জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়িকার আত্মহত্যার চেষ্টা
Published: 5th, March 2025 GMT
আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়িকা কল্পনা রাঘবেন্দ্রর। গত ২ মার্চ হায়দরাবাদের নিজামপেটের বাসায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে এমন পদক্ষেপ নেন এই শিল্পী। ইন্ডিয়া টুডে এ খবর প্রকাশ করেছে।
এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কল্পনাকে অচেতন অবস্থায় তার বাসায় পাওয়া যায়। এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল, তবে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছে।
কল্পনা টানা দুই দিন অ্যাপার্টমেন্টের দরজা না খোলার ব্যাপারটি লক্ষ্য করেন সিকিউরিটি গার্ড। এরপর খবরটি কল্পনার প্রতিবেশিদের জানান। দ্রুত তারা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে কল্পনাকে উদ্ধার করে হাসপাতাল নিয়ে যায়। ঘটনার সময়ে কল্পনা স্বামী চেন্নাইয়ে ছিলেন। খবর পেয়ে তিনিও হায়দরাবাদে এসেছেন। তবে কী কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন কল্পনা তা জানা যায়নি।
আরো পড়ুন:
ভেঙে গেল তামান্না-বিজয়ের প্রেম!
‘বাহুবলি টু’ সিনেমার রেকর্ড ভাঙবে ‘স্পিরিট’?
বিখ্যাত প্লেব্যাক গায়ক টিএস রাঘবেন্দ্রর মেয়ে কল্পনা। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে সংগীত ক্যারিয়ার শুরু করেন। ২০১০ সালে স্টার সিঙ্গার মালায়ালামে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন। এই বিজয়ের পর ইলাইয়ারাজা এবং এআর রহমানসহ অনেক বিখ্যাত সুরকারের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পান কল্পনা।
দীর্ঘ সংগীত ক্যারিয়ারে বিভিন্ন ভাষার ১ হাজার ৫০০ টির বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ৪৪ বছরের কল্পনা।
ঢাকা/শান্ত
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর চলচ চ ত র
এছাড়াও পড়ুন:
নিষ্প্রভ মেসিতে মায়ামির হার
চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরে আগের ম্যাচেই জয়সূচক গোল করেছিলেন লিওনেল মেসি। তবে এবার লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির বিপক্ষে তার ছন্দহীন পারফরম্যান্সের কারণে হারের স্বাদ পেয়েছে ইন্টার মায়ামি। কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারে মেসির দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলছিল ইন্টার মায়ামি। ১৭ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন মেসি, তবে তার বাঁ পায়ের শট বার ছাড়িয়ে বাইরে চলে যায়। এরপর ৩৭ মিনিটে আরও একটি সুযোগ পান তিনি, তবে লস অ্যাঞ্জেলেসের গোলরক্ষক হুগো লরিস দারুণ সেভে তাকে আটকে দেন। প্রথমার্ধে গোলের সুযোগ তৈরি করেও ব্যর্থ হয় উভয় দল। লুইস সুয়ারেজও সহজ সুযোগ নষ্ট করেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে। ৫৭ মিনিটে মার্কো দেলগাদোর অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেন নাথান ওর্দাজ। এরপর সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে মায়ামি। কিন্তু দুর্বল ফিনিশিং ও প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় গোলের দেখা পায়নি তারা।
শেষ দিকে আরও দুটি ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন মেসি। ৭৯ মিনিটে ইয়ানিক ব্রাইটের পাস থেকে শট নিয়েও গোল আদায় করতে পারেননি। ৮৬ মিনিটে তার আরেকটি প্রচেষ্টা আটকে দেন লরিস। ফলে পুরো ৯০ মিনিট খেলেও দলকে জয় এনে দিতে ব্যর্থ হন মেসি।
আগামী ১০ এপ্রিল কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে লস অ্যাঞ্জেলেসের বিপক্ষে মাঠে নামবে ইন্টার মায়ামি। এর আগে এমএলএসে ৭ এপ্রিল টরন্টোর বিপক্ষে খেলবে তারা। বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে সেই ম্যাচ।