৯০ দিনের মধ্যে মাগুরায় শিশু ধর্ষণের বিচার শেষ করে রায় বাস্তবায়ন করতে হবে: চরমোনাই পীর
Published: 13th, March 2025 GMT
মাগুরায় যৌন নির্যাতনে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় শোক জানিয়ে চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, যারা এই ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিচার আগামী ৯০ দিনের মধ্যে সমাপ্ত করে রায় কার্যকর করতে হবে। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক শোকবার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, প্রয়োজনে আইন সংশোধন করুন বা নতুন আইন তৈরি করুন। দেশবাসী কিন্তু ৯০ দিনের মধ্যে রায়ের বাস্তবায়ন দেখতে চায়।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধীদের চেয়ে রাষ্ট্র অনেক বড়। ফলে অপরাধীদের দমনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য না। তাই যেকোনো মূল্যে তাদের দমন করতেই হবে।
শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, পোশাকশ্রমিকের ঘাম ও শ্রমেই দেশের অর্থনীতি সচল থাকে; কিন্তু ঈদ এলে সেই শ্রমিকদের ঘামে অর্জিত বেতন-বোনাস আদায় করার জন্য রাস্তায় নামতে হয়, বিক্ষোভ করতে হয়। এর চেয়ে লজ্জাজনক আর কিছু হতে পারে না। তাই কোনো ধরনের অজুহাত না দেখিয়ে ২০ রোজার মধ্যে শ্রমিকের বেতন-বোনাস বুঝিয়ে দিতে হবে।
ঢাকার সাততলা বস্তিতে আগুনে সর্বস্ব হারানো অসহায় নাগরিকদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, রাষ্ট্রকে অবশ্যই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং দেশের অগ্নিনিরাপত্তা জোরদার করতে হবে।
আরও পড়ুনমাগুরায় শিশুটির প্রথম জানাজার পর আসামিদের বাড়িতে আগুন৩ ঘণ্টা আগে.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
ঢাবিতে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম খুঁজতে তদন্ত কমিটি
আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে (২০০৯-২৪) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়ম খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গত ১৬ মার্চ অনুষ্ঠিত ঢাবির সিন্ডিকেট সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। রবিবার (১৩ এপ্রিল) বিষয়টি জানাজানি হয়েছে।
কমিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক তাজমেরী এসএ ইসলামকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।
আরো পড়ুন:
‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নাম পরিবর্তন করায় ঢাবি শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
ফ্যাসিবাদের প্রতিকৃতিতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মামুন আহমেদ, লোকপ্রশাসন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আকা ফিরোজ আহমদ, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ঈকরামুল হক এবং বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার মুন্সী শামস উদ্দীন আহমেদ।
কমিটি প্রয়োজন মনে করলে বহিঃস্থ/অভ্যন্তরীণ আরো তিনজন সদস্য তাদের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে বলে বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকা/সৌরভ/মেহেদী