নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল
Published: 4th, March 2025 GMT
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের নিয়োগ কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এই রুল জারি করেন। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে সচিব, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ শফিকুর রহমান। আদেশের পর রিট দায়ের বিষয়ে হুমায়ন কবির পল্লব সাংবাদিকদের বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের পদটি একটি টেকনিক্যাল পোস্ট। অথচ এখানে নিয়োগ হয়েছে একজন সরকারি আমলাকে, যার খাদ্য সম্পর্কে কোনও অভিজ্ঞতাই নেই। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। আশা করছি, রুলের জবাব পাওয়ার পরপরই হাইকোর্ট যথাযথ প্রতিকার দেবেন।’
রিটে বলা হয়, ২০১৩ সালের নিরাপদ খাদ্য আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী খাদ্য বিষয়ে অন্যূন ২৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং বিস্তৃত বিশেষায়িত জ্ঞান ও দক্ষতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগলাভের যোগ্য হবেন। অথচ বর্তমান চেয়ারম্যান একজন অতিরিক্ত সচিব। নিরাপদ খাদ্য আইনের ৯ ধারার কোনো যোগ্যতাই বর্তমান চেয়ারম্যানের নেই। কোন যোগ্যতাবলে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান তার পদে রয়েছেন— সে সম্পর্কে বিবাদীদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল গত ২৩ জানুয়ারি। সংশ্লিষ্টর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় রিটটি দায়ের করা হয়েছে।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
চট্টগ্রামে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত যুবদল কর্মীর মৃত্যু
চট্টগ্রামে ঈদ শুভেচ্ছা ব্যানার টাঙানো নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ও ছুরিকাহত হয়ে যুবদলের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম জিহাদুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
২১ মার্চ নগরের খুলশী থানার কুসুমবাগ আবাসিক এলাকায় ঈদ শুভেচ্ছা ব্যানার টাঙানো নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে জিহাদুরসহ দুজন গুলিবিদ্ধ ও একজন ছুরিকাহত হন।
নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল হালিম শাহ আলমের অনুসারী ও নগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শরিফুল ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শরিফুল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের অনুসারী।
গুলিবিদ্ধ দুজন হলেন জিহাদুর রহমান ও আনোয়ার হোসেন। তাঁরা শাহ আলমের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। আর ছুরিকাঘাতে আহত হন রমিজ দারোয়ান। তিনি শরিফুলের অনুসারী।এ ঘটনায় খুলশী থানায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা হয়। ঘটনার দিন খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমানকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
জানতে চাইলে খুলশী থানার ওসি আফতাব হোসেন আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জিহাদুর রহমান নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি গুলিবিদ্ধ ও ছুরিকাহত ছিলেন। সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় আদালতে আবেদন করে ৩০২ ধারা যুক্ত করা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুনব্যানার টাঙানো নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, দুজন গুলিবিদ্ধ২১ মার্চ ২০২৫