চলছে এইচবিওর বহুল চর্চিত সিরিজ ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’-এর তৃতীয় মৌসুম। এই সিরিজে চেলসি চরিত্রে অভিনয় করে নজর কেড়েছেন ব্রিটিশ অভিনেত্রী এমি লু উড। থাইল্যান্ডে হয়েছে এবারের মৌসুমের শুটিং। পর্দায় দেখা যায়, এমি সাপের কামড় খেয়েছেন। সেই সাপ সত্যি কি না, তা নিয়েই চলছে জল্পনা। সম্প্রতি বিবিসি ওয়ানের ‘দ্য জনাথন রস শো’তে এসে ‘সাপ-রহস্য’ ফাঁস করেছেন এমি।
‘সাপটা অবশ্যই সত্যি ছিল, তবে পা নকল। শুটিংয়ে নকল পা বানানো হয়, সেখানেই কামড় দেয় সাপ। থাইল্যান্ডে যাওয়ার আগের দিন আমার বাড়িতে শুটিং ইউনিটের একজন আসেন, তিনি কৃত্রিম পা তৈরির জন্য আমার পায়ের মাপ নেন; তখন অবশ্য জানতাম না নেপথ্যের কারণ। তবে নকল পা কী দিয়ে বানানো হয়েছে, তা জানি না,’ বিবিসির অনুষ্ঠানে বলেন অভিনেত্রী।
‘দ্য হোয়াইট লোটাস’-এ এমি লু উড। ছবি: আইএমডিবি.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
গাজীপুরে শতবর্ষী দেশি মুরগির হাট
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গাজীপুরের শ্রীপুরে জমে উঠেছে দেশি মুরগির হাট। উপজেলার শতবর্ষী বরমী বাজারের একটি অংশে এই হাট বসে।
বুধবার সকালে বরমী বাজারের মুরগির হাটে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কয়েকটি সারিতে দেশি মুরগি বিক্রি করতে বসেছেন শতাধিক বিক্রেতা। সামনে দেশি বিভিন্ন বয়সী মোরগ-মুরগি সাজানো। বাজারের একপাশে পাইকারেরা বিপুলসংখ্যক মুরগি কিনে জড়ো করেছেন। বাজারে অন্যান্য সময়ের তুলনায় ভিড় বেশি। ক্রেতারা একেকটি মুরগি হাতে নিয়ে পর্যবেক্ষণ করছেন। পছন্দ হলে দাম–দর করে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। একেকটি মুরগি আকার ও ওজনভেদে ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোরগের দাম ছোট আকারের হলে একেকটি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। আর বড় হলে ওজন অনুযায়ী একেকটি ৪০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগই বাড়িতে পালা দেশি মুরগি সাপ্তাহিক হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছেন। অন্যরা পাইকারি বিক্রেতা। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে পাইকারি কিনে খুচরা বিক্রি করেন তাঁরা।
বরমী ইউনিয়নের গাড়ারণ গ্রামের মো. নাজমুল ইসলাম দুটি মোরগ বিক্রির জন্য বাজারে নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, ঈদের বাজারে বিক্রির জন্য মোরগগুলো লালন–পালন করেছেন। দুটি মোরগ অন্তত ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা তাঁর।
বরমী বাজারে সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার মুরগির হাট বসে