সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপির সংঘর্ষ-গোলাগুলি, ১০ বাইকে আগুন
Published: 6th, March 2025 GMT
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী ইপিজেডে ঝুট ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপির দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়েছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ১০টি মোটরসাইকেল। ভাঙচুর করা হয় কমপক্ষে ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জ পুরাতন থানার সামনে শিরাইল-নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে এ সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন ও জেলার সাবেক সহআইন সম্পাদক শাহ আলম মানিকের তিন শতাধিক অনুসারী পিস্তল, রামদা, লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় আদমজী সড়কে বন্ধ ছিল যান চলাচল।
মনির হোসেনের অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাকিবুর রহমান সাগর ইপিজেডে ১৭টি কারখানায় ঝুট ব্যবসা করেন। তাঁর পক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবলীগের আহ্বায়ক ও সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি এবং যুবলীগের পানি আক্তার একচেটিয়া ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন। বৃহস্পতিবার আমার লোকজন ইপিজেডের ইউনিভার্সেল কারখানায় কিছু মালপত্র সরবরাহে গেলে সাগরের ক্যাডাররা মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। পরে তারা জড়ো হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
তিনি বলেন, সাগরের ফুফাতো ভাই সোহাগ ডিএনডি ক্যানেলের ওপর থেকে আমার অনুসারীদের ওপর গুলি করেন। তারা ১৪-১৫ সমর্থককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেন। পরে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট করে।
রাকিবুর রহমান সাগর বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা পালিয়ে গেলেও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী রয়ে গেছে। বিকেলে কয়েকজন ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা চালালে এলাকাবাসী তাদের প্রতিহত করেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি শাহীনুর আলম জানান, আদমজী ইপিজেডের ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ব এনপ আগ ন স দ ধ রগঞ জ ব এনপ র স ঘর ষ ব যবস
এছাড়াও পড়ুন:
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অন্য কোথাও নেই
“বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অন্য কোথাও নেই। এদেশের হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে যার যার ধর্মীয় উৎসব পালন করে থাকে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসবে অনেক বেশি পূণ্যার্থীরা অংশ নিয়েছেন।”
বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
শনিবার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহাষ্টমী পুণ্য স্নানোৎসবের পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ২টা থেকে শুরু হয়ে ৫ এপ্রিল রাত ১২টা ৫১ পর্যন্ত দুই দিনব্যাপী লাঙ্গলবন্দের এই স্নানোৎসব চলবে। স্নানের লগ্ন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উৎসবে মেতে উঠেছেন দেশ-বিদেশ থেকে আসা লাখো পুণ্যার্থী। লাঙ্গলবন্দের তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পুণ্যার্থীর ঢল নেমেছে।
ঢাকা/অনিক/টিপু