কক্সবাজারের টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে অপহৃত নারী ও শিশুসহ ১১ জনকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী ও পুলিশ। মঙ্গলবার টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের আলীখালীর গহীন পাহাড় থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে নৌবাহিনী।

নৌবাহিনী জানায়, একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র ও বন্দুক ঠেকিয়ে ৯ নারী ও দুই শিশুকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। তাদের টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর আলীখালীর গহীন পাহাড়ে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। অভিযোগের ভিত্তিতে আলীখালী পাহাড়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে নৌবাহিনী ও পুলিশ। এ সময় গহীন পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত বেশ কয়েকটি স্থান থেকে অপহরণের শিকার ৯ নারী ও দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় যৌথবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারী চক্রটি পালিয়ে যায়। পরে অপহৃতদের পুলিশের মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, নৌবাহিনীসহ যৌথ অভিযানে অপহৃত শিশুসহ উদ্ধার ১১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: অপহরণ অপহ ত

এছাড়াও পড়ুন:

বগুড়া‌র মি‌নি জাফলং‌য়ে গোসল কর‌তে গি‌য়ে শিশুর মৃত্যু

বগুড়ার শেরপুরে মিনি জাফলং নামে পরিচিত বাঙালি নদীতে গোসল করতে গিয়ে সাদাত হোসেন (১২) নামে এক শিশু প্রাণ হারিয়েছে।  

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে সুঘাট ইউনিয়নের জোড়গাছা ব্রিজের নিচে বাঙালি নদীতে স্রোতের সাথে ভেসে শিশুটি ডুবে যায়। 

সাদাত হোসেন ধনুট উপজেলার বিল চাপরি গ্রামের ইকবাল হোসেনের ছেলে।

সাদাতের নানা মোখলেসুর রহমান জানান,  ঈদে শিশুটি আমার বাড়ি সুত্রাপুর বেড়াতে আসে।  আজ (শুক্রবার) সকালেই সে মিনি জাফলং নামে পরিচিত বাঙালি নদীতে অন্যান্য শিশুদের সাথে গোসল করতে যায়। এ সময় পা পিছলে পড়ে পানির স্রোতে ভেসে নদীর গভীরে ডুবে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর বখতিয়ার উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটি উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

ঢাকা/এনাম/টিপু

সম্পর্কিত নিবন্ধ