‘নিপল ডিসচার্জ’ থেকে কাদের ক্যান্সার হয়?
Published: 27th, March 2025 GMT
স্তন বৃন্ত দিয়ে রস নিঃসরণ হওয়াকে ‘নিপল ডিসচার্জ’ বলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিপল ডিসচার্জ বিভিন্ন স্তন রোগের কারণে হয়ে থাকে। এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫-১০% রোগীর ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। বেশিরভাগের ক্ষেত্রে নিপল ডিসচার্জ স্তনের অন্যান্য রোগ বা সংক্রমণ থেকে হয়ে থাকে। অনেক সময় মানসিক রোগের কারণেও নিপল ডিসচার্জ হতে পারে।
ডা.
এই চিকিৎসক বলছেন আক্রান্ত ব্যক্তির বয়স যদি ৩০ থেকে ৩৫ এর মধ্যে হয়ে থাকে তাহলে এতো ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যদি এই নিপল ডিসচার্জটা একদিক থেকে হয়, একটি ব্রেস্টে হয় এবং নিয়মিত হয় তাহলে ভয় পাওয়ার ব্যাপার আছে। কোনো ধরনের স্পর্শ ছাড়াই যদি পোশাক ভিজে যেতে থাকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
আরো পড়ুন:
ঈদের আগে বাড়িতে হেয়ার স্পা করার দুইটি পদ্ধতি
হাতে মেহেদি লাগানোর আগে-পরে করণীয়
আক্রান্ত ব্যক্তির বয়স ৩০ থেকে ৩৫ এর নিচে হলে আল্ট্রাসনোগ্রাম করা লাগতে পারে। এর ওপরে হলে মেমোগ্রাম করা লাগতে পারে। যদি নিপল ডিসচার্জের ক্ষেত্রে রক্ত বের হয় সেক্ষেত্রে অপারেশনের প্রয়োজন হতে পারে।
ঢাকা/লিপি
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
ছাত্রদল নেতার টাকা বিতরণের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)
নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদের টাকা বিতরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে চারদিকে চলছে নানা আলোচনা। তবে ঈদ সালামি ও ঈদ উপহার বাবদ ওই টাকা দলের নেতাকর্মীদের দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
জানা গেছে, শনিবার (২৯ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ তার নিজের ফেসবুকের পেজে ২৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করেন। যার ক্যাপশনে লেখা রয়েছে- ‘সালামি শুধু উপহার নয়, এটি ঈদের খুশির প্রতীক।’
ভিডিওতে দেখা যায়, মাসুদুর রহমান মাসুদের চারপাশে ঘিরে আছেন প্রায় ত্রিশ জন যুবক। তাদের সামনে এক হাজার টাকা ও পাঁচশ টাকার নোটের বান্ডিল থেকে টাকা গুনে আশেপাশের যুবকদের মাঝে বিলি করছেন। এ সময় ছাত্রদল নেতা মাসুদের পাশে থাকা এক যুবককে টাকা গুনতে সহায়তা করতে দেখা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ বলেন, আমার ওয়াইফাই ও ডিস লাইনের ব্যবসার লাভের অংশ দিয়ে আমি প্রতিবছর নেতাকর্মীদের ঈদ উপহার ও ঈদ সালামি দিয়ে থাকি।
তবে এ বছর সময় স্বল্পতার কারণে নেতাকর্মীদের পাঞ্জাবি কিনে দেওয়া সম্ভব হয়নি, যে কারণে নগদ টাকা দিয়েছি। সর্বমোট দুই লাখ টাকা দিয়েছি। তাছাড়া দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া ও তাদেরকে ঈদ উপহার দেওয়া কোনো দোষের কিছু নয়।
আমাদের নেতা তারেক রহমান ঈদ উপহার দেওয়ার নানা নির্দেশনা রয়েছে। সুতরাং আমি দলের নেতাকর্মীদের ঈদ উপহার দিয়েছি।
তিনি বলেন, মূলত এই ভিডিওটি আমি করিনি। আমার পেজের বেশ কয়েকজন এডমিন রয়েছে। তাদের মধ্য থেকে কেউ একজন এই ভিডিওটি করে পেজে প্রকাশ করেছেন।
তবে এভাবে ভিডিওটি প্রকাশ করা উচিত হয়নি। ভবিষ্যতে আমাদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত।