পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হামিদ ফেব্রিক্স পিএলসির ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করতে ব্যর্থ হওয়ায় কোম্পানিটিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার থেকে কোম্পানিটি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করছে।

আরো পড়ুন:

পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান, কমেছে লেনদেন

এপেক্স ট্যানারির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

এদিকে ক্যাটাগরি পরিবর্তনের কারণে কোম্পানিটিকে ঋণ সুবিধা দিতে ব্রোকার হাউজ এবং মার্চেন্ট ব্যাংককে নিষেধ করেছে ডিএসই। যা বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে।

গত ২০ মে বিএসইসির জেড শ্রেণি নিয়ে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়, পরপর দুই বছর বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ না দিলে, আইন অনুযায়ী নিয়মিত এজিএম না করলে, সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়া ছয় মাসের বেশি উৎপাদন বা কার্যক্রম বন্ধ থাকলে, পুঞ্জীভূত লোকসান পরিশোধিত মূলধনের বেশি হলে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘোষিত লভ্যাংশের ন্যূনতম ৮০ শতাংশ বিতরণ না করলে কোনো কোম্পানিকে ‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত করা যাবে।

ঢাকা/এনটি/রাজীব

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

দেশে বয়স্কদের পাশাপাশি তরুণদের কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ছে

দেশে বয়স্কদের পাশাপাশি তরুণদেরও কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ছে। মূলত প্রক্রিয়াজাত খাবার ও ফাস্ট ফুড খাওয়া, কায়িক পরিশ্রম না করা, ডিভাইসে সময় কাটানো ও ধূমপানের কারণে বাড়ছে এই ঝুঁকি।

এভারকেয়ার হাসপাতালের রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আরমান রেজা চৌধুরী এ কথা বলেন। ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে এসকেএফ অনকোলজির আয়োজনে ‘বিশ্বমানের ক্যানসার-চিকিৎসা এখন বাংলাদেশে’ শীর্ষক অনলাইন আলোচনায় এবারের অতিথি ছিলেন তিনি। এ পর্বে আলোচনা করা হয় কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি, চিকিৎসা, স্ক্রিনিং ও প্রতিরোধ নিয়ে। পর্বটি ২৪ মার্চ সরাসরি সম্প্রচারিত হয় প্রথম আলো ডটকম এবং প্রথম আলো, এসকেএফ অনকোলজি ও এসকেএফের ফেসবুক পেজে।

আলোচনার শুরুতে উপস্থাপক নাসিহা তাহসিন তথ্য দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়েই চলেছে। ২০২২ সালের গ্লোবোক্যান ডেটা অনুযায়ী, কোলোরেক্টাল ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬ হাজারের বেশি। ধারণা করা হয়, ২০৫০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হবে। পরে উপস্থাপক বাংলাদেশে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের কারণ সম্পর্কে জানতে চান? উত্তরে ডা. আরমান রেজা চৌধুরী বলেন, ‘জিনগত কিংবা বংশগত কারণে কোলোরেক্টাল ক্যানসার হতে পারে; অর্থাৎ পরিবারে কারও কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে অন্য সদস্যদের এই ঝুঁকি বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে জীবনযাত্রার মানের কারণেও কোলোরেক্টাল ক্যানসার হতে পারে। এ ছাড়া কোলোরেক্টালে পলিপ সৃষ্টি হলে সেখান থেকেও ক্যানসার হতে পারে।’

কোলোরেক্টাল ক্যানসারের রিস্ক ফ্যাক্টরগুলো সম্পর্কে ডা. আরমান রেজা চৌধুরী বলেন, ‘কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ক্ষেত্রে বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ রিস্ক ফ্যাক্টর। যাঁদের বয়স ৫০ বছরের বেশি, তাঁদের মধ্যে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি থাকে। তবে আমরা কম বয়সীদের মধ্যেও অনেককেই পাই, যাঁরা কোলোরেক্টাল ক্যানসারে ভুগছেন। ভৌগোলিক অবস্থান, খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত ওজন ও শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাবেও কোলোরেক্টাল ক্যানসার হতে পারে।’

বাংলাদেশে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের বর্তমান পরিস্থিতি, স্ক্রিনিং, সচেতনতা, প্রতিরোধব্যবস্থা ইত্যাদি নিয়ে পরামর্শ দেন ডা. আরমান রেজা চৌধুরী

সম্পর্কিত নিবন্ধ