প্রতি বছরই রাজস্ব আদায়ের চাপ বাড়ছে। চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তবে আগামী বাজেটে করের হারে তেমন পরিবর্তন আসবে না। গতকাল বুধবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে করনীতি কাঠামো নিয়ে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ আয়োজিত আলােচনায় এ কথা বলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান। এনবিআর চেয়ারম্যানের বক্তব্যের আগে কর, ভ্যাট, শুল্ক নিয়ে নানা সুপারিশ তুলে ধরেন ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীরা। 

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, রাজস্ব খাতে নানা সমস্যা আছে। বেশির ভাগই পরিচালন-সংক্রান্ত। রাজস্ব বাড়ানো খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ঋণের চাপ বেড়ে গেছে এবং কাঙ্ক্ষিত হারে রাজস্ব সংগ্রহ না করতে পারলে পরিস্থিতি টেকসই থাকবে না। অনেক ক্ষেত্রে করদাতাদের সঙ্গে ন্যায়বিচার হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন এনবিআর চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, কাস্টমস হাউসগুলোকে টার্গেট দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। অটোমেশন হলে কর্মকর্তাদের জবাবদিহি বাড়বে। অনেক জায়গা থেকে কর না আসায় কোথাও কোথাও বাড়তি চাপ তৈরি হয়। টিনধারীদের ৬০ শতাংশই কর দেন না। কিছু ব্যাংক খারাপ পরিস্থিতির কারণে কর দিচ্ছে না। 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড.

মাশরুর রিয়াজ। তিনি বলেন, করকাঠামো নিয়ে নীতিনির্ধারক ও অংশীজনের মধ্যে সংলাপ হওয়া দরকার। যেসব বিষয়ে সংস্কার দরকার তা আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান করা উচিত। 

প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী বলেন, এনবিআরেরও চ্যালেঞ্জ আছে। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরাও সহায়তা করতে পারেন। ব্যবসায়ীরা সর্বোচ্চ কর দিতে চান। তবে অটোমেশন দরকার।  এমসিসিআইর সভাপতি কামরান টি রহমান বলেন, উন্নয়নের জন্য সংস্কার দরকার। তবে বাংলাদেশে কর ব্যবস্থাপনা ঠিক নেই। করপোরেট কর অনেক বেশি। প্রতিবেশী দেগুলোর তুলনায় ভ্যাট হারও বেশি। ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিশা আব্রাহাম বলেন, অংশীজনের সঙ্গে এনবিআরের সংলাপ খুব জরুরি। রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় সংস্কার কেমন হবে– আলোচনা দরকার। 

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন লাফার্জ হোলসিমের ইকবাল চৌধুরী, নেসলে বাংলাদেশের কোম্পানি সচিব দেবব্রত রায় চৌধুরী, জেটিআইর এমডি পল হলওয়ে, আইসিএমএবির সভাপতি মাহতাব প্রমুখ।

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: দরক র ব যবস

এছাড়াও পড়ুন:

বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন ৫০ দেশের বিনিয়োগকারীরা

ছবি: পিআইডি

সম্পর্কিত নিবন্ধ