ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা প্রয়াত এইচ টি ইমামের ছেলে ও সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তানভীর ইমামের বাসায় তল্লাশি চালিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র-জনতা। মঙ্গলবার রাত ১২ টার দিকে গুলশান-২ নম্বরে শাহাবুদ্দিন পার্কের পাশের ওই বাসায় তল্লাশি চালানো শুরু হয়। 

এর আগে বিপুল পরিমাণ অবৈধ টাকা লুকিয়ে রাখার তথ্য পেয়ে বাড়িটি ঘেরাও করে ছাত্র-জনতা। খবর পেয়ে গুলশান থানা পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। তবে রাত ১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই বাসা থেকে কাউকে আটক বা টাকা জব্দের খবর পাওয়া যায়নি।

গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো.

শামিম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।  

ছাত্র-জনতার প্রতিনিধি দলের সমন্বয়ক পরিচয় দেওয়া রাজিব সরদার বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আছে এই বাসায় অস্ত্র, মাদক ও কালোটাকাসহ জুলাই গণহত্যার আসামিরা লুকিয়ে আছেন। আমরা তল্লাশি চালিয়েছি। পুলিশ ও সেনাবাহিনী এসেছে। সেনাবাহিনী দোতলায় তল্লাশি চালালে আসামিদের পাওয়া যাবে। 
 

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনে ট্রাম্পের শান্তি প্রচেষ্টা বানচালের অভিযোগ

ইউক্রেনে দ্রুত শান্তিচুক্তি চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ জন্য রাশিয়া ও ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমানতালে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে তাঁর প্রশাসন। কিন্তু রাশিয়া ট্রাম্প প্রশাসনের সব প্রচেষ্টাকে বানচাল করছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউরোপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

আজ শুক্রবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে সামরিক জোট ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের এক বৈঠক ইউরোপের প্রতিনিধিরা ওই মনোভাব ব্যক্ত করেন। তাঁরা মনে করেন শান্তিচুক্তিতে বাধ্য করতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠিন অবস্থান গ্রহণ করা উচিত ট্রাম্প প্রশাসনের। কারণ, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট শান্তিচুক্তির বিষয়ে আন্তরিক নন।

ব্রাসেলসের বৈঠক সম্পর্কে জানেন এমন কয়েকটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, পুতিনের মনোভাব নিয়ে সম্প্রতি সতর্ক হয়ে উঠেছে হোয়াইট হাউস। ট্রাম্প যদিও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে বলছেন, তিনি বিশ্বাস করেন পুতিন যুদ্ধ শেষ করতে চান।

মার্চ মাসে মস্কোকে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব দিয়েছিল ওয়াশিংটন। কিয়েভ এতে সম্মতি জানিয়েছিল। শর্ত সাপেক্ষে তাতে সম্মত হবে বলে জানালেও শেষ পর্যন্ত তা প্রত্যাখ্যান করেছিল মস্কো। তবে জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা বন্ধের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছিল। কিন্তু পরে উভয় পক্ষ পরস্পরের বিরুদ্ধে তা লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে।

ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিতীয় দিনের বৈঠকের আগে আজ ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন নোয়েল ব্যারোট বলেন, মস্কো ‘যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জবাব দিতে বাধ্য। তারা [যুক্তরাষ্ট্র] মধ্যস্থতা ও যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (বাঁয়ে) ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

সম্পর্কিত নিবন্ধ