ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ মালেকের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সাভারের আশুলিয়া থানায় দায়ের করা রিয়াজুল ইসলাম হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম আজ বৃহস্পতিবার রিমান্ডের আদেশ দেন।

প্রথম আলোকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এম এ কালাম খান।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আশুলিয়া থানায় দায়ের করা রিয়াজুল ইসলাম হত্যা মামলায় এম এ মালেককে আজ আদালতে হাজির করে পুলিশ। এই মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়। আর আসামিপক্ষ থেকে জামিনের আবেদন করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত তাঁকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ আগস্ট আশুলিয়া এলাকায় রিয়াজুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকা থেকে এম এ মালেককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এম এ মালেক ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

আরও পড়ুনঢাকা–২০ আসনের সাবেক এমপি এম এ মালেক মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার৫ ঘণ্টা আগে.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: এম এ ম ল ক জ ল ইসল ম

এছাড়াও পড়ুন:

উখিয়ায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ৩

কক্সবাজারের উখিয়ার জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় এক নারীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার সকালে রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালংয়ের পশ্চিম পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- স্থানীয় মসজিদের খতিব ও ওই ওয়ার্ডের জামায়াত আমির নাজির হোসেনের ছেলে মাওলানা আবদুল্লাহ আল মামুন, প্রতিপক্ষের মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে আব্দুল মান্নান (৩৭) ও তার বোন শাহিনা বেগম (৪০)। নিহতরা সম্পর্কে আপন চাচাতো-জেঠাতো ভাইবোন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে কুতুপালংয়ের স্থানীয় ইউপি সদস্য ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জের ধরে আজ রোববার সকালে দু’পক্ষের সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এতে পাল্টা-পাল্টি হামলা ও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে উভয়পক্ষের অনেকে আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। বিস্তারিত পরে বলা যাবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ