ছিনতাইরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে : হোসিয়ারি সমিতিকে ডিসি
Published: 4th, March 2025 GMT
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে সৌজন্যে সাক্ষাত করেছেন বাংলাদেশ হোসিয়ারি সমিতির নবনির্বাচিত কমিটি। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়ে হোসিয়ারি সমিতিকে যে কোন সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রশাসক।
নারায়ণগঞ্জ শহরের কয়েকটি পয়েন্টে প্রতিনিয়ত ছিনতাই ঘটনায় হোসিয়ারী ব্যবসা আতংকে রয়েছেন বলে জানান হোসিয়ারি সমিতির সভাপতি বদিউজ্জামান বদু। তিনি আরও বলেন, রমজানকে টার্গেট করে ব্যবসায়ীদের উপরে নজর করেছে ছিনতাইকারীরা।
প্রতিনিয়ত ছিনতাই কবলে পড়ছে ব্যবসায়ীরা। এতে ভয়ে আসছে না দূর পাল্লা ব্যবসায়ীরা। এর কারণে হোসিয়ারি ব্যবসায় বড় ধরণের ধাক্কায় সম্মুখিন হতে ব্যবসায়ীরা।
বদু ডিসিকে জানান, ইতোমধ্যে শহরের উকিলপাড়া, নয়ামটি, করিম মার্কেট ও দেওভোগে সিসিটিভি ক্যামেরা আওতায় আনা হচ্ছে। আরো কয়েকটি স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা আওতাভুক্ত করা হবে। নয়ামাটিতে হোসিয়ারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিরাপত্তায় দুইটি গেইট স্থান করা হচ্ছে দ্রুত সময়ে।
পরে জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম হোসিয়ারি সমিতির সমস্যা তুলে ধরে বলেন, আপনাদের সকল কিছু বিষয়ে অবগত হলাম। দ্রুত এগুলো বিশেষ করে ছিনতাইরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নবনির্বাচিত সভাপতি বদিউজ্জামান বদু সহ উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি আব্দুস সবুর খান সেন্টু, সাঈদ আহম্মেদ স্বপন, পরিচালক মো.
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ ছ নত ই ব যবস য়
এছাড়াও পড়ুন:
অপরাধ প্রবণতা কমাতে সিসিটিভির আওতায় আসছে পুরো নারায়ণগঞ্জ শহর
নারায়ণগঞ্জ শহরে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও অপরাধ প্রবণতা কমাতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ক্যামেরা স্থাপনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
প্রাথমিকভাবে শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়া গোলচত্বর থেকে শুরু করে নূর মসজিদ, মেট্রোহল মোড়, ডাক বাংলো ও আর্মি মার্কেট পর্যন্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছে জেলা প্রশাসন।
পর্যায়ক্রমে পুরো শহরকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) চাষাঢ়া বিজয়স্তম্ভ এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিলুফা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), মো. আলমগীর হুসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সোহেল রানাসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।
এসময় জলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, এই এলাকাটি হচ্ছে আমাদের নারায়ণগঞ্জের প্রাণকেন্দ্র। এখানে আমাদের জাতীয় দিবস থেকে শুরু করে মেলা ও অন্যান্য বাণিজ্যিক কার্যক্রম হয়ে থাকে। তাই আমরা এই চাষাঢ়া এলাকাটাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দিতে চেয়েছি।
তিনি আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জে আমরা গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিটির কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। এর অধীনে অনেক কাজ চলছে। সেই ধারাবাহিকতায় চাষাঢ়া থেকে শুরু করে ডাক বাংলো ও এপাশে নূর মসজিদ, আর্মি মার্কেট, মেট্রোহল মোড় পর্যন্ত এই পুরো এলাকা সিসি টিভির কাভারেজে নিয়ে এসেছি।
এখানে আমরা ১৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়েছি। ধীরে ধীরে আমরা পুরে শহরকে সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসবো।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার বলেন, সিসিটিভি আওতায় থাকলে আইনশৃঙ্খলা সহ নানা পরিস্থিতি নজরদারিতে অত্যন্ত সুবিধা জনক হবে। এতে করে কেউ কোনো ঘটনা ঘটিয়ে চলে গেলেও সিসিটিভির নজরদারির মাধ্যমে তাদেরকে সনাক্ত করা সম্ভব হবে।
স্থানীয়রা জানান, নারায়ণগঞ্জবাসীর নিরাপদ চলাচল, যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমে জেলা প্রশাসক এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।