‘অস্কার পেলে চতুর্থ সন্তান উপহার দেব’, স্ত্রীর কথা রাখলেন অভিনেতা
Published: 4th, March 2025 GMT
হলিউড অভিনেতা কিরান কালকিন। ব্যক্তিগত জীবনে জ্যাজের সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন এই অভিনেতা। তাদের সংসার আলো করে জন্ম নিয়েছে দুই সন্তান। কিন্তু কিরান চার সন্তানের বাবা হতে চান। এতে শর্ত জুড়ে দেন তার স্ত্রী। জ্যাজের শর্ত ছিল— কিরান অস্কার পুরস্কার জিতলে চতুর্থ সন্তান উপহার দেবেন তিনি।
কিরান কালকিন স্ত্রী শর্ত পূরণ করেছেন। কারণ ‘আ রিয়েল পেইন’ সিনেমার জন্য সেরা সহ-অভিনেতা বিভাগে অস্কার পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ৯৭তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডের পুরস্কার গ্রহণের পর স্ত্রীর শর্তের কথা বিশ্ব মঞ্চে স্মরণ করেন এই অভিনেতা।
কিরান কালকিন বলেন, “এক বছর আগে বলেছিলাম, আমি তৃতীয় সন্তান চাই। সে বলেছিল, ‘তুমি যদি এমি অ্যাওয়ার্ড জিতে যাও তবে তোমাকে সন্তান উপহার দেব।’ আসলে সে ভাবতে পারেনি আমি এটা জিতে যাব।”
আরো পড়ুন:
অস্কার: সেরা সিনেমা ‘আনোরা’
অস্কারে বাজিমাত করলেন যারা
‘সাকসেশন’ সিরিজে অভিনয়ের জন্য এমি অ্যাওয়ার্ড জিতেন কিরান কালকিন। এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে স্ত্রী জ্যাজকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে কারপার্কিংয়ে যখন হাঁটছিলেন, তখন স্ত্রীকে বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন।
স্মৃতিচারণ করে কিরান বলেন, “সেই সময়ে জ্যাজকে বলেছিলাম, ‘আমি চারটি চাই।’ সে আমার দিকে তাকিয়ে বলেছিল, ‘ঈশ্বরের কসম এটা ঘটবে। আমি তোমাকে চারটি সন্তান উপহার দেব, যদি তুমি অস্কার পুরস্কার পাও।”
কিরানের কথা শুনেই উপস্থিত অতিথিরা হাসতে থাকেন। এরপর কিরান বলেন, “জ্যাজ, তোমাকে বলতে চাই— আমি তোমাকে ভালোবাসি। তোমরা অল্প বিশ্বাসের মানুষ। কোনো চাপ নেবে না।”
তথ্যসূত্র: ইয়াহু ডটকম
ঢাকা/শান্ত
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর চলচ চ ত র বল ছ ল
এছাড়াও পড়ুন:
থাইল্যান্ড ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে’র সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
প্রেস সচিব বলেন, বিমসটেক বে অফ বেঙ্গলকে ঘিরে একটা রিজনাল গ্রুপ। এই গ্রুপের যথেষ্ট পটেনশিয়ালিটি আছে। সেই পটেনশিয়ালিটিটা আমরা আসলে অর্জন করতে পারিনি। প্রফেসর ইউনূস এটার ওপর আরও জোর দেবেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার পর থেকেই বলেছেন যে, আমাদের আশপাশে যে সার্ক আছে, বিমসটেক আছে, সেগুলোকে যেকোনোভাবে হোক আরও সক্রিয় করতে হবে। যাতে করে বাংলাদেশ তার রিজনাল কোঅপারেশন ফ্রেমে তার কথাগুলো বলতে পারে। তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পিপল টু পিপল কো-অপারেশনগুলো আরও দৃঢ় হয়। এই জায়গা প্রফেসর ইউনূসের একটা স্পষ্ট পলিসি আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ইউএসের পক্ষ থেকে বিগিনিং অব কনভেন্সেশনে আমরা এটা যাচাই-বাছাই করছি, যার কারণে আমরা এমনভাবে মুভ নিচ্ছি। আমরা মনে করি, ইউএসের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আমরা এ বিষয় নিয়ে এমন একটা সলিউশনে যাব, যাতে দু’পক্ষের জন্য উইন উইন হয়। আমরা আশাবাদী, যা হবে তা দু’পক্ষের জন্য মঙ্গলজনক হবে।