হাসটন ডায়নামোর বিপক্ষে লিওনেল মেসিকে খেলাননি ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন কোচ হাভিয়ের মাশ্চেরানো। মেসি না খেলায় ডায়নামো ভক্তদের ম্যাচটি ফ্রিতে দেখার সুযোগ দিয়েছে। কারণ দর্শকরা মূলত মেসির খেলা দেখার জন্যই টিকিট কেটেছিলেন। 

ওই ম্যাচে মেসি ছাড়া ইন্টার ৪-১ গোলে জয় পায়। ম্যাচ শেষে মেসিকে না খেলানোর ব্যাখ্যায় মাশ্চেরানো জানান, ক্লান্ত অনুভব করছিলেন বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন তারকা। ঝুঁকি নিয়ে তাকে খেলিয়ে তারকা ফুটবলারকে এক বছরের জন্য হারাতে চাননি তিনি। 

মাশ্চেরানো বলেন, ‘লিও’র কোন ইনজুরি ছিল না। অবশ্যই সে কিছুটা ক্লান্তি বোধ করছিল। এরই মধ্যে সে (তিন ম্যাচ খেলে ফেলায়) অতিরিক্ত চাপ নিয়ে ফেলেছে। সেজন্যই তাকে হাসটনে দলের সঙ্গে রাখা হয়নি।’

মেসির সাবেক বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনা সতীর্থ এবং আলবিসেলেস্তেদের বয়সভিত্তিক দলের সাবেক কোচ মাশ্চেরানো জানান, এরই মধ্যে তার দলের অনেকে ইনজুরিতে থাকায় মেসিকে নিয়ে ঝুঁকি নেননি, ‘এরই মধ্যে আমাদের অনেকে ইনজুরিতে আছেন। এমন কাউকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চাইনি, যে আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্রাম না দিলে সে ইনজুরিতে পড়ে যেত এবং এক মাসের জন্য তাকে হারাতে হতো। যা আমি চাইনি।’ 

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ম স ইন ট র ম য় ম র জন য ইনজ র

এছাড়াও পড়ুন:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আগামীকাল থেকে আবার নিয়ন্ত্রিত যান চলাচল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত রাখার আবার নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামীকাল সোমবার থেকে এ নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। আজ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের দপ্তর থেকে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বইমেলা এবং রমজানের পর শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আগামীকাল সোমবার থেকে আবার যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরেও একই ধরনের নির্দেশনা জারি করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে বইমেলা ও রমজান মাস উপলক্ষে এই নির্দেশনা শিথিল করেছিল।

আজকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্র, শনি ও সরকারি ছুটির দিনগুলোতে বেলা ৩টা থেকে রাত ১০টা এবং অফিস খোলা থাকার দিনগুলো সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রবেশপথগুলোতে (শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, বার্ন ইউনিট, শিববাড়ী ক্রসিং, ফুলার রোড, পলাশী মোড় ও নীলক্ষেত) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত গাড়ি, জরুরি সেবা ছাড়া অন্য যানবাহন ক্যাম্পাসে প্রবেশের বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত থাকবে। তবে গণপরিবহন এবং ভারী যানবাহন প্রবেশ সব সময়ই নিয়ন্ত্রিত থাকবে।

আরও পড়ুনহঠাৎ ক্যাম্পাসে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, যানজট, ভোগান্তি ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪

জরুরি সেবার মধ্যে পড়বে অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক, রোগী, সাংবাদিক, রাইড শেয়ার, খাবার গাড়ি, অনলাইন শপিং বাহনসহ অন্যান্য সরকারি গাড়ি। তবে অংশীজনদের মতামত, পরামর্শ এবং বাস্তব অবস্থার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত সময়–সময় পুনর্মূল্যায়ন হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঢাবি ক্যাম্পাসে যান নিয়ন্ত্রণের আসল উদ্দেশ্য কী২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

সম্পর্কিত নিবন্ধ