দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (২ থেকে ৬ মার্চ) লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্য বিমা খাতে তালিকাভুক্ত প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি থাকায় কোম্পানিটির শেয়ার ডিএসইর সাপ্তাহিক দাম বাড়ার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

শনিবার (৮ মার্চ) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিদায়ী সপ্তাহে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার দর বেড়েছে ১৭.

৭৪ শতাংশ। এর আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী মূল্য ছিল ৩৮.৯০ টাকা। বিদায়ী সপ্তাহ শেষে এর শেয়ারের সমাপনী মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৫.৮০ টাকা। এর ফলে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার ডিএসইর সাপ্তাহিক দাম কমার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

আরো পড়ুন:

যেসব অভিযোগে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিএসইসি

বিএসইসির অস্থিরতা দ্রুত সমাধান চায় বিএমবিএ

ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম বাড়ার শীর্ষ তালিকায় উঠে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে শেয়ার দর ডেসকোর ১৭.২৬ শতাংশ, ইন্দো-বাংলার ১৫.৭৪ শতাংশ, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টের ১২.০২ শতাংশ, ইস্টার্ন ক্যাবলসের ৯.৩৫ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ৮.৮২ শতাংশ, ন্যাশনাল টির ৮.০২ শতাংশ, এশিয়ান টাইগার গ্রোথ ফান্ডের ৭.৬৯ শতাংশ, জেমিনি সি ফুডের ৭.৬৭ শতাংশে এবং বিচ হ্যাচারির ৬.৬৭ শতাংশ বেড়েছে।

ঢাকা/এনটি/রফিক

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

আল হারামাইন-সেলেস্টিয়াল সিকিউরিটিজের কার্যক্রম তদন্তে কমিটি

পুঁজিবাজারের সদস্যভুক্ত দুটি ব্রোকারেজ হাউজের সার্বিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গঠিত তদন্ত কমিটিকে আগামী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিএসইসিতে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ব্রোকারেজ হাউজগুলো হলো- আল হারামাইন সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং সেলেস্টিয়াল সিকিউরিটিজ লিমিটেড। 

বিশ্বখ্যাত পারফিউম কোম্পানি আল হারামাইন পারফিউমস গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আল হারামাইন সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে ব্রোকারেজ হাউজ দুটির মোট সম্পদ মূল্য কম থাকায় প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন থেকে এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিএসইসির জারি করা আদেশ দুটি ব্রোকারেজ হাউজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন, বিএসইসির অতিরিক্ত পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাকসুদা মিলা এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)  মো. জামশেদ উল ইসলাম। উল্লিখিত কর্মকর্তারা ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন এবং এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন কমিশনে জমা দেবেন।

বিগত সরকারের আমলে আইন লঙ্ঘন করা ব্রোকারেজ হাউজগুলোর বিরুদ্ধে তেমন কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন নতুন কমিশন সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে ঘাটতি থাকা ব্রোকারেজ হাউজগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে।

বিএসইসির তদন্তের আদেশ

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন মনে করে যে, পুঁজিবাজার এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বৃহত্তর স্বার্থে আল হারামাইন সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং সেলেস্টিয়াল সিকিউরিটিজ লিমিটেডের মূলধন ঘাটতি (নিট ওয়ার্থ) তদন্ত করা প্রয়োজন।

তাই, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিনেন্স, ১৯৬৯ এর সেকশন ২১, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ধারা ১৭(ক) এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ‌্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সিার্টিফিকেট) বিধিমালা, ২০২০ এর বিধিমা ৭(৪) এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কমিশন উল্লিখিত তিন কর্মকর্তাকে ব্রোকারেজ হাউজ দুইটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য নিয়োগ দেওয়া হলো।

তদন্ত কর্মকর্তারা এই আদেশ জারির তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করবেন এবং কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবেন।

সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী, ব্রোকারেজ হাউজ দুইটির মোট সম্পদ মূল্য পরিশোধিত মূলধনের ৭৫ শতাংশের বেশি রাখার বিধান রয়েছে। কিন্তু নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে মোট সম্পদ মূল্য কম থাকায় প্রতিষ্ঠান দু’টির সার্বিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আল হারামাইন সিকিউরিটিজ লিমিটেডের আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। তবে দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর চলতি বছরের গত ২২ জানুয়ারি আল হারামাইন গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এমডি এবং এনআরবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান নাসিরের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করা হয়। একইসঙ্গে তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভাই আল হারামাইন সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লিউর রহমান, ছেলে আল হারামাইন সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ এমাদুর রহমানসহ দুই ভাতিজা আশফাকুর ও এহসানুরের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)।

ঢাকা/এনটি//

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • মশিউর সিকিউরিটিজের অর্থ আত্মসাৎ, শাস্তির দাবি বিনিয়োগকারীদের
  • শেষ কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান
  • এক মাসের মধ্যে কাট্টালিকে লিস্টিং ফি পরিশোধের নির্দেশ
  • লংকাবাংলা ফিক্সড ইনকাম ফান্ডের ট্রাস্ট ডিড অনুমোদন
  • আইন লঙ্ঘন করা দুই ব্রোকারেজ হাউজকে জরিমানা
  • আল হারামাইন-সেলেস্টিয়াল সিকিউরিটিজের কার্যক্রম তদন্তে কমিটি
  • পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান, বেড়েছে লেনদেন
  • ডিএসই ও সিএসইতে নতুন ট্রেজারি বন্ডের লেনদেন শুরু
  • সূচকের পতন, কমেছে বেশিরভাগ শেয়ারের দাম
  • টেলিস্যাটের সঙ্গে এডিএন টেলিকমের চুক্তি