Samakal:
2025-04-04@22:54:18 GMT

কটাক্ষের শিকার প্রিয়াঙ্কা

Published: 4th, March 2025 GMT

কটাক্ষের শিকার প্রিয়াঙ্কা

কেবল বলিউড নয়, হলিউডেও প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার অভিনয়ের প্রশংসা করেন সিনেমাপ্রেমীরা। তার জীবনের নানা ঘটনা নেটিজেনরা জানতে আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন। অনেকেরই অজানা প্রিয়াঙ্কা তার বাবার মৃত্যুর মাত্র ৬ দিন পরেই তার মায়ের জমজমাট জন্মদিনের পার্টির আয়োজন করেন। 

এ ঘটনা অভিনেত্রীর মা মধু চোপড়া নিজেই শেয়ার করেন। তবে ঘটনাটি সামনে আসতেই কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে প্রিয়াঙ্কাকে।

প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘বাবা বেঁচে থাকলে তিনি নিজেও মায়ের জন্মদিনটা পালন করতেই চাইতেন। আমি সেই কাজটাই করেছি।’ পাশপাশি, মধু সমালোচনা সহ্য করেছেন ছেলে-মেয়ের মুখ চেয়ে।

মধু জানান, প্রিয়াঙ্কা তার বাবা অশোক চোপড়ার মৃত্যুর পরপরই মায়ের জন্মদিন পালন করেছিল। কারণ একটাই, মায়ের মুখে হাসি ফিরিয়ে আনা। অশোক চোপড়ার মৃত্যুর পরপরই পার্টির আয়োজন করার জন্য তার কিছু আত্মীয়স্বজন প্রিয়াঙ্কার সমালোচনা করতে শুরু করেন।

প্রিয়াঙ্কার মা মধুর কথায়, ‘আমার জন্মদিন ১৬ জুন। আমার বয়স যখন ৬০, তখন ও আমার জন্মদিনের একটা বড় পার্টির আয়োজন করেছিল। আমার স্বামীর অসুস্থতার কারণে পুরো পরিবার সেই সময় এমনিতেই উপস্থিত ছিলেন। এরপর তিনি মারা যান। সেই সময়টা খুবই কষ্টে কেটেছে দিন। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা সেই বছর আমার জন্মদিন পালনের ব্যাপারে অনড় ছিলেন। এবং সব আত্মীয়কে থেকে যেতে বলেছিলেন। কারণ, ওর বাবাও এমনটাই চাইতেন।’

প্রসঙ্গত, প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার বাবা অশোক চোপড়া দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করার পর ২০১৩ সালে মারা যান। অশোক চোপড়া ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন চিকিৎসক ছিলেন। সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস। 

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

ধর্মপাশায় যৌতুক না পেয়ে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় টেলিভিশন ও আসবাব কিনতে শ্বশুরের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা এনে না দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের খয়েরদিরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ প্রিমা বেগম (২০) বাদী হয়ে স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়িসহ চারজনের নাম উল্লেখ আজ বুধবার দুপুরে থানায় মামলা করেছেন। মামলার পরপরই বিকেলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে তাঁর স্বামী শাওন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ, মামলার সংক্ষিপ্ত এজাহার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, খয়েরদিরচর গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে শাওন মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের বকুল মিয়ার মেয়ে প্রিমা বেগমের প্রেমের সম্পর্কের জেরে দুই বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর শ্বশুরের কাছ থেকে স্ত্রীকে টাকা এনে দিতে চাপ দিতেন শাওন। স্ত্রীও সাধ্যমতো বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতেন। মাসখানেক আগে শাওন শ্বশুরের কাছে টিভি, আসবাবপত্র কিনতে দেড় লাখ টাকা চান। টাকা দিতে না চাইলে শাওনের পরিবারের লোকজন রশি দিয়ে প্রিমার হাত-পা বেঁধে মারধর করেন। একপর্যায়ে শাওন লোহার একটি কাঁচি দিয়ে তাঁর পিঠে গরম ছ্যাঁকা দেন বলে অভিযোগ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে স্ত্রীকে আবার শ্বশুরের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা এনে দিতে চাপ দেন শাওন। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে প্রিমাকে লাঠি দিয়ে পেটানো হয়। পরে স্বামীর অগোচরে রাতেই বাবার বাড়িতে গিয়ে ঘটনা খুলে বলেন ওই গৃহবধূ।

আজ বেলা ১১টার দিকে গৃহবধূ পরিবারের লোকজনকে নিয়ে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে দুপুরে থানায় গিয়ে স্বামীসহ চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে খয়েরদিরচর গ্রামের বাড়ি থেকে তাঁর স্বামী শাওনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গৃহবধূর বাবা বলেন, ‘আমি একটি স মিলে শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। মেয়ের সুখের জন্য সাধ্যমতো অর্থ দিয়েছি। আমার কাছে দেড় লাখ টাকা চেয়ে না পাওয়ায় আমার মেয়েকে যারা নির্যাতন করেছে, আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

শাওনের বাবা ধান ব্যবসায়ী আজিজুল হক বলেন, ‘প্রেম করে বিয়ে করায় আমরা পারিবারিকভাবে এখনো পুত্রবধূকে গ্রহণ করিনি। দেড় লাখ টাকা চাওয়া ও মারধরের ঘটনা সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। পরিকল্পিত ঘটনা সাজিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।’

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এনামুল হক মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে তাঁর স্বামীসহ চারজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা করেছেন। ওই গৃহবধূর স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • ধর্মপাশায় যৌতুক না পেয়ে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার