চট্টগ্রামে পাচার করে বিক্রির জন্য ৬৯৭টি নানা প্রজাতির পাখি শিকার করেছিলেন তিন শিকারি। গোপনে সংবাদ পেয়ে গতকাল বুধবার তাদের জেলার আনোয়ারা থেকে আটক করা হয়। সকাল ১০টার দিকে উপজেলার হাইলদর ইউনিয়নে ইছামতী গ্রামে ঘটে এ ঘটনা। পরে তিনজনকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ।

গ্রেপ্তার তিন ব্যক্তিই পটিয়া উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা। তারা হলেন– ছৈয়দুল আলম, মোহাম্মদ ইদ্রিস ও মো.

সোহেল ।

এলাকাবাসীর বরাতে পুলিশ জানায়, ইছামতী নদীর পারের বিলে তারা তিন দিন ধরে নানা প্রজাতির পাখি শিকার করেন। বুধবার সকালে সেগুলোকে জবাই করে। পরে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন শিকারিরা। গোপনে সংবাদ পেয়ে আনোয়ারা থানা পুলিশের একটি দল সকাল ১০টার দিকে তাদের আটক করে। এ সময় তাদের কাছে পাওয়া যায় জবাই করা ৬৯৭টি পাখি। এর মধ্যে ৪২২টি চড়ুই, ১৪০টি বাবুই ও ১৩৫টি শালিক পাখি।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা হয়েছে। এতে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তিনজনকেই বুধবার আদালতে পাঠানো হয়। 

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

বাগেরহাটে নারী বিক্রয়কর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

বাগেরহাটে একটি মুঠোফোন অপারেটরের সিম বিক্রয়কর্মী এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে ওই নারী বাদী হয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার সিঅ্যান্ডবি বাজার এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে তাঁদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন বাগেরহাট সদর উপজেলার রাখালগাছি ইউনিয়নের করোরী গ্রামের সজীব দাশ (১৯), লিখন দাস (২০) ও শেখ নজরুল ইসলাম (৪০)। ২১ বছর বয়সী ওই নারীর বাড়ি বাগেরহাট পৌর শহরের একটি এলাকায়।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী একটি মুঠোফোন অপারেটরের সিম বিক্রি করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক ব্যক্তি সিম কেনার কথা বলে ওই নারীকে সিঅ্যান্ডবি বাজারে আসতে বলেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি সিঅ্যান্ডবি বাজারে আসেন। তবে বাজারে সিম কেনার জন্য কেউ না আসায় তিনি রাত ৮টার দিকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা করেন। এ সময় সিঅ্যান্ডবি বাজার পার হয়ে খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়কের পাকা ব্রিজের পূর্ব পাশে পৌঁছালে এক ছেলে তাঁর মুখ চেপে সেতুর নিচে নিয়ে যান। ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনজন মিলে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও ধারণ করেন। পরে অভিযোগ পেয়ে ওই নারীর তথ্যমতে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, ওই নারীর শনাক্ত করা তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এর সঙ্গে অন্য আরও কেউ জড়িত আছেন কি না, তা–ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • হকিতে ‘সম্মানজনক বিদায়’ নাকি ‘বাদ’
  • বাগেরহাটে নারী বিক্রয়কর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তার ৩
  • সিম কেনার কথা বলে ডেকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ
  • নারী সংবাদকর্মীকে হেনস্তার ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজন কারাগারে