সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেখতে গিয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুপুরে তিনি হাসপাতালে গিয়ে দলের মহাসচিবের সঙ্গে দেখা করেন এবং স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন।

এ সময় রিজভীর সঙ্গে দলের সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুল ইসলাম ও অন্য নেতাকর্মীরা ছিলেন।

এর আগে, গত রোববার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

জানা গেছে, গত সপ্তাহে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলায় একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে ধুলাবালি থাকার কারণে অসুস্থ অনুভব করছিলেন বিএনপি মহাসচিব। এরপর দুই দিন যাবৎ খারাপ লাগছিল তার। পরে রোববার চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।

বিএইচ

.

উৎস: SunBD 24

এছাড়াও পড়ুন:

নায়ক আলমগীরের জন্মদিন আজ

আজ ৩ এপ্রিল, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্য সত্যিই বিশেষ দিন। কারণ এই দিনকে চলচ্চিত্র দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সেই সঙ্গে এই দিনেই দেশের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেতা আলমগীরের জন্মদিন। তাই এই তারকার প্রতিটি জন্মদিনই চলচ্চিত্র পরিবার বিশেষভাবে উদযাপন করে থাকেন।

এবারের জন্মদিনটি আরও স্পেশ্যাল, কারণ এ বছর ৭৫-এ পা রাখলেন গুণী এই অভিনেতা। জন্মদিন উপলক্ষে আলমগীরকে নিয়ে কথা বলেছেন ঢালিউডের দুই প্রজন্মের দুজন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক।

আলমগীরের পুরো নাম মহিউদ্দিন আহমেদ আলমগীর। সত্তরের দশক থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি অভিনয় করেছেন অত্যন্ত প্রতাপের সঙ্গে। উপহার দিয়েছেন অসংখ্য হিট সিনেমা। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছেন রেকর্ড ৯ বার।

১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল আলমগীরের জন্ম হয়েছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তার বাবার নাম কলিম উদ্দিন আহম্মেদ ওরফে দুদু মিয়া। তিনি বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর অন্যতম একজন প্রযোজক ছিলেন। আলমগীরদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে।

১৯৭৩ সালে আলমগীর কুমকুম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘আমার জন্মভূমি’ সিনেমায় প্রথম অভিনয় করেন। এরপর একে একে ‘দস্যুরাণী’, ‘লাভ ইন সিমলা’, ‘মনিহার’, ‘মনের মানুষ’, ‘আগুনের আলো’, ‘সাম্পানওয়ালা’, ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘বৌমা’, ‘ভাত দে’, ‘গরীবের বউ’, ‘পিতা-মাতা’, ‘জজ ব্যারিস্টার’, ‘স্ত্রীর মর্যাদা’সহ অসংখ্য আলোচিত ও সুপারহিট সিনেমায় দেখা গেছে তাকে।

১৯৮৬ সালে কামাল আহমেদ পরিচালিত ‘মা ও ছেলে’ সিনেমাতে অভিনয়ের জন্য প্রথম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান আলমগীর। এরপর ১৯৮৭ সালে ‘অপো’, ১৯৮৯ সালে ‘ক্ষতিপূরণ’, ১৯৯০ সালে ‘মরণের পরে’, ১৯৯১ সালে ‘পিতা মাতা সন্তান’, ১৯৯২ সালে ‘অন্ধ বিশ্বাস, ১৯৯৪ সালে ‘দেশ প্রেমিক’সহ মোট ৯ বার এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

এছাড়া জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননাও পেয়েছেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। চলচ্চিত্রের অস্থিরতা ও বর্তমান সংকট সমাধানে বর্তমানে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৯টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত আহ্বায়ক কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আলমগীর।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • ছিয়াত্তরেও উজ্জ্বল নায়ক আলমগীর
  • নায়ক আলমগীরের জন্মদিন আজ
  • সেদিন মৃত্যুমুখ থেকে ফিরেছিলেন নায়ক আলমগীর
  • ঈদের তৃতীয় দিন ছোট পর্দার নাটক-টেলিফিল্ম
  • সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: খালেদা জিয়া
  • দেশবাসীর ভোটাধিকার সবাই মিলে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: খালেদা জিয়া
  • ঈদের দ্বিতীয় দিন টিভিতে যেসব নাটক-টেলিফিল্ম থাকছে
  • নীলফামারীতে বিএনপির দু’গ্রপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি
  • নীলফামারীতে বিএনপির দু’গ্রপে কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি
  • ঈদের দ্বিতীয় দিন ছোট পর্দার নাটক-টেলিফিল্ম