বরে-
বাংলার মাটি-হাওয়ায় বাজছে বিজয়ের সুর,
আমরা স্বাধীন হব পরাধীনতার শিকল ভেঙ্গে।

জনতা, গেরিলাযোদ্ধা, শত্রুর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাঁরা-
মাতৃভূমির জন্য জীবন দিয়েছেন বিসর্জন,
তাঁরা বাংলার সূর্য সন্তান, স্মরণ করি মোরা শ্রদ্ধার সাথে- তাঁরা বাংলার বীর যোদ্ধা, রচনা করেছেন মুক্তির বার্তা, এনে দিয়েছেন বাংলার স্বাধীনতা, লাল-সবুজের পতাকা।

লক্ষ শহীদের মহান আত্মত্যাগ ও সাগরসম রক্তের বিনিময়ে, পেয়েছি মোরা সার্বভৌমত্বের স্বাধীনতা।
২৬শে মার্চ- মোদের গর্ব, মুক্তির গান, মুক্তির দিন, 
ইতিহাসে লেখা- "এক নতুন সূর্যোদয়ের সকাল।

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ স ব ধ নত

এছাড়াও পড়ুন:

আলু কিনতে গিয়ে কথা কাটাকাটি, পিটুনিতে নিহত ১

নড়াইলের লোহাগড়ায় আলু কিনতে গিয়ে কথা কাটাকাটির মধ্যে বিক্রেতার পিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রবিবার (৩০ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পৌরসভার লক্ষ্মীপাশা চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল্লাহ আল-মামুন (৪৭) উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়নের মহিষাপাড়া গ্রামের ওলিয়ার ফকিরের ছেলে এবং নড়াইল জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক।

অভিযুক্ত ইদ্রিস শেখ (৬০) গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত তাহের শেখের ছেলে। এ ঘটনার পরপরই অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে কাঁচামাল ব্যবসায়ী ইদ্রিস শেখের দোকানে যান আব্দুল্লাহ আল-মামুন। এ সময় আলুর দর নিয়ে আব্দুল্লাহ আল-মামুনের সঙ্গে ইদ্রিস শেখের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইদ্রিস শেখ প্লাস্টিকের গামলা দিয়ে আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে পিটিয়ে আহত করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, ‘‘ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে রামপুর এলাকা থেকে অভিযুক্ত ইদ্রিস শেখকে আটক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।’’

ঢাকা/শরিফুল/রাজীব

সম্পর্কিত নিবন্ধ