যুবদল কর্মী হত্যায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোনা শাহিন বহিষ্কার
Published: 4th, March 2025 GMT
বরিশাল নগরীর কাউনিয়া হাউজিং এলাকায় যুবদল কর্মী সুরুজ গাজী (৩০) হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহিন সরদার ওরফে সোনা শাহিনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি ৩ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ছিলেন।
মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মশিউর রহমান মঞ্জু ও সদস্যসচিব খান মো. আনোয়ার হোসেন আজ মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তিতে শাহিন সরদারকে বহিষ্কার করেন।
উল্লেখ্য, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে যুবদল কর্মী সুরুজ গাজীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শাহিন সরদারের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল বলে জানা গেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানার ওসির নাজমুল নিশাত জানান, নিহতের বড় ভাই শাহীন গাজী বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’–এর আয়োজন: সুলতান সালাউদ্দিন
বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন (টুকু) বলেছেন, দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’–এর আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, বর্তমানে দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন না করার সংস্কৃতি চলছে। তাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চিন্তা থেকেই দেশীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় স্বাধীনতা কনসার্টের আয়োজন করেছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’।
সুলতান সালাহউদ্দিন বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে রাজধানী ঢাকাসহ চার বিভাগীয় শহরে ১১ এপ্রিল এই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’ অনুষ্ঠিত হবে।
আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে কনসার্টের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে সুলতান সালাহউদ্দিন এ কথা বলেন।
সুলতান সালাউদ্দিন বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে জাতীয় দিবসগুলোতে হিন্দি ভাষাভাষী শিল্পীদের এনে বাংলাদেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করানো হতো। ইদানীং পাকিস্তানি শিল্পীদের বাংলাদেশে আনা হচ্ছে বিভিন্ন পৃষ্ঠপোষকতায়। আমরা মনে করি, ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এ বাংলাদেশ, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ বাংলাদেশ, ২ লাখ মা–বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এ বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশকেই আমরা বুকে ধারণ করতে চাই।’
বিএনপির প্রচার সম্পাদক বলেন, ‘বাংলাদেশে অসংখ্য মেধাবী সাংস্কৃতিক ব্যক্তি রয়েছেন। তাঁরা তাঁদের পারফরম্যান্স ইতিমধ্যে বিশ্বের বুকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে অনেককে পারফরম্যান্স করার সুযোগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে যাঁরা আছেন, তাঁরাও পারফরম্যান্স করার মতো পরিবেশ তৈরি করে দিতে পারেননি। আমরা মনে করি, বাংলাদেশকে আমাদের জাগ্রত করতে হবে, বাংলাদেশকে আমাদের তুলে ধরতে হবে।’
সুলতান সালাউদ্দিন বলেন, ‘সবাইকে নিয়েই এ দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব—এ চিন্তা থেকে দেশের শিল্পীদের ব্র্যান্ডিং করার জন্য আমাদের এ আয়োজন। তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে এখানে (মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ) সবার আগে বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কনসার্ট করেছিলাম, যেটিকে সবাই সাধুবাদ জানিয়েছে। সেদিনই আমরা স্বাধীনতা দিবসে আরেকটি কনসার্টের ঘোষণা দিই। সে চিন্তা থেকে ১১ এপ্রিল স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ছাড়াও এ কনসার্ট চারটি বিভাগে চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুরে অনুষ্ঠিত হবে।’
সুলতান সালাউদ্দিন আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের শিল্পীদের যে প্রতিভা আছে, সেটি মানুষের কাছে তুলে ধরতে চাই এবং আমাদের সংস্কৃতি ও কৃষ্টি নিয়ে আমরা পথ চলতে চাই। নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের যে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সেটি তুলে ধরতে চাই এবং তাদের মনের মধ্যে সেটি ধারণ করার জন্য আমাদের এই প্রচেষ্টা।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাবিবুর রশিদ, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’–এর সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।