ঈদ উপলক্ষে মাস শেষের আগেই বেতন পাবেন সরকারি কর্মচারীরা
Published: 9th, March 2025 GMT
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর মার্চ মাসের বেতন চলতি মাসের ২৩ তারিখেই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
রবিবার (৯ মার্চ) সকালে অর্থ বিভাগের ট্রেজারি ও ঋণ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের এক আদেশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
ট্রেজারি ও ঋণ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের সিনিয়র সহকারি সচিব মো.
বাংলাদেশ ট্রেজারি রুলস এর অধীনে প্রণীত সাবসিডিয়ারি রুলস (এস.আর) ১১৩ (২) প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ আদেশ জারি করা হলো বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকা/হাসনাত/ফিরোজ
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
পথেঘাটে নারীকে হেনস্তা করা হচ্ছে কেন, প্রশ্ন সেলিমা রহমানের
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, ৫ আগস্টের বিপ্লবে তরুণেরা বুকের রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা এনেছেন। যেখানে ফ্যাসিস্ট সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে, সেখানে কেন এখনো নারীরা ধর্ষিত হচ্ছেন, বাসে ধর্ষিত হচ্ছেন? কেন পথেঘাটে নারীদের নির্যাতন–হেনস্তা করা হচ্ছে?
সেলিমা রহমান বলেন, একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলছে!
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সেলিমা রহমান। বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী মহিলা দল নারী দিবস উপলক্ষে আজ শোভাযাত্রার আয়োজন করে। শোভাযাত্রাপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সেলিমা রহমান।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় যেটা, সেটা হলো নারী ও পুরুষের মধ্যে বৈষম্য। অর্থাৎ পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার দৃষ্টিভঙ্গি এখনো আমাদের ওপর আছে। এ কারণে একজন মা, একজন স্ত্রী তার ঘরের সম্মান পায় না। মাগুরাতে যে ঘটনা ঘটেছে, তা ঘটেছে পরিবার থেকে। পরিবারে নারীদের অধিকার দেওয়ার চর্চা নেই।’ নারীনেত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সবাইকে সচেতন হতে হবে। অধিকার কোনটা, সমতা কোনটা—তা বুঝতে হবে।
সেলিমা রহমান অভিযোগ করেন, ‘১৭ বছর একটা দুঃশাসনে ফ্যাসিস্ট শাসনের অধীন ছিলেন। তখন নারী নির্যাতনকে উৎসাহিত করা হতো। তাদের বিভিন্নভাবে পুরস্কৃত করা হতো।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির নেত্রী সেলিমা রহমান বলেন, বলা হচ্ছে মব জাস্টিজ! কিসের মব জাস্টিজ, মাইকিং করে কারা এসব করছে? সরকার কেন চুপচাপ, সরকার কেন কথা বলছে না? তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানি, ইউনূস বিশ্ববিখ্যাত নন্দিত নেতা। তাঁর কাছে আশা করেছিলাম, যারা অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করছে, দেশকে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তাদের ওপর কঠিন হবে, তাদের শাস্তি দেবেন।’
ছাত্রদের গঠিত নতুন দল নিয়েও কথা বলেন সেলিমা রহমান। তিনি বলেন, ‘তোমরা দল করেছ, স্বাগত জানাই। আজকাল ছাত্র–জনতা বলে, বৈষম্যবিরোধী বলে যে কেউ দু–তিনজন করে বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন অফিস–আদালতে বসে থাকছে, তারা ভাগ চাইছে। এখন তোমাদের উচিত, কথা বলে তাদের ফিরিয়ে আনা।’
সরকারের উদ্দেশে সেলিমা রহমান বলেন, ‘আপনারা অনেক কিছু করছেন, অনেক কথা বলছেন, বলেন, করেন, কিন্তু সমাজে যে অস্থিতিশীলতা, সমাজে যে মব জাস্টিজ, সমাজে যে নারী ধর্ষণ—এসব যদি বন্ধ করতে না পারেন, তাহলে আমাদের বাংলাদেশের জনগণ যে স্বপ্ন নিয়ে এই দেশকে আবার মুক্ত করেছে, সেই স্বপ্ন পূরণ হবে না।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। এটি নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।