দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গেই বেশি যায় পরিচয়টা, যদিও তারা নিজেরা এই পরিচয়ে পরিচিত হতে চায় না কখনো। তারপরও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আইসিসির বড় আসর মানেই দক্ষিণ আফ্রিকা ‘চোকার্স’, আসল সময়ে ভেঙে পড়া এক দল।

একই কথা যদি নিউজিল্যান্ডকে নিয়েও বলা হয়, খুব কি ভুল হবে! আসল সময়ে তাদেরও তো ভেঙে পড়তেই দেখা যায়। আজ লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। তাতে মুখোমুখি হচ্ছে বড় উপলক্ষে স্নায়ুচাপের রোগী হয়ে যাওয়া এই দুই দল।

এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিটা কেমন হচ্ছে, তা তো জানেনই। এক ভারত ছাড়া সব দলই যাযাবরের মতো। এভাবে পাকিস্তান–দুবাই করে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের দুই দল পরশু লাহোরে এসেছে আজকের ম্যাচের জন্য। কাল দুপুরে নিউজিল্যান্ড হালকা অনুশীলন করছে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে, সন্ধ্যায় মাঠে নেমেছে দক্ষিণ আফ্রিকাও।

দ্বিতীয় সেমিফাইনালের পিচ পরখ করে দেখছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ রব ওয়াল্টার.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

নারী সংবাদকর্মীকে হেনস্তার ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজন কারাগারে

রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় নারী সাংবাদিককে শ্লীলতাহানি ও হেনস্তার ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনকে আজ শুক্রবার আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকালে গ্রেপ্তার সোয়েব রহমান ওরফে জিশান (২৫), মো. রাইসুল ইসলাম (২১) ও মো. কাউসার হোসেনকে (২১) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, নারী সাংবাদিককে শ্লীলতাহানির সঙ্গে জড়িত তিনজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেই কারণে তাঁদের  রিমান্ডে নিতে আদালতে আবেদন করা হয়নি। প্রয়োজনে পরে তাঁদের রিমান্ডে নিতে আদালতে আবেদন করা হবে।

গত বুধবার রাত পৌনে আটটার দিকে একটি ইংরেজি দৈনিকের নারী সংবাদকর্মী তাঁর ছোট ভাইকে নিয়ে বনশ্রী ই-ব্লকের ৩ নম্বর রোডের মুখে একটি জুসের দোকানে যান। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন তরুণ তাঁকে উত্ত্যক্ত করেন। তাঁর ভাই প্রতিবাদ করলে তাঁরা তাঁকে মারধর করেন। এ সময় ওই নারী সংবাদকর্মী বাধা দিতে গেলে তাঁরা তাঁকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ওই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভুক্তভোগী নারী সংবাদকর্মী সোয়েব রহমান ওরফে জিসানের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুজনকে আসামি করে গত বুধবার রাতে রামপুরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। ওই ঘটনা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর সোয়েব বাসায় তালা দিয়ে সপরিবার পালিয়ে যান।

ওই দিন দিবাগত রাতে গোয়েন্দা সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ওই মামলার প্রধান আসামি সোয়েব রহমানকে রাজধানীর মেরাদিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বনশ্রী সি ব্লকে থাকেন। তাঁর বাড়ি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ফুলহাতায়।

পরে সোয়েবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে র‍্যাব রাজধানীর বেইলি রোড থেকে রাইসুল ইসলাম (২১) ও গেন্ডারিয়া থেকে কাউসার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। রাইসুলের বাড়ি বরিশাল সদর উপজেলার চহটা এবং কাউসার হোসেনের বাড়ি বরিশাল সদর উপজেলার রাজ্জাকপুরে। গতকাল সকালে র‍্যাব তিনজনকে রামপুরা থানায় সোপর্দ করে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ