ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় খলনায়ক মিশা সওদাগর। প্রভাবশালী এ অভিনেতা পর্দায় যেমন দাপটের সঙ্গে খল চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরেন, বাস্তব জীবনে তিনি অবশ্য ভিন্ন মানুষ। এমনকি ধর্মীয় অনুশাসনেই নিজেকে রাখতে দেখা যায় তাঁকে।

নিয়মিত নামাজ পড়েন। রোজার মাসটাও সিয়াম সাধনার মাধ্যমেই কাটান বলে জানিয়েছেন অভিনেতা। সম্প্রতি একটি স্বাক্ষাৎকারে মিশা সওদাগর রমজান নিয়ে কথা বলেছেন মিশা।।

তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক ভাগ্যবান। আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে ৩০টা রোজা রাখবে সবাই। যে কারণেই আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন বা আমাদের উপরে বাধ্য করেছেন যাতে এটা আমরা সবাইকে নিয়েই করি। সম্মানের সাথেই করি এবং নিজেও সিয়াম সাধনার মাধ্যমে রোজা উদযাপন করি। আমি ব্যক্তিগতভাবে বলব, ‘আমরা ঢাকাইয়া মানুষ। আমরা অনেক আগে থেকে রোজা রাখি। ছোটবেলা থেকেই রোজার সিস্টেমের মধ্যেই পড়ি।’

কাজের ব্যস্ততা থাকলেও রোজা ঠিকই রাখেন জানিয়ে অভিনেতা বলেন, ‘যারা যারা কাজ করি, যতই কাজ করি না কেন অবশ্যই রোজা রাখব। অবশ্যই নামাজ পড়ব। এবং যারা সম্ভব তারা সবাই তারাবি পড়ে। আমি পড়ব। সুরা তারাবি হলেও আমি পড়ব। কারণ শুটিং যখন থাকে তখন হয়তো খতম তারাবি পড়তে পারি না। তখন সুরা তারাবির উপরেই বেজ করতে হয়।’

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

বগুড়া‌র মি‌নি জাফলং‌য়ে গোসল কর‌তে গি‌য়ে শিশুর মৃত্যু

বগুড়ার শেরপুরে মিনি জাফলং নামে পরিচিত বাঙালি নদীতে গোসল করতে গিয়ে সাদাত হোসেন (১২) নামে এক শিশু প্রাণ হারিয়েছে।  

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে সুঘাট ইউনিয়নের জোড়গাছা ব্রিজের নিচে বাঙালি নদীতে স্রোতের সাথে ভেসে শিশুটি ডুবে যায়। 

সাদাত হোসেন ধনুট উপজেলার বিল চাপরি গ্রামের ইকবাল হোসেনের ছেলে।

সাদাতের নানা মোখলেসুর রহমান জানান,  ঈদে শিশুটি আমার বাড়ি সুত্রাপুর বেড়াতে আসে।  আজ (শুক্রবার) সকালেই সে মিনি জাফলং নামে পরিচিত বাঙালি নদীতে অন্যান্য শিশুদের সাথে গোসল করতে যায়। এ সময় পা পিছলে পড়ে পানির স্রোতে ভেসে নদীর গভীরে ডুবে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর বখতিয়ার উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটি উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

ঢাকা/এনাম/টিপু

সম্পর্কিত নিবন্ধ