ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে রয়েছে গোপন বন্দিশালা: গুম কমিশন
Published: 4th, March 2025 GMT
সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
ঢাকার বাইরে বগুড়া, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে গোপন বন্দিশালা রয়েছে বলে জানিয়েছে ‘গুমসংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি’। এসব বন্দিশালা চিহ্নিত করে সেগুলো অপরিবর্তিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে গুম কমিশনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী।
তিনি বলেন, ঢাকা, বগুড়া, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে ডিজিএফআই, সিটিটিসি ও র্যাবের নিয়ন্ত্রণাধীন গোপন বন্দিশালা চিহ্নিত করে সেগুলো অপরিবর্তিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা তিনটি গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন করেন।
তিনি আরও বলেন, এরইমধ্যে গুমের বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধানসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে।
মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে গত আড়াই বছরে আটক এক হাজার ৬৭ জন বাংলাদেশি নাগরিকের তালিকা পাওয়া গেছে। সেখানে গুমের শিকার কোনো ব্যক্তি থাকলে তা শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, গুমের দায় সংশ্লিষ্ট বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানের নয়, বরং ব্যক্তিগত ফৌজদারি দায়। গুমের ঘটনায় পুরো বাহিনীকে দায়ী করা হবে, এমন ধারণা ভুল। এটি ব্যক্তিগত দায়। তাই কোনো বাহিনীর সদস্যদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
তিনি আরও বলেন, কমিশনে এ পর্যন্ত এক হাজার ৭৫২টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে এক হাজার অভিযোগের প্রাথমিক যাচাই সম্পন্ন হয়েছে। ২৮০ জন অভিযোগকারী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৪৫ জন সদস্যের সাক্ষাৎকার রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩৩০ জন গুমের শিকার ব্যক্তির বর্তমান অবস্থা অনুসন্ধান চলছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য মো.
বিএইচ
উৎস: SunBD 24
কীওয়ার্ড: সদস য
এছাড়াও পড়ুন:
অপরাধ প্রবণতা কমাতে সিসিটিভির আওতায় আসছে পুরো নারায়ণগঞ্জ শহর
নারায়ণগঞ্জ শহরে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও অপরাধ প্রবণতা কমাতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ক্যামেরা স্থাপনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
প্রাথমিকভাবে শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়া গোলচত্বর থেকে শুরু করে নূর মসজিদ, মেট্রোহল মোড়, ডাক বাংলো ও আর্মি মার্কেট পর্যন্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছে জেলা প্রশাসন।
পর্যায়ক্রমে পুরো শহরকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) চাষাঢ়া বিজয়স্তম্ভ এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিলুফা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), মো. আলমগীর হুসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সোহেল রানাসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।
এসময় জলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, এই এলাকাটি হচ্ছে আমাদের নারায়ণগঞ্জের প্রাণকেন্দ্র। এখানে আমাদের জাতীয় দিবস থেকে শুরু করে মেলা ও অন্যান্য বাণিজ্যিক কার্যক্রম হয়ে থাকে। তাই আমরা এই চাষাঢ়া এলাকাটাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দিতে চেয়েছি।
তিনি আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জে আমরা গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিটির কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। এর অধীনে অনেক কাজ চলছে। সেই ধারাবাহিকতায় চাষাঢ়া থেকে শুরু করে ডাক বাংলো ও এপাশে নূর মসজিদ, আর্মি মার্কেট, মেট্রোহল মোড় পর্যন্ত এই পুরো এলাকা সিসি টিভির কাভারেজে নিয়ে এসেছি।
এখানে আমরা ১৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়েছি। ধীরে ধীরে আমরা পুরে শহরকে সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসবো।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার বলেন, সিসিটিভি আওতায় থাকলে আইনশৃঙ্খলা সহ নানা পরিস্থিতি নজরদারিতে অত্যন্ত সুবিধা জনক হবে। এতে করে কেউ কোনো ঘটনা ঘটিয়ে চলে গেলেও সিসিটিভির নজরদারির মাধ্যমে তাদেরকে সনাক্ত করা সম্ভব হবে।
স্থানীয়রা জানান, নারায়ণগঞ্জবাসীর নিরাপদ চলাচল, যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমে জেলা প্রশাসক এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।