না, তিনি নতুন কিছু বলেননি। আর দশজন রাজনৈতিক ‘কৃতি সন্তান’ যা বলে থাকেন, তিনিও তা-ই বলেছেন। অন্যরা ঘরোয়া আড্ডা-ফাড্ডায় বলেন; আর তিনি ভরা মজলিশে মাইকে বলেছেন; এ-ই যা।

তিনি বলেছেন, ‘পুলিশকে অ্যারেস্ট করতে হলে আমাদের কাছে অনুমতি নিয়ে করতে হবে। এর বাইরে যদি একটা মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়, তাহলে আমরা থানা ঘেরাও করব।’ ফেসবুকে তাঁর এই বাণীসহ ভিডিওটি ঘুরছে।

ভাইরাল হওয়া ভাইটি ‘শেখ’ পরিবারের সন্তান। নাম শেখ রাসেল। তিনি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ রেজাউল করিম মিলনের ভাই।

এর বাইরে তাঁর ‘সরকারি পরিচয়’ হলো, তিনি বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের একজন উপপরিচালক।

কুমারখালীর চৌরঙ্গী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গত শুক্রবার বিশেষ অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন শেখ সাহেব।

বক্তব্যের একপর্যায়ে এই সরকারি কর্মকর্তা ফুলটাইম রাজনীতিকের মতো আবেগ ধরে রাখতে না পেরে বলে ফেলেন, এলাকার প্রতিটি গ্রেপ্তার তাঁদের অনুমতিসাপেক্ষ।

একই সঙ্গে জানিয়ে রাখেন যে তাঁর ও তাঁর লোকজনের অনুমতি না নিয়ে পুলিশ যদি কাউকে গ্রেপ্তার করে, তাহলে মোটেও ভালো হবে না।

আরও পড়ুননেতাকর্মীদের বেতন দিন, মানুষকে চাঁদাবাজি থেকে মুক্তি দিন২৪ আগস্ট ২০২৪

আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, এক ভদ্রলোক বেশ বড় একটি সভায় দাঁড়িয়ে মাইকে বলেছেন, ‘স্বৈরাচার যেসব সম্পদ ভোগ দখল করেছে, এখন পালায়ে গেছে, ওইসব আমাদের নেতা-কর্মীরা সবাই মিলে ভোগদখল করবে। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ভোগ দখল করবেন। এগুলো সম্পূর্ণ আমাদের। এ নিয়ে কোনো অভিযোগ অনুযোগ শুনতে চাই না। সবাই মিলে এক রুটি দশজন ভাগ করে খাইলে ভালো হয়। দশে মিলি করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ।’

‘দশে মিলি’ লুটপাট চালানো এই সাম্যবাদী ভাবাদর্শের নেতাও শেখ পরিবারের লোক। তাঁর নাম শেখ মুজিবুর রহমান। ডাক নাম ইকবাল। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক।

ইকবাল সাহেব যেভাবে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ভোগ দখল করা সম্পদ নিজেদের দখলে আনার ফয়সালা দিচ্ছিলেন, তাতে মনে হচ্ছিল, তিনি যুদ্ধলব্ধ গনিমতের মাল বন্টনের দায়িত্ব নিয়েছেন।

তাঁর ওই ভিডিও দেখার সময় গত সরকারের সময়কার একটি ভাইরাল ভিডিওর কথা মনে পড়ছিল। সেই ভিডিওতে একজন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সন্তান। এই দেশ আমাদের, এই দেশের সম্পদ চুরি করলে আমরা করব। লুটপাট করলে আমরা করব। আমাদের কেউ বাধা দিতে পারবে না।’

বিএনপি নেতা শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবের বক্তব্যে সেই আওয়ামী লীগ নেতার হুবহু প্রতিধ্বনি শোনা গেল।  

আরও পড়ুনশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘চর দখল’ ও শিক্ষক লাঞ্ছনা বন্ধ হোক০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম পিন্টুর নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন যুবক দিনদুপুরে গামছায় মুখ বেঁধে রামদা হাতে স্থানীয় বাজারে গিয়েছিলেন।

সেখানে পিন্টু বাংলা সিনেমার ভিলেন মিশা সওদাগরের মতো মাইকে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘আমি যত দিন বেঁচে আছি, এই বাজার আমার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। সরকারি ইজারাদার যে-ই হোক, আমাকে খাজনা দিতে হবে। কেউ বাধা দিলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে।’ এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পিন্টুকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

আরেক ঘটনা ঘটেছে যশোরের কেশবপুর উপজেলায়। সেখানকার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের চিংড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখল করে রাজনৈতিক অফিস চালানো হচ্ছে।

সরকার পতনের আগে জায়গাটিতে ছিল যুবলীগের অফিস। এখন সেটি দখল করে বানানো হয়েছে ‘জিয়া স্মৃতি সংসদ’-এর অফিস।

সেখানে পাকা স্থাপনার উদ্যোগ নেওয়ার পর বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার দত্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছিলেন।

এরপর বিএনপি ‘কৃতি সন্তানেরা’ তাঁকে এমন ধমকিই দিয়েছেন যে ভদ্রলোক জানের মায়ায় আত্মগোপনে চলে গেছেন। ফিরতে পারছেন না।

সেখানকার ঘটনায় দেখা যাচ্ছে, বিদ্যালয়ের জায়গায় ঘরটি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তৎকালীন যুবলীগের আহ্বায়ক আযাহারুল ইসলাম দখল করে যুবলীগের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করতেন।

এর আগে ১৯৯১ সালের দিকে তৎকালীন বিএনপি নেতা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মোনায়েম খান দখল করে দলীয় কার্যালয় করেছিলেন। কয়েক দিন আগে জিয়া স্মৃতি সংসদের নামে ইট দিয়ে পাকা ঘর করার কাজ শুরু হয়েছিল।

অভিযোগের পর উপজেলা প্রশাসন ইট দিয়ে গাঁথা অংশ ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু এখন আবার সেটি গাঁথার কাজ চলছে।

এগুলো দখলদারি ও চাঁদাবাজির বিশাল ক্যানভাসের একেকটি আনুবীক্ষণিক দৃশ্য।
গত বছরের ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর ‘রাজা যায় রাজা আসে’ অবস্থা দেখা যাচ্ছে।

দেখা যাচ্ছে, যা আগে আওয়ামী লীগ করত, তা এখন বিএনপি করছে। কোথাও কোথাও জামায়াত করছে।

এমনকি ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের কারও কারও বিরুদ্ধেও এ ধরনের অভিযোগ উঠেছে।

যাঁরা একদা পুলিশের সাহায্যে দাপট দেখাতেন, তাঁরাই এখন মানবাধিকারের ভাষণে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ছেন।

অপর দিকে, যাঁরা আগে নির্যাতিতের কাতারে ছিলেন, তাঁরাই অধুনা নির্যাতকের ভূমিকা নিচ্ছেন।

আরও পড়ুনআর যেন কেউ মাঠ দখল করতে না পারে২৫ এপ্রিল ২০১৪

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক চিরন্তন সত্য এই যে ক্ষমতার হস্তান্তর ঘটলে কেবল বাহ্যিক রূপান্তর ঘটে, প্রকৃত চরিত্র এক ও অভিন্ন থাকে।

ক্ষমতার এই মিউজিক্যাল চেয়ারে চাঁদাবাজির সুর কখনো থামে না। আ.

লীগের ‘তরুণ তুর্কি’রা চাঁদা নিত ‘উন্নয়নের খাতিরে’; এখন বিএনপির ‘স্বপ্নের সৈনিক’রা নিচ্ছেন ‘নতুন দিনের নতুন রাজনীতি গড়ার ফান্ডে’।

বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা তাঁদের বিরুদ্ধে ‘চাঁদাবাজি’র খবর প্রচারকে ‘অতিরঞ্জিত’ বলে দাবি করছেন। জামায়াত ও সদ্যজাত দল এনসিপির নেতা-কর্মীরা নানা অপকর্ম করলেও, তা প্রচার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তাঁদের।

তবে চাঁদাবাজিতে বারবার নেতা-কর্মীদের নাম জড়িয়ে পড়ায় বিএনপির মধ্যে অস্বস্তি আছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একাধিকবার বলেছেন, অন্যায়কারীকে প্রশ্রয় নয়। নেতা-কর্মীদের তিনি বহুবার সতর্ক করেছেন।

বিএনপির দাবি, ৫ আগস্টের পর বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের তিন হাজারের বেশি নেতা-কর্মীকে চাঁদাবাজি, দখল, শৃঙ্খলা ভঙ্গসহ নানা অভিযোগে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

হাজারের বেশি নেতা-কর্মীকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের এই দাবি একেবারে অসত্য নয়।

আশার বিষয়, তারেক রহমান তাঁর একাধিক বক্তব্যে বলেছেন, তাঁরা এ অভিযোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত দলীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন। বিএনপি ও জামায়াতের স্থানীয় কোনো কোনো নেতা-কর্মীর মনে হতে পারে যে তাঁরা দীর্ঘদিন গণতন্ত্র ও দেশমুক্তির লড়াই করেছেন; তাই আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া দখলদারি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি—সব ভোগ করার অধিকার তাঁদের আছে।

‘আল্লাহ চাঁদাবাজিকে হারাম করেছেন। ভিক্ষা করা হালাল। তাই চাঁদাবাজি না করে ভিক্ষা করুন’ বলে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান সম্প্রতি যে মন্তব্য করেছেন, তা যে বিএনপিকেই নিশানা করে, তা যে কেউ বুঝবে।

অর্থাৎ দেশে এখন যে চাঁদাবাজি ও স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতার দাপট দেখানো হচ্ছে, তার দায় বিএনপির ঘাড়েই তিনি দিয়েছেন।

দেশে সক্রিয় দলগুলোর মধ্যে বিএনপি এখন যেহেতু সবচেয়ে বড় দল, সেহেতু এই অভিযোগ দলটিকে আমলে নিতে হবে।

আশার বিষয়, তারেক রহমান তাঁর একাধিক বক্তব্যে বলেছেন, তাঁরা এ অভিযোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত দলীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

বিএনপি ও জামায়াতের স্থানীয় কোনো কোনো নেতা-কর্মীর মনে হতে পারে যে তাঁরা দীর্ঘদিন গণতন্ত্র ও দেশমুক্তির লড়াই করেছেন; তাই আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া দখলদারি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি—সব ভোগ করার অধিকার তাঁদের আছে।

আগে থানাগুলোকে আওয়ামী লীগের নেতারা ‘গেস্ট হাউস’ ভাবতেন বলে এখন বিএনপির নেতারা সেগুলোকে ‘কাস্টমার কেয়ার’ ভেবে বসতে পারেন।


কিন্তু কিশোরগঞ্জের শেখ মুজিবুর রহমান, কুমারখালীর শেখ রাসেল ও শ্রীপুরের পিন্টুর মতো নেতাদের মাথায় রাখা দরকার যে হাসিনা সরকার পতনের পর মানুষের রাজনৈতিক ভাবনায় বদল এসেছে।

এখন এ ধরনের দখলদারকে মানুষ শুধু গণশত্রু হিসেবে দেখে না, সেই গণশত্রুকে গণরোষের সামনে দাঁড় করাতে চায়।

এই বদলের সঙ্গে তাল মেলানোর জন্য যদি রাসেল-পিন্টুরা নিজেদের না বদলান, তাহলে তাঁরা যে কোথায় ছিটকে পড়বেন, তা কেউ জানে না।

সারফুদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক
ই-মেইল: [email protected]

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: র জন ত ক কর ম দ র ন ব এনপ র উপজ ল র রহম ন ব এনপ র দখলদ র বল ছ ন কর ম র কর ছ ন ভ গ কর আম দ র সদস য সরক র আওয় ম

এছাড়াও পড়ুন:

নিজের বিয়ে ভাঙতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার ছাত্রলীগ নেতা, মুচলেকা দিয়ে মুক্তি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিজের বিয়ে ভাঙতে গিয়ে গণধোলাইয়ে শিকার হয়েছেন শরীফ মাহমুদ সান নামের এক ছাত্রলীগ নেতা। বিয়ের শেরওয়ানী আগুনে পুড়িয়ে ব্যাংক চেকে স্বাক্ষর রেখে মুচলেকা নিয়ে ওই ছাত্রলীগ নেতাকে ছেড়ে দিয়েছে এলাকাবাসী। 

ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকেলে উপজেলার বাশতৈল ইউনিয়নের কটামারা গ্রামে। অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা শরীফ মাহমুদ সান উপজেলার উত্তর পেকুয়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাশতৈল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম। জানা গেছে, ছাত্রলীগ নেতা শরীফ মাহমুদ সানের কটামারা গ্রামের একটি মেয়ের সঙ্গে এক বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়। দুই পরিবারের সিদ্ধান্তে বিয়ে রেজিস্ট্রিও হয়। অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক থাকায় বিয়ে না করতে নানভাবে টালবাহানা করতে থাকেন তিনি। একপর্যায় গতকাল বুধবার শরীফের বিয়ের দিন ধার্য হয়। তিনি গোপনে বিয়ে ভাঙার ফন্দি করেন। দুপুরে বরযাত্রী কনের বাড়িতে যায়। খাওয়া শেষে শরীফ মাহমুদ সান মোবাইল ফোনে কাকে যেন বলেন, খাওয়া শেষ, প্রশাসনের লোকজন আসে না কেন? কনেপক্ষের এক লোক এ কথা শুনে ফেলেন। তিনি বাড়ির লোকজনকে বিষয়টি জানান। পরে বিষয়টি নিয়ে বিয়ে বাড়িতে হৈচৈ পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন বরসহ কয়েকজনকে গণধোলাই দিয়ে আটকে রাখে এবং বরের পড়নের শেরওয়ানী খুলে আগুনে পুড়ে ফেলে ক্ষুব্ধ লোকজন। 

পরে স্থানীয় মাতব্বর এবং দু’পক্ষের লোকজন সন্ধায় বিষয়টি নিয়ে সালিশে বসেন। সালিশে আলোচনা সাপেক্ষে দুই পক্ষই বিয়ে না হওয়ার ব্যাপারে একমত হন। বিয়ের দেনমোহর ও খোরপোশ বাবদ কনেকে ৯ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এজন্য ১৮ লাখ টাকার একটি চেকে শরীফের বাবা সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষর রাখা হয়। ৯ লাখ দেওয়ার পর ওই চেক ফেরত দেওয়া হবে বরে জানা গেছে। পরে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান ছাত্রলীগ নেতা শরীফ মাহমুদ সান। 

কনের বাবার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমার মেয়ের সঙ্গে যে ঘটনা হয়েছে, তাতে আমরা খুবই মর্মাহত। এমন ঘটনা যাতে আর কারোর সঙ্গে না ঘটে।

বাশতৈল ইউপি সদস্য বাবুল হোসেন খানের বলেন, ছাত্রলীগ নেতা নিজের বিয়ে ভাঙতে গিয়ে এ ধরনর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। স্থানীয়রা দু’পক্ষ নিয়ে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বরপক্ষকে ৯ লাখ জরিমানা করা হয়। পরে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পান ছাত্রলীগ নেতা।

সম্পর্কিত নিবন্ধ