কেমন খেলল আর্জেন্টিনা, কেমন ‘ছেলেখেলা’র শিকার হলো ব্রাজিল
Published: 26th, March 2025 GMT
আর্জেন্টিনার জন্য স্মরণীয় এবং ব্রাজিলের জন্য ম্যাচটি ভুলে যাওয়ার। কিন্তু চাইলেই কি ভোলা সম্ভব! হারটা ৪-১ গোলের। ১৯৮৭ কোপা আমেরিকায় চিলির কাছে চার গোলে সেই হারের পর দক্ষিণ আমেরিকান কোনো দলের বিপক্ষে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে এই প্রথম ৪ গোল হজম করল ব্রাজিল। ম্যাচটি তাই ঐতিহাসিকও। ২০ বছর পর ঘরের মাঠে ব্রাজিলের বিপক্ষে জিতল আর্জেন্টিনা।
এক দলের জালে চার গোল হওয়ার এ ম্যাচে স্বাভাবিকভাবেই দুই দলের পারফরম্যান্স বিপরীতমুখী। আর্জেন্টিনা কেমন খেলল আর ব্রাজিল তাতে কেমন ‘ছেলেখেলা’র শিকার হলো, খেলোয়াড়দের রেটিং পয়েন্টের দেওয়ার মাধ্যমে তা নির্ধারণ করেছে ফুটবলবিষয়ক ওয়েবসাইট গোল ডট কম। আসুন জেনে নিই—আর্জেন্টিনা:
এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (৭/১০)
মাথিয়াস কুনিয়ার আকস্মিক শটে গোল হজম করেছেন। এ ছাড়া ম্যাচে এমিলিয়ানো মার্তিনেজের আর তেমন কিছুই করার ছিল না।
নাহুয়েল মলিনা (৭/১০)
ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে বোতলবন্দী করে রাখার কাজটা দক্ষতার সঙ্গে সেরেছেন। আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় গোলে ক্রসটি তাঁর। চোখজুড়ানো খেলেননি কিন্তু যথেষ্ট কার্যকর ছিলেন।
ক্রিস্টিয়ান রোমেরো (৬/১০)
কুনিয়ার কাছে সহজে বল হারিয়ে গোল হজম করেছেন। তারপর অবশ্য যথারীতি নির্ভরতার প্রতীক। ভিনিসিয়ুসকে মার্কিং করতে অতিরিক্ত ছোটাছুটিও করেছেন।
নিকোলাস ওতামেন্দি (৭/১০)
ট্যাকল করতে কুণ্ঠা করেননি। ওয়ান-অন-ওয়ানস জিতেছেন। জায়গার ব্যবহার করেছেন দারুণভাবে। অধিনায়কসুলভ পারফরম্যান্স।
আরও পড়ুনব্রাজিলকে নিয়ে ‘ছেলেখেলা’ আর্জেন্টিনার, চার গোলে ‘সুখবর’ উদ্যাপন ৩ ঘণ্টা আগেনিকোলাস তালিয়াফিকো (৭/১০)
তাঁর প্রান্ত দিয়ে ব্রাজিলের আক্রমণ খুব করলেও সামলেছেন খুব ভালোভাবে। একটি গোলের উৎসও তিনি।
লিয়ান্দ্রো পারেদেস (৭/১০)
মাঝমাঠের মূল স্তম্ভ। মাঠের গভীর থেকে খেলেছেন, চাপ নিরসনে চাতুরীপূর্ণ পাসও দিয়েছেন।
অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার (৮/১০)
পাস কাড়া থেকে দেওয়ার কাজটা করেছেন। বলের ওপর নিয়ন্ত্রণও ছিল ভালো। চোখজুড়ানো একটি গোল করেছেন।
উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: আর জ ন ট ন কর ছ ন
এছাড়াও পড়ুন:
গাজীপুরে শতবর্ষী দেশি মুরগির হাট
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গাজীপুরের শ্রীপুরে জমে উঠেছে দেশি মুরগির হাট। উপজেলার শতবর্ষী বরমী বাজারের একটি অংশে এই হাট বসে।
বুধবার সকালে বরমী বাজারের মুরগির হাটে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কয়েকটি সারিতে দেশি মুরগি বিক্রি করতে বসেছেন শতাধিক বিক্রেতা। সামনে দেশি বিভিন্ন বয়সী মোরগ-মুরগি সাজানো। বাজারের একপাশে পাইকারেরা বিপুলসংখ্যক মুরগি কিনে জড়ো করেছেন। বাজারে অন্যান্য সময়ের তুলনায় ভিড় বেশি। ক্রেতারা একেকটি মুরগি হাতে নিয়ে পর্যবেক্ষণ করছেন। পছন্দ হলে দাম–দর করে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। একেকটি মুরগি আকার ও ওজনভেদে ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোরগের দাম ছোট আকারের হলে একেকটি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। আর বড় হলে ওজন অনুযায়ী একেকটি ৪০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগই বাড়িতে পালা দেশি মুরগি সাপ্তাহিক হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছেন। অন্যরা পাইকারি বিক্রেতা। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে পাইকারি কিনে খুচরা বিক্রি করেন তাঁরা।
বরমী ইউনিয়নের গাড়ারণ গ্রামের মো. নাজমুল ইসলাম দুটি মোরগ বিক্রির জন্য বাজারে নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, ঈদের বাজারে বিক্রির জন্য মোরগগুলো লালন–পালন করেছেন। দুটি মোরগ অন্তত ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা তাঁর।
বরমী বাজারে সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার মুরগির হাট বসে