একাত্তর আর চব্বিশ আলাদা কিছু নয়: নাহিদ ইসলাম
Published: 26th, March 2025 GMT
একাত্তর আর চব্বিশ আলাদা কিছু নয়, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একাত্তরের চেতনা পুনরুজ্জীবিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বুধবার স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর পর বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন। তার অভিযোগ, যারা একাত্তর আর চব্বিশকে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করাতে চায় তাদের উদ্দেশ্য সৎ নয়।
নাহিদ আরও বলেন, ক্ষমতায় বসার জন্য যদি নির্বাচন চাপিয়ে দেওয়া হয় তা মানা হবে না। একদিকে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচন চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে, অন্যদিকে ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র চলছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া সংবিধান আঁকড়ে রেখে পুরোনো বন্দোবস্তেই দেশকে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ নাহিদ ইসলামের। এর আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এনসিপি নেতারা।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ন হ দ ইসল ম জ ত য় ন গর ক প র ট
এছাড়াও পড়ুন:
দৌলতদিয়ায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই ভোগান্তি
পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। ফলে ঘুরমুখো যাত্রী ও বিভিন্ন ধরনের পরিবহনের চাপ বেড়েছে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে।
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়া ঘাট হয়ে চলাচল করছেন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে পর্যাপ্ত ফেরি চলাচল করছে। ফেরিগুলো দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রী ও বিভিন্ন ধরনের পরিবহন নিয়ে পৌঁছাচ্ছে পাটুরিয়া থেকে। লঞ্চে করেও এই ঘাটে আসছেন অগণিত মানুষ।
শনিবার (২৯ মার্চ) সকালে দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। নির্বিঘ্নে নদী পার হতে পারায় তাদের মুখে ছিল আনন্দের ছাপ।
আরো পড়ুন:
৯ দিনের ছুটি, ফাঁকা হচ্ছে নরসিংদী
যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকার টোল আদায়
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে ফেরি ও লঞ্চে দৌলতদিয়ায় আসছেন ঘরমুখো মানুষরা। ঘাটে নেমে নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছাতে তাদের অনেককেই মাহেন্দ্র ও মোটরসাইকেলে চড়ে রওনা হতে দেখা গেছে।
ঘাটে যানজট না থাকায় দক্ষিণ-পশ্চিমাচঞ্চল থেকে আসা পরিবহনগুলোকে সরাসরি ফেরিতে উঠতে দেখা গেছে।
ঢাকা থেকে আসা রুহুল আমিন বলেন, “গ্রামের বাড়িতে ফিরছি। ভোরে গাবতলি থেকে বাসে উঠে পাটুরিয়া ফেরিঘাটে এসেছি। ফেরিতে উঠে দৌলতদিয়া ঘাটে নামলাম। পথে ও ফেরি ঘাটে কোন ভোগান্তি ছিল না।”
মারিয়া নামে অপর যাত্রী বলেন, “বাবা ঢাকাতে চাকরি করে। যে কারণে মা ও আমিও ঢাকায় থাকি। গ্রামে দাদা-দাদি ও অন্য স্বজনরা থাকেন। তাদের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়িতে যাচ্ছি। অনেক দিন পর বাড়িতে খুবই আনন্দ হচ্ছে। ভোগান্তি ছাড়াই ফেরি পারাপার হতে পেরে আনন্দ লাগছে।”
লঞ্চ যাত্রী রেজাউল ইসলাম বলেন, “সড়কে ভোগান্তি ছিল না। লঞ্চ ও ফেরি ঘাটেও ভোগান্তি নেই। ঘরে ফেরা মানুষগুলো অনেক আরামেই বাড়িতে ফিরতে পারছেন।”
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, “সকাল থেকে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে। ঘাট যানজট বা ভোগান্তি নেই। ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রীরা নির্বিঘ্নে ফেরি পার হয়ে চলে যাচ্ছেন। এই নৌরুটে ১৭টির মধ্যে ১৬টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।”
ঢাকা/রবিউল/মাসুদ