বেড়াতে এসে মামাতো ভাইকে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি
Published: 27th, March 2025 GMT
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আড়াই বছরের এক শিশুকে অপহরণ করে ছয় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে মামাতো ভাই ও তার সহযোগীরা। অপহরণের ১৬ ঘণ্টা পর বুধবার ভোরে অপহরণের শিকার শিশুকে উদ্ধারের পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক হওয়াদের দু’জন কিশোর। তাদের একজন শিশুটির মামাতো ভাই। আরেকজন নুর উদ্দিন (৩৭), বাকি একজনের পরিচয় জানা যায়নি।
অপহরণের শিকার শিশুটির নাম আজাদ। সে উপজেলার চাতল গ্রামের সৌদি প্রবাসী সোহেল মিয়া ও কল্পনা আক্তারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে মামার বাড়িতে বেড়াতে আসে আটক কিশোর। দুপুরে সে আজাদকে নিয়ে বাড়ির পাশে খেলতে যায়। বিকেলে ওই কিশোর মামার বাড়িতে ফিরে এলেও তার সঙ্গে শিশু আজাদ ফেরেনি। এ সময় আজাদের মা কল্পনা আক্তার তার ছেলের কথা জিজ্ঞাসা করলে ওই কিশোর ঠিকঠাক কোনো উত্তর দিচ্ছিল না।
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে অপরিচিত একটি মোবাইল ফোন থেকে শিশুটির মা কল্পনা আক্তারের কাছে কল আসে। তখন ছয় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বিষয়টি জানিয়ে কল্পনা আক্তার কটিয়াদী মডেল থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। আটক করা হয় শিশুটির মামাতো ভাইসহ তিনজনকে।
কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ক শ রগঞ জ অপহরণ উদ ধ র অপহরণ র আটক ক
এছাড়াও পড়ুন:
হা-মীমের কর্মকর্তা খুনে দুই গাড়িচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে: র্যাব
রাজধানীর তুরাগে হা-মীম গ্রুপের কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ হত্যায় জড়িত অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তাঁর নাম নূর নবী মিয়া (১৯)। তিনিও পেশায় গাড়িচালক। বুধবার বিকেলে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার হররাম উত্তরপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ফলগাছা থেকে গাড়িচালক সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
র্যাব-১ এর সিপিসি-২ কোম্পানি কমান্ডার মেজর মুহাম্মদ আহনাফ রাসিফ বিন হালিম সমকালকে বলেন, গ্রেপ্তার দুজন হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তাদের তুরাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব–১৩ আলাদা অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করে।
তুরাগ থানার ওসি রাহাত খান সমকালকে বলেন, হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে।
র্যাব সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় গ্রেপ্তারকৃতরা একে অপরের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে এর মধ্যে আর্থিক লেনদেনের একটি ঘটনা রয়েছে। নিহত ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব থেকে তাঁর গাড়িচালক সাইফুলের হিসাবে ৩০ হাজার টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০ হাজার টাকা ক্যাশ আউট করে নেওয়া হয়েছে। হত্যার সঙ্গে এ ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।
নিহত আহসান উল্লাহ হা-মীম গ্রুপের দ্যাটস ইট স্পোর্টস ওয়্যার লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি রোববার বিকেলে প্রতিষ্ঠানের কাজ শেষ করে নিজের প্রাইভেটকারে আশুলিয়া থেকে তুরাগের চন্ডালভোগের বাসায় ফিরছিলেন। গাড়ি চালাচ্ছিলেন সাইফুল। পথেই আহসানকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। পরে সাইফুল নিহতের বাসায় গাড়ি রেখে পালিয়ে যান। এর দুদিন পর মঙ্গলবার দুপুরে তুরাগ থানাধীন উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরে কাশবন থেকে আহসানের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগেই সাইফুলকে আসামি করে পল্লবী থানায় অপহরণ মামলা করেছিলেন নিহতের স্ত্রী লুৎফুন নাহার। লাশ পাওয়ার পর সেটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।