ঐতিহ্যবাহী ও বিখ্যাত রেস্টুরেন্টের অংশগ্রহণে তৃতীয়বারের মতো রাজধানীর বনানীতে ‘গ্র্যান্ড ইফতার বাজার’ আয়োজন করেছে অনলাইন ফুড ও গ্রোসারি ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডপ্যান্ডা। গতকাল সোমবার বনানীর সোয়াট ফিল্ডে প্রধান অতিথি হিসেবে এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। এ সময় ফুডপ্যান্ডা বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আম্বারীন রেজা এবং জুবায়ের বি এ সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

রমজান মাসজুড়েই বনানীর সোয়াট ফিল্ডে এ আয়োজন চলবে। এ আয়োজনে ফুডপ্যান্ডা অ্যাপের মাধ্যমে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের ইফতারসামগ্রীর পাশাপাশি দেশের নামকরা ও জনপ্রিয় বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের খাবার কেনার সুযোগ মিলবে। আয়োজনস্থলে ডাইন-ইনের সুবিধাও রয়েছে। ফুডপ্যান্ডা অ্যাপে দুপুর দুইটা থেকে এ উৎসবে অংশ নেওয়া রেস্টুরেন্ট থেকে অর্ডার করা যাবে।

ফুডপ্যান্ডার এ আয়োজনে ডমিনোজ, টেকআউট, দোসা এক্সপ্রেস, জয়পুর সুইটস, বার-বি-কিউ টুনাইট, বিউটি লাচ্ছি, চিকেন বাজ, ডিসেন্ট পেস্ট্রি শপ, মোস্তাকিম কাবাব, রাতের কাবাব, তাজিন-নাওয়াবি ক্যুইজিন, তার্কা, ট্রাই স্টেট ইটারি, ইফতারওয়ালা, ওয়াফেল টাইম ও মিঠাইওয়ালার মতো নতুন ও পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় সব রেস্তোরাঁ অংশ নিয়েছে। উৎসব থেকে খাবার কেনার সময় বিশেষ ছাড়ও পাবেন গ্রাহকেরা।

দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে ফুডপ্যান্ডা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুল আলম বলেন, উদ্যোক্তাদের বিকাশ, তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিদেশি বিনিয়োগ আনার পাশাপাশি দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সংরক্ষণেও কাজ করে যাচ্ছে ফুডপ্যান্ডা।

ফুডপ্যান্ডা বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুবায়ের বি এ সিদ্দিকী বলেন, ‘গ্র্যান্ড ইফতার বাজার আয়োজনে আমরা পুরান ঢাকা এবং নতুন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার কেনার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করেছি।’
ফুডপ্যান্ডা বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আম্বারীন রেজা বলেন, এ উদ্যোগের ফলে গ্রাহকের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, ঐতিহ্য উদ্‌যাপন করা এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সহায়তা করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ফুডপ্যান্ডার এই ইফতার আয়োজনে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যুক্ত হয়েছে সিটি ব্যাংক আমেরিকান এক্সপ্রেস (অ্যামেক্স)। এ ছাড়া লাইফবয় হ্যান্ডওয়াশিং পার্টনার, সেভেন আপ রিফ্রেশমেন্ট পার্টনার, পোলার আইসক্রিম পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: ইফত র ব যবস

এছাড়াও পড়ুন:

উৎসবে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও হতাশা কাটাতে করণীয়

উৎসবে সাধারণত একটু ‘রুটিন ব্রেক’ হয়ে যায়। এর প্রভাব পরে পারিবারিক সম্পর্ক ও মনে। অনেকের পারিবারিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়। আবার কেউ কেউ হতাশায় ভুগতে থাকেন। পরিবারের সদস্যদের এড়িয়ে চলা এবং অধিক খাবার গ্রহণ করার মতো কারণগুলো মানসিক হতাশা বাড়িয়ে তুলতে পারে। হতাশা কাটাতে করণীয় জেনে নিন।

ডা. সুব্রত সাহা কনসালটেন্ট, নিউরো থেরাপিস্ট একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘সারাদিনের নির্দিষ্ট একটি সময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থাকুন। যত কাজকর্মই থাকুক না কেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৬ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। সকালে নিয়ম করে ঘুম থেকে উঠতে হবে। অন্তত ১৫ মিনিট মর্নিং ওয়াক করুন। খাওয়ার পরে নির্দিষ্ট সময় হাঁটাচলা করুন।’’

এই নিউরো থেরাপিস্টের পরামর্শ হচ্ছে, হতাশা এড়াতে সকালে ভারি খাবার গ্রহণ করুন। দুপুরে একটু কম ভারি খাবার গ্রহণ করুন। এবং রাতে হালকা খাবার গ্রহণ করুন। এতে সহজেই হতাশা দূর করতে পারবেন।

উৎসবে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হৃদ্যতা বাড়াতে বাড়ির সবাই মিলে একসঙ্গে খান। এ সময় নিজেদের মধ্যে কথা বলার মতো পরিবেশ সৃষ্টি করতে মোবাইল, ট্যাব বা অন্যান্য গ্যাজেট দূরে রাখুন। এর ফলে মনে রাখার মতো মুহূর্ত তৈরি হবে। এ ছাড়া উৎসবে বাড়িতে নানা ধরনের ব্যস্ততা বাড়ে। যে বা যিনি পরিশ্রম করছেন তাকে প্রশংসা করতে ভুলবেন না। প্রশংসা হলো এক ধরনের মানসিক সমর্থন। এতে পারিবারিক সম্পর্কের গতিশীলতা বাড়ে।

ঢাকা/ লিপি

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের ‘মাস্তুল’
  • মস্কো উৎসবে বাংলাদেশের ‘মাস্তুল’
  • মস্কো উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে ‘মাস্তুল’
  • উৎসবেও কেন আঁশসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি
  • উৎসবের পর শূন্য অনুভব করা বা পোস্ট-ফেস্টিভ‍্যাল ব্লুজ কাটাবেন কীভাবে
  • রান্না-খাওয়া পর্ব ভিন্ন আঙ্গিকে চিন্তা করলে নারীরাও আনন্দ করতে পারবেন
  • উৎসবে হজমের সমস্যা এড়াতে যা করবেন
  • ছোটবেলার ঈদ ঝামেলাবিহীন, সহজ-সরল ছিল: নুসরাত ফারিয়া
  • দল বেঁধে বেড়ানোর যে উৎসব ছিল, তা আর নেই, কী কঠিন বড় হওয়াটা
  • উৎসবে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও হতাশা কাটাতে করণীয়