ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। অর্জনের দিক থেকে এই দলটির ধারেকাছেও নেই অন্যরা। স্পেনের ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি উদ্‌যাপন করছে ১২৩তম জন্মবার্ষিকী। রিয়ালের জন্মদিনের মুহূর্তে জেনে নেওয়া যাক ক্লাবটির জানা-অজানা কিছু কথা।১

রিয়াল মাদ্রিদের স্টেডিয়ামের আনুষ্ঠানিক নামকরণ করা হয় ১৯৫৫ সালে। দলের সাবেক খেলোয়াড়, কোচ ও প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর নামে রাখা হয় এই স্টেডিয়ামটির নাম। সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ১৯২১ থেকে ১৯২৬ সাল পর্যন্ত রিয়ালে খেলেছেন। কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯২৬ থেকে ১৯২৭ সাল পর্যন্ত। আর ক্লাবটির সভাপতি হন ১৯৪৩ সালে। ৮২ বছর বয়সে মৃত্যুর আগপর্যন্ত ৩৪ বছর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি

রিয়ালের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ইউরোপের তৃতীয় বৃহত্তম স্টেডিয়াম। ক্যাম্প ন্যু ও ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামের পর এই স্টেডিয়ামটির অবস্থান। ধারণক্ষমতা ৮৪ হাজার ৭৪৪।

আরও পড়ুনইউরোপে রিয়াল মাদ্রিদই শেষ কথা০১ জুন ২০২৪৩

ইউরোপের সবচেয়ে সফলতম ক্লাবও রিয়াল। মাদ্রিদের ক্লাবটি ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের ট্রফি জিতেছে ১৫ বার। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এসি মিলান এই ট্রফি জিতেছে ৭ বার। অর্থাৎ রিয়ালের অর্ধেকের কম।

চ্যাম্পিয়নস লিগে একমাত্র দল হিসেবে সর্বোচ্চ ৫০১ ম্যাচ খেলেছে রিয়াল। এই তালিকায়ও তাদের ধারেকাছে নেই অন্যরা। তালিকার দুইয়ে থাকা বায়ার্ন মিউনিখ খেলেছে ৪০৫ ম্যাচ।

স্পেনের শীর্ষ স্তরের লিগ লা লিগার সর্বোচ্চ শিরোপাজয়ী দল রিয়াল। এখন পর্যন্ত ৩৬ বার এই ট্রফি জিতেছে তারা। এই তালিকার দুইয়ে আছে বার্সেলোনা। যারা জিতেছে ২৭ বার।

ক্লাব বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি শিরোপাজয়ী দল রিয়াল। এখন পর্যন্ত প্রতিযোগিতার ৫টি শিরোপা জিতেছে তারা।

রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ‘মাদ্রিদিস্তা’ শব্দটি। যাঁরা রিয়ালের হয়ে খেলেন, কাজ করেন বা দলটিকে সমর্থন করেন, তাঁরাই মাদ্রিদিস্তা।

রিয়াল মাদ্রিদ মানেই যেন ট্রফি হাতে উদ্‌যাপন.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

ব্যাংক আল ফালাহর বাংলাদেশ শাখা কিনছে না হাটন ন্যাশনাল ব্যাংক

পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠান ব্যাংক আল ফালাহর বাংলাদেশ শাখা কিনতে চেয়েছিল শ্রীলঙ্কার হাটন ন্যাশনাল ব্যাংক। এ লক্ষ্যে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হাটন ন্যাশনাল ব্যাংককে আল ফালাহর বাংলাদেশ শাখা কার্যক্রম খতিয়ে দেখার অনুমোদন দিয়েছিল।

কিন্তু হাটন ন্যাশনাল ব্যাংক শেষমেশ মতি পরিবর্তন করেছে। এখন আর তারা এই ব্যাংক অধিগ্রহণের পথে হাঁটছে না। হাটন ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২ এপ্রিলের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, ব্যাংক আল ফালাহর বাংলাদেশ শাখা কেনা হবে না।

সংবাদে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হাটন ন্যাশনাল ব্যাংকের নিরীক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করতে ব্যাংক আল ফালাহকে নীতিগত অনুমোদন দেয়।

ব্যাংক আল ফালাহ অবশ্য আগেই জানিয়েছিল, হাটন ন্যাশনাল ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার অনুমোদন দেওয়ার আগে ব্যাংক এশিয়ার সঙ্গেও আলোচনার অনুমিত দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই আলোচনা চলমান থাকতেই হাটন ন্যাশনাল ব্যাংককেও অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। হাটন ন্যাশনাল ব্যাংক এই প্রক্রিয়া থেকে সরে যাওয়ায় এখন ব্যাংক এশিয়ার জন্য দ্বার খোলা আছে।  

জানা যায়, ২০২৩ সাল থেকে ব্যাংক আলফালাহ তাদের বাংলাদেশের কার্যক্রম বিক্রির জন্য উপযুক্ত ক্রেতা খুঁজছিল। এ জন্য তারা অবশ্য টেন্ডার আহ্বান করেনি। ব্যাংক এশিয়ার সঙ্গে এ নিয়ে নানা পর্যায়ে আলোচন হয়েছে। বনিবনা হওয়ায় গত বছরের এপ্রিলে ব্যাংক আল ফালাহ পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জে প্রকাশিত বার্তায় তাদের বাংলাদেশ কার্যক্রম ব্যাংক এশিয়ার কাছে বিক্রির ঘোষণা দেয়।

এরপর দুই দেশের সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এতে সায় দেয়। ব্যাংক এশিয়ার প্রস্তাবের আলোকে পিডব্লিউসি বাংলাদেশকে দিয়ে পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করার অনুমতি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে আবার যুক্ত হয়ে যায় হাটন ন্যাশনাল ব্যাংক। এবার তারা সেই প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়াল।

সম্পর্কিত নিবন্ধ