এস আলম গ্রুপের কর্ণধার আলোচিত ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সাইফুল আলমের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১১ ব্যক্তির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ জাকির হোসেন গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

যে ১১ ব্যক্তির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন বেলাল আহমেদ, ফসিহল আলম, সাজদা বেগম, মাহমুদুল আলম, মোস্তান বিল্লাহ আদিল, আতিকুর নেছা, লুৎফুন নাহার, চেমন আরা বেগম, মায়মুনা খানম, বদরুন্নেসা আলম ও শারমিন ফাতেমা।

দুদকের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে আদালতকে বলা হয়, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুর, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস, সাইপ্রাস ও অন্যান্য দেশে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান করছে দুদক।

দুদকের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এস আলম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ সাইফুল আলমের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১১ জন যেকোনো সময় বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা না গেলে সাইফুল আলম ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করা দুরূহ হয়ে যাবে। শুনানি শেষে আদালত ওই ১১ ব্যক্তির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন।

সর্বশেষ গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এস আলম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির নামে থাকা ৮ হাজার ১৩৩ কোটি টাকার শেয়ার অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। তিন দফায় সাইফুল আলম ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির নামে থাকা ১৬ হাজার কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: এস আলম গ র প র

এছাড়াও পড়ুন:

সখীপুরে স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

টাঙ্গাইলের সখীপুরে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কালিয়ানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ রাতেই স্ত্রী তানিয়া আক্তারকে (২৫) গ্রেপ্তার করে।

নিহত ব্যক্তির নাম জুয়েল রানা (৩২)। তিনি ওই গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে। জুয়েল রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। এই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বাবা মজনু মিয়া বাদী হয়ে আজ শনিবার সকালে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত জুয়েল আনুমানিক ১৪ বছর আগে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বাটাজোর গ্রামের তাইজুদ্দিনের মেয়ে তানিয়া আক্তারকে বিয়ে করেন। তাঁদের এক মেয়ে ও দুই ছেলে আছে।

প্রতিবেশীদের ভাষ্য, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত। গতকাল গভীর রাতে ঝগড়ার একপর্যায়ে স্ত্রী তানিয়া একটি লাঠি দিয়ে জুয়েল রানার মাথায় আঘাত করেন। এতে জুয়েল নিস্তেজ হয়ে পড়লে তানিয়া দিবাগত রাত একটার দিকে প্রতিবেশীদের ডেকে আনেন। প্রতিবেশীরা জুয়েলকে মৃত অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেন।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) লিবাস চক্রবর্তী প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে তানিয়াকে আটক করে থানাহেফাজতে নেওয়া হয়। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে মাথায় তিনটি আঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ আজ সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার তানিয়াকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ