পাকিস্তান থেকে ২৬ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন এবং ভারত থেকে ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল নিয়ে এমবি এসআইবিএল এবং এমবি এইচটি ইউনিট জাহাজ দুটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

বুধবার (৫ মার্চ) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, জি টু জি ভিত্তিতে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ২৬ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন আতপ চাল নিয়ে এমবি এসআইবিএল এবং আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের (প্যাকেজ-০৫) আওতায় ভারত থেকে আমদানি করা ১১ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল নিয়ে এমবি এইচটি ইউনিট জাহাজ দুটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

জাহাজ দুটিতে রক্ষিত চালের নমুনা পরীক্ষা শেষে আজই খালাসের কার্যক্রম শুরু হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

ঢাকা/আসাদ/এনএইচ

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ম ট র ক টন

এছাড়াও পড়ুন:

‘আমার দায়িত্ববোধের অভাব রয়েছে’- বড় ইনিংস খেলা নিয়ে তানজীদ 

ভালো শুরু কিংবা সেট হওয়ার পর হঠাৎ করে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসাকে যেন ‘নিয়ম’ করে ফেলেছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। এ কারণে ব্যাটিংয়ে ভালো শুরু কিংবা কোনো ব্যাটার ভালো ইনিংস খেলার পরও, স্কোরবোর্ডে সবসময় আরও কিছু রানের আক্ষেপ থেকে যায়।

বড় ইনিংস খেলতে না পারা নিয়ে প্রশ্নে জাতীয় দলের ওপেনার তানজীদ হাসান তামিম দোষটা দেখছেন নিজেরই, “আমি মনে করি এখানে (ইনিংস লম্বা করা নিয়ে) আমার দায়িত্ববোধের কিছু অভাব রয়েছে। আমি এখন থেকে চেষ্টা করবো, ডিপিএলেও চেষ্টা করতেছি দায়িত্ব নিয়ে কিভাবে দলকে হেল্প করতে পারি।”

রোববার মিরপুরে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের অনুশীলন শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন তানজীদ। এ সময় তিনি জানান ভুল শুধরে সামনে বড় ইনিংস খেলার চেষ্টা করবেন, “আমি ভালোভাবে শুরু করতে পারছি মাঝখানে হয়তোবা আমি ক্যারি করতে পারছি না। আশা করি এখান থেকে জিনিসটা নিয়ে কাজ করলে পরবর্তীতে কাজে লাগবে।”

আরো পড়ুন:

সুপার লিগের টিকিট পাওয়ার লড়াই

মিরপুরে খেলতে নেমেই ঘূর্ণিজাদুতে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের রাতুলের ফাইফার

তামিম ইকবাল ২০২৩ বিশ্বকাপ দলে জায়গা না পাওয়ায় ওপেনিংয়ে নবাগত তানজীদ ছিলেন ভরসা। প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ কিছুর আভাস দিলেও মূল মঞ্চে ছিলেন নিষ্প্রভ। ভারতের বিপক্ষে ভালো শুরু করে ৫১, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে থেমেছেন ৩৬ রানে। তানজীদ তার ২৩ ম্যাচের ক্যারিয়ে ত্রিশের ঘরে আউট হয়ছেন ৩ বার আর বিশের ঘরে ৭ বার। তিন ফিফটি থাকলেও একবারও ছুঁতে পারেননি তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার।

দায়িত্ববোধ বাড়ানো উচিৎ জানিয়ে তানজীদের ভাষ্য, “আসলে এমন কিছু না দেখেন, এটা দায়িত্ববোধের বিষয়। এ রকম অবস্থায় সামনে যদি আরও পড়ি আমাকে দায়িত্ববোধ আরও বাড়ানো উচিৎ। সেভাবে আরও হার্ডওয়ার্ক করা উচিত।”

২০২৩ বিশ্বকাপের পর ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও খেলেছেন তানজীদ। দুই বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা থেকে সামনে বড় কিছুর প্রত্যাশা করছেন কি না? তানজীদ বলেন, “বড় কিছু করা নিয়ে আমি এভাবে চিন্তা করি না। আমি চেষ্টা করি দলকে ভালো কিছু দেওয়ার জন্য। অনেক সময় দেখবেন ইনিংস শুরু করা অনেক কঠিন সব ব্যাটারদের জন্য।”

ঢাকা/রিয়াদ

সম্পর্কিত নিবন্ধ