৯৭তম অস্কার আসরে ‘আ রিয়াল পেইন’ ছবির জন্য সেরা সহ-অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা কেইরান কালকিনে। পুরস্কার হাতে নিয়ে মঞ্চে  বক্তৃতা দিতে গিয়েই তিনি যা বললেন, তাতে অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড-এর অনুষ্ঠানে সবাই হাসিতে ফেটে পড়েছিল। 

এদিন রবার্ট ডাউনি জুনিয়রের হাত থেকে পুরস্কার নিয়ে কেইরান কালকিনকে রসিকতা করে বলতে শোনা যায়, ‘হে ঈশ্বর, এটা দারুণ আমি জানতামও না অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার কাছে এটা বড় প্রাপ্তি।’
তিনি বলেন, ‘দাঁড়ান, আপনাদের সকলের সঙ্গে একটা কথা শেয়ার করি। জ্যাজের সঙ্গে আমার একটা চুক্তি হয়েছিল সন্তান নিয়ে সেটাই বলব। দয়া করে মিউজিক চালিয়ে দেবেন না কেউ। এক বছর আগে, আমি জ্যাজকে বলেছিলাম, আমার তৃতীয় সন্তান চাই।’ 

তার কথায়, ‘ও আমাকে শর্ত দিয়েছিল যদি আমি এমি পুরস্কার জিতে ফিরি, তাহলেই সন্তান নিয়ে আসবে। ও ভাবেনি আমি জিততে পারি। সে যাই হোক! শো শেষের পর যখন পার্কিং লট দিয়ে যাচ্ছি তখন জ্যাজ আমাকে বলে- হে ঈশ্বর, আমি তোমাকে কথাটা বললাম, মানে এবার আমায় তৃতীয় সন্তান নিয়ে আসতে হবে।’

শেষে বলেন, ‘আমি পালটা বলি, আমার চার নম্বর সন্তানও চাই। জ্যাজ আমাকে আবার শর্ত দেয় যে তুমি অস্কার জিতলেই আমি তোমাকে চতুর্থ সন্তান দেব।’

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

‘ম্যাডাম ফুলি’ নির্মাতা শহিদুল ইসলাম খোকনকে হারানোর নয় বছর

আশি ও নব্বই দশকের নির্মাতা শহীদুল ইসলাম খোকনের সিনেমা মানেই হলে উপচেপড়া ভিড়। একের পর এক অ্যাকশনধর্মী সিনেমা দিয়ে দর্শক মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তখন তার সিনেমা মুক্তি পাওয়া মানেই ছিল, প্রেক্ষাগৃহের টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন। গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা শহীদুল ইসলাম খোকনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

দীর্ঘদিন মুখগহ্বরের মোটর নিউরন ডিজিসে (এএলএস) আক্রান্ত হয়ে ভুগছিলেন নির্মাতা খোকন। এরপর ২০১৬ সালের আজকের এই দিনে সকাল সোয়া আটটায় রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন তিনি।

শহীদুল ইসলাম খোকনের জন্ম ১৯৫৭ সালের ১৫ মে। জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক সোহেল রানার সঙ্গে পরিচয় ও সখ্যের সূত্রে ঢাকার চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন তিনি। শুরুটা হয় সোহেল রানার সহকারী হিসেবে। খোকনের নিজের বানানো প্রথম সিনেমা ছিল ‘রক্তের বন্দী’।

শুরুর দিকে খোকনের সিনেমা ভালো ব্যবসা করতে না পারলেও চিত্রনায়ক রুবেলকে নিয়ে খোকনের ‘লড়াকু’ দারুণ সাফল্য পায়। এরপর ‘পালাবি কোথায়’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘ভণ্ড’, ‘ঘাতক’, ‘লড়াকু’, ‘বীরপুরুষ’, ‘লাল সবুজ’, ‘বজ্রমুষ্ঠি’, ‘সতর্ক শয়তান’, ‘বিষদাঁত’, ‘উত্থান পতন’ ও ‘টপ রংবাজ’-এর মতো বহু দর্শকপ্রিয় সিনেমা এসেছে তার হাত দিয়ে। দুটি সিনেমায় অভিনয় ছাড়াও তিনি নির্মাণ করেছেন প্রায় ৪০টির মতো সিনেমা।

ড্যানি সিডাক, ইলিয়াস কোবরার মতো অ্যাকশন সিনেমার অনেক অভিনেতাই ঢাকাই সিনেমায় এসেছেন শহীদুল ইসলাম খোকনের হাত ধরে। তার চলচ্চিত্রে মন্দের বিরুদ্ধে ভালোর, অপরাধীর বিরুদ্ধে সচেতন নাগরিকের লড়াই এসেছে বার বার। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনাও তার চলচ্চিত্রকে ছুঁয়ে গেছে। তিনি তার কাজের মাধ্যমে যুগ যুগ বেঁচে থাকবেন দর্শক মনে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ