স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা
Published: 26th, March 2025 GMT
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পশ্চিম জামায়াতে ইসলামী'র উদ্যোগে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল কাইউম।
তার বক্তব্যে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও এর সুফল ভোগ করতে পারিনি। এর মূল কারন ন্যায় ও ইনসাফ পূর্ণ রাষ্ট্র গঠন এখনো হয়নি। বিগত আমল গুলোতে সঠিক নেতৃত্বের অভাবে এদেশের মানুষ কাংখিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি।
আমরা আশা করবো ন্যায় ও ইনসাফ পূর্ণ রাষ্ট্র কাঠামো গঠনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আগামী দিনে সঠিক নেতৃত্বে সম্ভাবনাময় রাষ্ট্রে পরিনত হবে।
উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতি সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানার নায়েবে আমীর হুমায়ুন রফিক'র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন। উক্ত অনুষ্ঠানে হাবিবুর রহমান'র সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন এনায়েত উল্লাহ,মোস্তফা কামাল,জহুর আলম সহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ প্রমূখ।
.উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: স দ ধ রগঞ জ ব ল দ শ জ ম য ত ইসল ম ন র য়ণগঞ জ স ব ধ নত
এছাড়াও পড়ুন:
ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে যানজট নেই, তবে আছে ধীরগতি
ঢাকার অদূরে সাভার ও ধামরাই উপজেলায় শিল্পকারখানার সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৮০০টি। পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন উপলক্ষে এসব শিল্পকারখানায় পর্যায়ক্রমে ছুটি ঘোষণা করা হচ্ছে। ছুটি ঘোষণার পর গত দুই-তিন দিনের তুলনায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে ঘরমুখী মানুষ ও যানবাহনের চাপ তুলনামূলকভাবে বেড়েছে। মহাসড়ক দুটিতে চাপ বাড়লেও যানজটের অস্বস্তি নেই বললেই চলে। তবে কয়েকটি স্থানে যানবাহনের ধীরগতি আছে।
মূলত এ দুটি মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, শিল্পকারখানাগুলোতে ধাপে ধাপে ছুটি ঘোষণা করা এবং সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা যানজট নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করায় মহাসড়কে যানজট নেই বলে মনে করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
বিভিন্ন পরিবহনের চালক ও ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের অনেকে অভিযোগ করে বলেছেন, ঈদ উপলক্ষে সড়ক পুরোপুরি যানজটমুক্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তাঁদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি। এ ছাড়া কিছু পরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা।
আজ শুক্রবার মহাসড়ক দুটির বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল আটটার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নবীনগর থেকে বিশমাইল পর্যন্ত এলাকাটিতে যানবাহন থেমে থেমে চলছিল। তবে সাড়ে নয়টার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। সকাল ১০টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ড ও হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে নিরবচ্ছিন্নভাবে গাড়ি চলাচলের লেনটি স্বাভাবিক থাকলেও সার্ভিস লেনে যানবাহনগুলোকে ধীরগতিতে চলতে দেখা যায়। এ ছাড়া সকাল সাড়ে আটটার দিকে নবীনগর থেকে চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যানবাহন চলে থেমে থেমে। প্রায় এক ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
আরও পড়ুনগাজীপুরে দুই মহাসড়কে বেড়েছে গাড়ির চাপ, তবে যানজট নেই১০ ঘণ্টা আগেআজ বিকেল পাঁচটার দিকে নবীনগর দূরপাল্লার বাস টার্মিনালে ঘরমুখী মানুষের ভিড় দেখা যায়। এ ছাড়া টার্মিনাল সংলগ্ন মহাসড়কের সার্ভিস লেনে যাত্রী পরিবহনের বাসগুলো সারিবদ্ধভাবে এবং কয়েকটি বাসকে সড়ক আটকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। তবে নিরবচ্ছিন্নভাবে গাড়ি চলাচলের লেনটি ছিল স্বাভাবিক। মহাসড়ক দুটির নবীনগর ও বাইপাইল বাসস্ট্যান্ডে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
সকালে কিছুটা ভোগান্তিঢাকা থেকে প্রাইভেট কারে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলে যাচ্ছিলেন মো. রাজিব। সকাল সাড়ে আটটার দিকে বিশমাইল এলাকায় পৌঁছালে গাড়িগুলো থেমে থেমে চলতে থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন তাঁরা। এ সময় তিনি বলেন, ‘ভোগান্তির কথা বলে শেষ নেই। প্রতিবছর ঈদের সময় একই ঘটনা ঘটে। এগুলো দেখার কেউ নেই, শোনারও কেউ নেই। যানজট নিরসনে প্রশাসনের লোকজনকে এখনো সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখিনি।’
আজ শুক্রবার নবীনগর দূরপাল্লার বাস টার্মিনালে ঘরমুখী মানুষের ভিড় দেখা যায়। সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে