যুক্তরাজ্য ও ইউরোপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্ষ্টাজিত বৈদেশিক মুদ্রা নিরাপদ, স্বল্প সময় ও সহজতম উপায়ে দেশে বসবাসরত আত্মীয়স্বজনের নিকট পৌঁছানোর লক্ষ্যে সোমবার এনসিসি ব্যাংক পিএলসি কমার্স প্লেক্স লি. (সিমপাইসা), ইউকে এর সাথে রেমিট্যান্স চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

এই চুক্তির মাধ্যমে কমার্স প্লেক্স (সিমপাইসা), ইউকে এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপে থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স এর অর্থ এর সুবিধাভোগীরা এনসিসি ব্যাংক ও এর সহযোগী এনজিও এবং সাব-এজেন্ট এর শাখা হতে উত্তোলন করতে সক্ষম হবে।

এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম শামসুল আরেফিন এবং সিম্পাইসা, ইউকে এর চিফ স্ট্রাটেজি অ্যান্ড অপারেশন্স্ অফিসার (সিএসও) বাছির নজিম স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো.

জাকির আনাম, মো. মনিরুল আলম ও মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, এসভিপি ও হেড অব ট্রেজারী প্রধান মো. জহুরুল করীম চৌধুরী, এসএভিপি ও রেমিট্যান্স অ্যান্ড এনআরবি ব্যাংকিং প্রধান মো. ফরাদুজ্জামান এবং (সিমপাইসা), ইউকে এর কান্ট্রি ম্যানেজার সানজানা ফরিদ ও হেড অব ট্রেজারী সানি দাসসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা/সাজ্জাদ/সাইফ

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর এনস স

এছাড়াও পড়ুন:

থাইল্যান্ড ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে’র সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

প্রেস সচিব বলেন, বিমসটেক বে অফ বেঙ্গলকে ঘিরে একটা রিজনাল গ্রুপ। এই গ্রুপের যথেষ্ট পটেনশিয়ালিটি আছে। সেই পটেনশিয়ালিটিটা আমরা আসলে অর্জন করতে পারিনি। প্রফেসর ইউনূস এটার ওপর আরও জোর দেবেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার পর থেকেই বলেছেন যে, আমাদের আশপাশে যে সার্ক আছে, বিমসটেক আছে, সেগুলোকে যেকোনোভাবে হোক আরও সক্রিয় করতে হবে। যাতে করে বাংলাদেশ তার রিজনাল কোঅপারেশন ফ্রেমে তার কথাগুলো বলতে পারে। তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পিপল টু পিপল কো-অপারেশনগুলো আরও দৃঢ় হয়। এই জায়গা প্রফেসর ইউনূসের একটা স্পষ্ট পলিসি আছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ইউএসের পক্ষ থেকে বিগিনিং অব কনভেন্সেশনে আমরা এটা যাচাই-বাছাই করছি, যার কারণে আমরা এমনভাবে মুভ নিচ্ছি। আমরা মনে করি, ইউএসের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আমরা এ বিষয় নিয়ে এমন একটা সলিউশনে যাব, যাতে দু’পক্ষের জন্য উইন উইন হয়। আমরা আশাবাদী, যা হবে তা দু’পক্ষের জন্য মঙ্গলজনক হবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ