মেট্রোরেলে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে এমআরটি পুলিশ। প্রতিটি ট্রেনে দুই জন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুপুরে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, মেট্রোরেলের কোচের ভেতরে এমআরটি পুলিশ সদস্যদের টহলের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তারা প্রতিটি ট্রেনে অবস্থান করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। একটি ছয় কোচের ট্রেনে দুই জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন এবং ১০টি চলমান ট্রেনে ২০ জন পুলিশ সদস্য কাজ করবেন। তারা সকাল ও দুপুরের শিফটে দায়িত্ব পালন করবেন। একইসঙ্গে, স্টেশনগুলোতে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরাও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন।

এমআরটি পুলিশ সদস্যরা যাত্রীদের সঙ্গে থাকা শিশু-বৃদ্ধ মানুষ ও মালামাল হারিয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে খুঁজে বের করা, চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধ এবং যাত্রীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। এছাড়া, নাগরিকদের প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য সমস্যার সমাধানে কাজ করবেন তারা।

মেট্রোরেল এবং স্টেশনগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৩ সালের নভেম্বর কাজ শুরু করে এমআরটি পুলিশ।

ঢাকা/হাসান/রফিক

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর প ল শ সদস য করব ন

এছাড়াও পড়ুন:

মিয়ানমারে জান্তার ২০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ২০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে জান্তা সরকার। আজ বুধবার (২ এপ্রিল) শুরু হয়ে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ত এমআরটিভি এ খবর জানিয়েছে।

আজ রাতে সম্প্রচারিত এমআরটিভির বুলেটিনে বলা হয়, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনকাজ সহজ করতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে।

গত শুক্রবার (২৮ মার্চ) মিয়ানমারে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়। ১১ মিনিটের মাথায় ৬ দশমিক ৪ মাত্রার পরাঘাত হয়। এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জান্তা সরকারের আগে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়। সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি চলাকালে গোষ্ঠীগুলো হামলা চালানো বা নতুন করে সংগঠিত হওয়া থেকে অবশ্যই বিরত থাকবে। অন্যথায় সেনাবাহিনী ‘প্রয়োজনীয়’ ব্যবস্থা নেবে।

ভূমিকম্পে মিয়ানমারের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়, সাগাইং, রাজধানী নেপিডোসহ কয়েকটি শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হাজার ভবন, সেতু ভেঙে গেছে; ফাটল দেখা দিয়েছে সড়ক-মহাসড়কে।

আরও পড়ুনমিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা০১ এপ্রিল ২০২৫

মিয়ানমারের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আজ ভূমিকম্পের পঞ্চম দিন রাজধানী নেপিডোর একটি হোটেলের ধ্বংসস্তূপ থেকে দুই ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আরেকটি শহরের একটি অতিথিশালা থেকে আরেক ব্যক্তিকেও জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অধিকাংশ উদ্ধারকারী দল কেবল মরদেহই পাচ্ছে।

এমআরটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৩–এ পৌঁছেছে। আহতের সংখ্যা ৪ হাজার ৫০০। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে মনে করে।

আরও পড়ুনমিয়ানমারে ভূমিকম্পে ১৭০ স্বজন–প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ ইমাম সোয়ে৮ ঘণ্টা আগে

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মিয়ানমারে নতুন করে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এরপর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, গৃহযুদ্ধে ৩০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। দেশটির প্রায় দুই কোটি মানুষের বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দরকার। এ পরিস্থিতিতে ভূমিকম্পে দেশটিতে মানবিক সংকট পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়েছে।

আরও পড়ুনশক্তিশালী ভূমিকম্পের পরও এ বছর ৪ কোটি পর্যটক পাওয়ার আশা থাইল্যান্ডের০১ এপ্রিল ২০২৫

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • মিয়ানমারে জান্তার ২০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা