লেবাননে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
Published: 5th, March 2025 GMT
বাংলাদেশ থেকে লেবাননে কর্মী পাঠানোর ওপর যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। লেবাননে ইসরায়েলের হামলার কারণে দেশটিতে পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হওয়ায় কর্মী পাঠানো বন্ধ ছিল। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় এখন থেকে আবার লেবাননে যেতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা।
বুধবার (৫ মার্চ) লেবাননে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, লেবাননে শর্তসাপেক্ষে কর্মী পাঠানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
শর্তগুলো হলো-
১.
২. ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ব্যতীত অন্যান্য এলাকায় উপযুক্ত কর্মপরিবেশ সাপেক্ষে কর্মী পাঠাতে হবে।
লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানো বন্ধ করে দেওয়া হয়। গত বছরের ৮ আগস্ট বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লেবাননে না যাওয়ার পরামর্শ দেয়।
গত বছরের ১৩ আগস্ট প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে লেবাননে বাংলাদেশি কর্মীদের না যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ফলে, গত ৭ মাস ধরে লেবাননে বাংলাদেশি কর্মীদের যাওয়া বন্ধ ছিল। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে লেবানন থেকে বাংলাদেশি কর্মীদের ফিরিয়ে আনতে শুরু করে সরকার। গত বছরের ২১ অক্টোবর লেবানন থেকে বিশেষ ফ্লাইটে করে বাংলাদেশিদের ফেরত আনা শুরু হয়। এর পর ধাপে ধাপে ১৯টি ফ্লাইটে মোট ১ হাজার ২৪৬ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত আনা হয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়, লেবাননে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। ফলে, সে দেশে কর্মী পাঠানো যেতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে লেবাননে পুনরায় কর্মী পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ঢাকা/হাসান/রফিক
উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর পর স থ ত ল ব নন
এছাড়াও পড়ুন:
ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটিতে মাঠ, পার্ক ও রাস্তা দখল করে মেলা
ঈদ ও বৈশাখী মেলার নামে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুটি মাঠ, একটি পার্ক ও একটি সড়কের এক পাশ দখল করে ব্যবসা করছেন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি। মেলা আয়োজনের জন্য সিটি করপোরেশনের কোনো অনুমতি নেননি তাঁরা। দক্ষিণ সিটির মতোই ঢাকা উত্তর সিটিতেও একটি মাঠ দখল করে মেলা বসানো হয়েছে। এই মেলার আয়োজকেরাও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
ঢাকা দক্ষিণ সিটির সম্পত্তি বিভাগের দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে মেলা আয়োজনের জন্য বেশ কয়েকটি আবেদন এসেছিল। কিন্তু খেলার মাঠ ও পার্কে মেলা আয়োজনের অনুমতি না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ বিষয়গুলো দেখভালের জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু এরপরও মেলা ঠেকানো যায়নি।
ঢাকা দক্ষিণ সিটির যে চারটি জায়গায় মেলা বসানো হয়েছে সেগুলো হলো—ধূপখোলা খেলার মাঠ, নারিন্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা মাঠ, ইংলিশ রোডের মালিটোলা পার্ক এবং ধোলাইখালের প্রধান সড়কের এক পাশের একটি অংশে। অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটির আওতাধীন মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের প্যারিস রোড খেলার মাঠেও মেলা বসানো হয়েছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পার্ক ও খেলার মাঠে যাতে মেলা না বসে সে জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল বলে জানান সংস্থাটির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা কাইজার মোহাম্মদ ফারাবী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, খেলার মাঠ ও পার্কে মেলা বসানোর কোনো অনুমতি তাঁরা দেননি।
তাহলে কেন মেলা বন্ধে সিটি করপোরেশন ব্যবস্থা নিচ্ছে না—এমন প্রশ্নে মোহাম্মদ ফারাবী বলেন, অভিযান চালাতে হলে তাঁদের পুলিশের সহযোগিতা নিতে হয়। তাঁরা ডিএমপিকে অনুরোধ করেছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি পক্ষ খেলার মাঠ ও পার্কে মেলা বসানোর সুযোগ নিচ্ছে।
ধূপখোলা খেলার মাঠে পাশাপাশি বসানো হয়েছে দোকান