হবিগঞ্জে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০
Published: 4th, March 2025 GMT
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার (টমটম) চালক ও যাত্রীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সিংহগ্রামের মাইজহাটি ও দাইরল এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
এলাকাবাসী জানান, গতকাল সোমবার ইফতারের আগে বুল্লা বাজারে যাত্রী ওঠানো নিয়ে দাইরল এলাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক মিলন মিয়ার সঙ্গে যাত্রী মাইজহাটির তৌহিদ তালুকদারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এসময় বাজারে থাকা উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে কমপক্ষে ১০ জন আহত হন।
আরো পড়ুন:
মাগুরায় বিএনপির সদস্য ফরম সংগ্রহ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০
পাওনা টাকা নিয়ে ২ পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০
আজ মঙ্গলবার উভয়পক্ষের লোকজন মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আবারো সংঘর্ষে জড়ায়। থেমে থেমে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
লাখাই থানার ওসি বন্দে আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ইটপাটকেলের আঘাতে ২০-৩০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন আছে।”
ঢাকা/মামুন/মাসুদ
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর স ঘর ষ আহত জন আহত স ঘর ষ
এছাড়াও পড়ুন:
ফতুল্লায় কিশোর গ্যাং জিনিয়াস গ্রুপের ছুরিকাঘাতে সুরুজ মিয়া আহত, আটক ১
ফতুল্লায় কিশোর গ্যাং জিনিয়াস গ্রুপের বিরুদ্ধে ট্রাক লুটের প্রতিবাদ করায় এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছে। এসময় স্থানীয়রা ধাওয়া করে রাম দা ছুরিসহ ফাহিম নামে ওই গ্রুপের একজনকে আটক করে গণপিটুনী দিয়ে পুলিশে দিয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় ফতুল্লার মাহমুদপুর করিম মার্কেট এলাকায় এঘটনা ঘটে।
জানাযায়, বুধবার রাতে কিশোর গ্যাং জিনিয়াস গ্রুপের রিয়াজ দলবল নিয়ে ফতুল্লার মাহমুদপুর করিম মার্কেট এলাকায় একটি নির্মানাধীন ভবনের সামনে থেকে পাথর ভর্তি ট্রাক ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। এসময় ট্রাক চালকের ডাক চিৎকারের আশপাশের লোকজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও এগিয়ে আসে।
এসময় কিশোর গ্যাংয়ের সন্ত্রাসীরা ট্রাক ছেড়ে দিয়ে উপস্থিত লোকজনদের চলে যেতে বলেন নয়তো কুপিয়ে সবাইকে টুকরো করে হত্যার হুমকি দেয়। তখন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে সুরুজ মিয়া নামে একজন প্রতিবাদ করেন। এতে সন্ত্রাসীরা তার উপর ফুঁেস উঠে এলোপাথারী মারধর করে মাথায় ও পিঠে ছুরিকাঘাত করেন।
তখন এলাকাবাসী তাদের ধাওয়ার করে একজনকে রাম দা ও ছুরিসহ আটক করেন। অন্যরা পালিয়ে যায়। এরপর আটককৃতকে গুপিটুনী দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করেন এবং আহত সুরুজ মিয়াকে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়।
স্থানীয়রা জানান, জিনিয়াস গ্রুপের লিডার রিয়াজ তার সহযোগী শুভ, হাসান, সোহান, সোহাগ, বাবু, মাইন উদ্দিন, ফাহিম, জাকির ও নূর মোহাম্মদ নাঈম সহ আরো ২০/৩০ জন। তাদের বয়স ১৬ থেকে ১৮ বছর হবে।
তারা সাইনবোর্ড, মাহমুদপুর, কদমতলী, ডেমরা, সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড়, মৌচাক ও তার আশপাশের এলাকায় ছিনতাই ডাকাতি ও চাঁদাবাজি করেন প্রকাশ্যে। দীর্ঘদিন ধরে তারা অপরাধ কর্মকান্ডে বেপরোয়া। কোন অপরাধেই তারা ব্যর্থ হয়না এজন্য তাদের গ্রুপের নাম রেখেছেন জিনিয়াস গ্রুপ।
এবিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ একজনকে আটক করেছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন আছে।