পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ভারতের অংশ হলেই সমস্যা সমাধান: জয়শঙ্কর
Published: 6th, March 2025 GMT
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বলেছেন, পাকিস্তান যদি তাদের নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর (পিওকে) খালি করে দেয়, তবে কাশ্মীর ইস্যু পুরোপুরি সমাধান হয়ে যাবে। যুক্তরাজ্য সফরে গিয়ে বুধবার ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক থিঙ্কট্যাংক সংস্থা চ্যাথাম হাউসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
কাশ্মীর ইস্যুতে একজন দর্শকের প্রশ্নের জবাবে এ বক্তব্য দেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রশ্নটি ছিল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে কাশ্মীর ইস্যু ‘সমাধান’ করতে পারেন?
জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, এ ইস্যুতে আমরা ধাপে ধাপে এগোচ্ছি। প্রথম ধাপে আমরা (সংবিধানের) ৩৭০ নম্বর ধারা বাতিল করেছি। এরপর কাশ্মীরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা ছিল দ্বিতীয় পদক্ষেপ। তৃতীয় ধাপে আমরা সেখানে বিধানসভা নির্বাচন দিয়েছি এবং সেই নির্বাচনে প্রচুর ভোটার ভোট দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অপেক্ষা করছি কাশ্মীরের চুরি হওয়া অংশটি ফিরিয়ে নিয়ে আসতে যা পাকিস্তানের অবৈধ দখলে রয়েছে। যখন তা হবে, আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি যে, কাশ্মীর ইস্যু সমাধান হয়ে যাবে। খবর-বিবিসি
উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আগামীকাল থেকে আবার নিয়ন্ত্রিত যান চলাচল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত রাখার আবার নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামীকাল সোমবার থেকে এ নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। আজ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের দপ্তর থেকে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বইমেলা এবং রমজানের পর শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আগামীকাল সোমবার থেকে আবার যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরেও একই ধরনের নির্দেশনা জারি করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে বইমেলা ও রমজান মাস উপলক্ষে এই নির্দেশনা শিথিল করেছিল।
আজকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্র, শনি ও সরকারি ছুটির দিনগুলোতে বেলা ৩টা থেকে রাত ১০টা এবং অফিস খোলা থাকার দিনগুলো সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রবেশপথগুলোতে (শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, বার্ন ইউনিট, শিববাড়ী ক্রসিং, ফুলার রোড, পলাশী মোড় ও নীলক্ষেত) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত গাড়ি, জরুরি সেবা ছাড়া অন্য যানবাহন ক্যাম্পাসে প্রবেশের বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত থাকবে। তবে গণপরিবহন এবং ভারী যানবাহন প্রবেশ সব সময়ই নিয়ন্ত্রিত থাকবে।
আরও পড়ুনহঠাৎ ক্যাম্পাসে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, যানজট, ভোগান্তি ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪জরুরি সেবার মধ্যে পড়বে অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক, রোগী, সাংবাদিক, রাইড শেয়ার, খাবার গাড়ি, অনলাইন শপিং বাহনসহ অন্যান্য সরকারি গাড়ি। তবে অংশীজনদের মতামত, পরামর্শ এবং বাস্তব অবস্থার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত সময়–সময় পুনর্মূল্যায়ন হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুনঢাবি ক্যাম্পাসে যান নিয়ন্ত্রণের আসল উদ্দেশ্য কী২৮ ডিসেম্বর ২০২৪