প্রতি বছরের মতো এবারও স্বাধীনতা দিবসে সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে প্রদর্শনী ম্যাচ আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।এবার ম্যাচ হবে ১০ ওভারে। 

টি ১০ ফরম্যাটের এই ম্যাচে আজ দুপুরে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে নামবেন সাবেক ক্রিকেটাররা। বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ দুই বীর শহীদ মুশতাক ও শহীদ জুয়েলের নামে একাদশ করে খেলবেও স্বাধীনতা দিবসের দুই দল হয়েছে লাল একাদশ ও সবুজ একাদশ। 

বুধবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে এই ম্যাচ শুরু হবে। 

বাংলাদেশ লাল একাদশ: আকরাম খান, হাবিবুল বাশার সুমন, হান্নান সরকার, সজল চৌধুরী, সানোয়ার হোসেন, মেহরাব হোসেন অপি, ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স, নাজমুল হোসেন, ডলার মাহমুদ, নিয়ামুর রশিদ রাহুল, আব্দুর রাজ্জাক, গোলাম ফারুক শুরু, সাজ্জাদ আহমেদ শিপন, রকিবুল হাসান।

বাংলাদেশ সবুজ একাদশ:  মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, জাভেদ ওমর বেলিম গোল্লা, খালেদ মাসুদ পাইলট, আতাহার আলি খান, শাহরিয়ার নাফীস, এসহানুল হক সিজান, মোহাম্মদ রফিক, হারুনুর রশিদ লিটন, তালহা জুবাইর, হাসিবুল হোসেন শান্ত, হাসানুজ্জামান ঝড়ু, মুশফিকুর রহমান বাবু, জাকির হোসেইন, জামাল উদ্দিন বাবু, মোহাম্মদ আলি।

ঢাকা/ইয়াসিন

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

বিড়ালের লেজ ১৮.৫ ইঞ্চি

রুপালি রঙের মেইন কুন প্রজাতির বিড়ালটির লেজের দৈর্ঘ্য ১৮ দশমিক ৫ ইঞ্চি। এই প্রজাতির জীবন্ত কোনো বিড়ালের লেজ তার মতো এতটা লম্বা নেই। তাই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নিয়েছে বিড়ালটি।

বিড়ালটির মালিক আমান্ডা ক্যামেরন বলেন, তাঁর পরিবারের এই বিড়ালের বয়স দুই বছর। এটির নাম দেওয়া হয়েছে পাগস্লে অ্যাডামস। জন্মের শুরু থেকেই তার লেজ তুলনামূলক লম্বা। পশুচিকিৎসকের কাছে তাকে প্রথম নিয়ে যাওয়া হলে তার লম্বা লেজের বিষয়টি উঠে আসে।

ক্যামেরন বলেন, আবার ছয় মাস পর পশুচিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে পাগস্লের লেজের বিষয়টি উঠে আসে। তখন তাঁর ছেলে এই বিড়ালের লেজ নিয়ে উৎসাহী হয়ে গবেষণা শুরু করেন। জীবন্ত বিড়ালের লেজের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য কত, তা নিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে খোঁজখবর করা হয়।

ক্যামেরন বলেন, ‘নানাভাবে খোঁজখবর নিয়ে আমরা যা জানলাম, তা আমাদের বড় ধাক্কা দিল। পাগস্লের লেজ সবার চেয়ে লম্বা।’

ক্যামেরন বলেন, পাগস্লে এমনিতে যে কারও সঙ্গে মিশে যেতে পারে এবং সে বেশ বন্ধুভাবাপন্ন।

ক্যামেরন বলেন, ‘সবাই তাকে দেখতে চায়। তার শান্ত আচরণের কারণে সবাই তাকে আদর করে। প্রাণী হলেও তার কাণ্ডজ্ঞান বেশ ভালোই বলতে হবে। এমনকি যেকোনো নতুন পরিস্থিতিতে সে অন্য বিড়ালদের জন্য ভীতি সৃষ্টির কারণ হতে পারে।’

বিড়ালটির এই মালিক আরও বলেন, পাগস্লে বেশ নরম প্রকৃতির এবং সব সময় সে শব্দ করে। সবকিছু মিলিয়ে সে দারুণ এক প্রাণী। প্রায়ই আমরা যখন তাকে নিয়ে বাইরে যাই, তখন সবাই তাকে ‘লোকাল সেলেব্রিটি’ বলে ডাকে।

পাগস্লে যখন বাড়িতে তার ক্যাট ট্রিতে চড়ে বা তার বিড়াল বোন উইনি ও ডাচেস এবং ভাই গোমেজের সঙ্গে খেলা করে, তখনো সে নিজের অনন্য লেজের বিষয়ে সচেতন থাকে।

ক্যামেরন বলছিলেন, পাগস্লের বয়স মাত্র দুই বছর। সে এখনো বড় হচ্ছে। কিন্তু এই সময়েও নিজের লেজ নিয়ে সে খুবই সচেতন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ