রৌমারীতে খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় (ওএমএস) কর্মসূচির তথ্য চাওয়ায় সাখাওয়াত হোসেন নামে এক সাংবাদিককে হেনস্তা করা হয়েছে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু হাসনাত মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তরে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন একটি জাতীয় দৈনিকের রৌমারী উপজেলা প্রতিনিধি।

বুধবার দুপুরে ভুক্তভোগী সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিসে গিয়ে খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয়ের ডিলার ও বিক্রয় স্থানের তথ্য চান তিনি। তাঁর চাওয়া অনুযায়ী তথ্য দেওয়ার জন্য ফাইল বের করেন অফিস সহকারী জাকির হোসেন। এ সময় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিজানুর রহমান অফিসে ঢুকে সাংবাদিককে দেখে অফিস সহকারীর কাছে কারণ জানতে চেয়ে বলেন, ‘এখানে সাংবাদিক কেন এসেছে, কী চায়?’ উত্তরে অফিস সহকারী বলেন, ‘স্যার, সাংবাদিক ওএমএসের তথ্য চান।’ এ কথা শোনামাত্র তিনি উত্তেজিত হয়ে অফিস কক্ষ থেকে বের করে দেন ওই সাংবাদিককে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক বলেন, ‘উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান তাঁকে রাগান্বিত হয়ে বলেছেন, তাঁর চার ভাই সাংবাদিক ও আরেক ভাই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল। আমার কাছে তথ্য চান? এত বড় সাহস! যান, বের হয়ে যান। কোনো তথ্য দিব না।’

রৌমারী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের অফিস সহকারী জাকির হোসেন বলেন, ‘স্যার আসলে সাংবাদিককে চিনতে পারেননি। যা ঘটেছে, তার জন্য আমি স্যারের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাচ্ছি।’

রৌমারী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের দাবি, তিনি তেমন কোনো ব্যবহার করেননি। অফিসে অনেক লোক ছিল। তাই বলা হয়েছে যে, সবাই একটু বাইরে যান। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো উত্তর দিতে চাচ্ছি না।’

কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সাইফুল কাবির খানের ভাষ্য, সাংবাদিক তথ্য চাইতেই পারেন। তাই বলে দুর্ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই। তবে বিষয়টি দেখবেন তিনি।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ম জ ন র রহম ন উপজ ল

এছাড়াও পড়ুন:

গাজায় হামলার প্রতিবাদে ‘তিতুমীরস ভয়েস ফর প্যালেস্টাইন’ কর্মসূচি

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান নৃশংস হামলার প্রতিবাদে ‘তিতুমীরস ভয়েস ফর প্যালেস্টাইন’ শীর্ষক কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (৬ এপ্রিল) কলেজটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে কাজ করা প্ল্যাটফর্ম ‘তিতুমীর ঐক্য’র পক্ষ থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামীকাল সোমবার (৭ এপ্রিল) কর্মসূচির অংশ হিসেবে কলেজের সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং কলেজের মূল ফটকে কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।

গাজাবাসীর উপর চালানো নির্মম গণহত্যার বিরুদ্ধে তারা গভীর ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই হামলা গোটা মানবতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

তিতুমীর ঐক্যের দায়িত্বশীলরা বলেন, আজ ফিলিস্তিন রক্তে রঞ্জিত। আগ্রাসনে শিশুদের আর্তনাদ, মায়েদের কান্না আর ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া স্বপ্নগুলো আমাদের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে।

তারা আরো বলেন, প্রতিবাদ শুধু একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার নয়, এটি বিবেকের জাগরণ। নিরব থাকা এখন আর বিকল্প নয়, এটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা। শিক্ষার্থীদের এই মানবিক কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ঢাকা/হাফছা/মেহেদী

সম্পর্কিত নিবন্ধ