মির্জা ফখরুলের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, বাসায় ফিরতে পারেন আজ
Published: 5th, March 2025 GMT
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে। আজ বুধবার তিনি বাসায় ফিরতে পারেন। প্রথম আলোকে এই তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। মির্জা ফখরুলের ব্যক্তিগত সহকারী ইউনুছ আলী অবশ্য গতকাল মঙ্গলবার রাতে প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘স্যারের সুস্থ হতে আরও সময় লাগবে।’ আজ তাঁকে ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
অসুস্থ বোধ করায় গত রোববার সকালে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে মির্জা ফখরুলকে ভর্তি করা হয়। বিএনপির সূত্র বলছে, ইউনাইটেড হাসপাতালের চিফ কার্ডিওলজি কনসালট্যান্ট অধ্যাপক এন এ এম মোমেনুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে মির্জা ফখরুল চিকিৎসাধীন। তাঁর রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কমে গিয়েছিল। আর বুকে কাশি জমাট বাঁধায় শ্বাসপ্রশ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল। প্রচণ্ড দুর্বল বোধ করছিলেন তিনি। এখন তিনি অনেকটা সুস্থ আছেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, গত সপ্তাহে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলায় বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে প্রচুর ধুলাবালু থাকার কারণে অসুস্থ বোধ করছিলেন বিএনপির মহাসচিব। এরপর দুই দিন ধরে তাঁর খারাপ লাগছিল। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে গত রোববার তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ফোনে মির্জা ফখরুলের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এলো ৩২৯ কোটি ডলার
ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে গত মাসে দেশে বিপুল পরিমান রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এতে মার্চ মাসে দেশে এসেছে ৩২৯ কোটি ডলার প্রবাসী আয়। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো মাসে সর্বোচ্চ।
রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৩ বিলিয়ন (৩০০ কোটি) ডলারেরও বেশি। গত ডিসেম্বরে দেশে ২ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, আগস্টে এসেছিল ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, নভেম্বর মাসে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।