বিকেএমইএ ও চেম্বার অব কমার্সের পক্ষ থেকে জেলা পুলিশকে ২৫ লাখ টাকা অনুদান
Published: 5th, March 2025 GMT
পবিত্র রমজান মাসে নগরবাসীকে যানজটের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিকেএমইএ ও চেম্বার অব কমার্সের পক্ষ থেকে জেলা পুলিশকে ২৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৫ মার্চ) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু উপস্থিত থেকে জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদারের হাতে চেক তুলে দেন।
এসময় বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, সরকার যে রাজস্ব পায়, তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ শীর্ষে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক এলাকায় যানজট নিরসনের জন্য ব্যবসায়ীরা এগিয়ে আসছেন। বিকেএমইএ ও চেম্বার অব কমার্সের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের যানজট নিরসনের জন্য কমিউনিটি পুলিশের বেতন/ভাতা প্রদানের লক্ষ্যে আমরা পুলিশকে সহায়তা করেছি।
চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, বাংলাদেশে নারায়ণগঞ্জকে ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র বলা হয়। এখানে যে যানজটের দুর্ভোগ রয়েছে, তা কমাতে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি। যাতে ব্যবসায়ীরা ও নগরবাসী দ্রুত তাদের কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারেন। কমিউনিটি পুলিশের মাধ্যমে আমরা এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছি।
পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার বলেন, নারায়ণগঞ্জ আমাদের সবার, এবং এখানে বিকেএমইএ ও চেম্বার অব কমার্সের একটি বড় অবদান রয়েছে। আমরা চাই নারায়ণগঞ্জ যানজটমুক্ত থাকুক, বিশেষ করে রমজান মাসে। ওনারা কমিউনিটি পুলিশের জন্য যে সহযোগিতা করেছেন, সে জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
পরে বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় জেলা প্রশাসককে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরশেদ সারোয়ার সোহেল, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবু জাফর, পরিচালক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, আহমেদুর রহমান তনু, সোহেল আক্তার, মো.
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ ম হ ম মদ র রহম ন ব যবস য় র জন য য নজট
এছাড়াও পড়ুন:
‘পাহাড়ে কাউকে চাঁদাবাজি-অস্ত্রবাজি করতে দেওয়া হবে না’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, “পাহাড়ে কাউকে চাঁদাবাজি বা অস্ত্রবাজি করতে দেয়া হবে না, এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সাথে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেউ যেন হাতে তুলে না নেয় সেই বিষয়ে সকলের সহযোহিতা চাই।”
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে রাঙামাটি বিজিবি সদর সেক্টরে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “৫ আগস্টের পরে বিভিন্ন থানা লুট হওয়া সব অস্ত্র উদ্ধার হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নতি হবে।”
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “ভারতের মিডিয়া মিথ্যা সংবাদ প্রচার ও গুজব রটিয়ে যাচ্ছে। তারা বাংলাদেশ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। দেশের মিডিয়াকে এই অপ্রচারকে প্রতিহত করতে হবে।”
এর আগে রাঙামাটির সাজেক পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। সকাল ১১টার দিকে বিজিবির হেলিকপ্টারযোগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও পার্বত্য উপদেষ্টা রাঙামাটির বাঘাইহাট এলাকায় ৫৪ বিজিবির বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ান এবং সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোন পরিদর্শন করেন। এসময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সেনাবাহিনীতে চাকরিরত থাকা অবস্থায় পূর্ব পরিচিত স্থানীয় প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন। এরপর বাঘাইহাট থেকে দুপুর ১টার দিকে ২৭ বিজিবির সাজেক বিওপিতে পৌঁছান তিনি।
সেখানে বিজিবির ক্যান্টিন সীমান্ত শৈলিতে স্থানীয় হেডম্যান (মৌজা প্রধান), কার্বারির (পাড়া প্রধান) সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।
সাজেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগুন নির্বাপণের গুরুত্ব বিবেচনায় সেখানে অস্থায়ীভাবে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি নিয়োজিত রাখার জন্য সংস্থাটির মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন ও প্রশিক্ষণ শাখা) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সোহরাব হোসেন ভূঁইয়া, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল;
বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (ব্যুরো চিফ), পিলখানা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ইয়াছির জাহান হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্ম সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, উপ মহাপরিচালক (পূর্ত) কর্নেল সোহেল আহমেদ, পরিচালক (সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আতিফ সিদ্দিকী;
পিএস টু ডিজি বিজিবি লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুলাহ আল মাশরুকী, এনএসআইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আবু নোমান সরকার, এডিসি টু ডিজি বিজিবি ক্যাপ্টেন সাকিব হাসান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার একান্ত সচিব (সিনিয়র সহকারী সচিব) কাজী হাফিজ আমিন ও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ নার্স শামস আরমান।
ঢাকা/শংকর/এস