বেসরকারি সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশন জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি ক্ষুদ্র অর্থায়ন কর্মসূচির ঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে পাঁচ ক্যাটাগরির পদে ৮৫ জনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের সরাসরি, কুরিয়ার বা ডাকযোগে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।
১. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট রিজিওনাল ম্যানেজার
পদসংখ্যা: ৫
যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কমপক্ষে ১০টি শাখা সমন্বয়ে তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ ঋণ কর্মসূচিতে মোট সাত বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটারে দক্ষতা থাকতে হবে।
বয়স: সর্বোচ্চ ৪৫ বছর
বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিশকালে সাকল্যে মাসিক বেতন ৫৭,২০০ টাকা (প্রকৃত জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ, উৎসাহ ভাতা, হার্ডশিপ অ্যালাউন্স, মোবাইল, টিফিন ভাতাসহ)। চাকরি স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ও ভাতা ৭৪,০০০ টাকা। এ ছাড়া উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা, মাতৃত্ব/পিতৃত্বকালীন ছুটি ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স বোনাস, আবাসনসুবিধা ও শহর ভাতা/বিশেষ অঞ্চল ভাতা (ঢাকা, মানিকগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ জেলা, খুলনা, রাজশাহী মেট্রোপলিটন শহর, বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় শহরের জন্য) থাকবে। চাকরি স্থায়ীকরণের পর বর্ধিত বেতনসহ অন্যান্য সুবিধা (প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি ও কর্মী কল্যাণ ইত্যাদি) প্রদান করা হবে।
২.
পদের নাম: এরিয়া ম্যানেজার
পদসংখ্যা: ১০
যোগ্যতা: ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচিতে কমপক্ষে পাঁচটি শাখা সমন্বয়ে তিন বছরের কাজের অভিজ্ঞতাসহ ঋণ কর্মসূচিতে মোট সাত বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটারে দক্ষতা থাকতে হবে।
বয়স: সর্বোচ্চ ৪০ বছর
বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিশকালে সাকল্যে মাসিক বেতন ৫১,৫০০ টাকা (প্রকৃত জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ, উৎসাহ ভাতা, হার্ডশিপ অ্যালাউন্স, মোবাইল–টিফিন ভাতাসহ)। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ও ভাতা ৬২,৯০০ টাকা। এ ছাড়া উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা, মাতৃত্ব/পিতৃত্বকালীন ছুটি ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স বোনাস, আবাসনসুবিধা ও শহর ভাতা/বিশেষ অঞ্চল ভাতা (ঢাকা, মানিকগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ জেলা, খুলনা, রাজশাহী মেট্রোপলিটন শহর, বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় শহরের জন্য) থাকবে। চাকরি স্থায়ীকরণের পর বর্ধিত বেতনসহ অন্যান্য সুবিধা (প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি ও কর্মী কল্যাণ ইত্যাদি) প্রদান করা হবে।
৩. পদের নাম: ইউনিট ম্যানেজার
পদসংখ্যা: ১০
যোগ্যতা: ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচিতে কমপক্ষে তিন বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটারে দক্ষতা থাকতে হবে।
বয়স: সর্বোচ্চ ৩৮ বছর
বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিশকালে সাকল্যে মাসিক বেতন ৪০,২০০ টাকা (প্রকৃত জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ, উৎসাহ ভাতা, হার্ডশিপ অ্যালাউন্স, মোবাইল–টিফিন ভাতাসহ)। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ও ভাতা ৪৮,৬৪০ টাকা। এ ছাড়া উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা, মাতৃত্ব/পিতৃত্বকালীন ছুটি ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স বোনাস, আবাসনসুবিধা ও শহর ভাতা/বিশেষ অঞ্চল ভাতা (ঢাকা, মানিকগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ জেলা, খুলনা, রাজশাহী মেট্রোপলিটন শহর, বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় শহরের জন্য) থাকবে। চাকরি স্থায়ীকরণের পর বর্ধিত বেতনসহ অন্যান্য সুবিধা (প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি ও কর্মী কল্যাণ ইত্যাদি) প্রদান করা হবে।
৪. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউনিট ম্যানেজার
পদসংখ্যা: ১০
যোগ্যতা: ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও ঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউনিট ম্যানেজার/অ্যাকাউন্টস অফিসার পদে এমআরএ সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে তিন বছর কাজের অভিজ্ঞতা ও কম্পিউটারে দক্ষতা থাকতে হবে।
বয়স: সর্বোচ্চ ৩৬ বছর
বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিশকালে সাকল্যে মাসিক বেতন ৩৪,৩০০ টাকা (প্রকৃত জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ, উৎসাহ ভাতা, হার্ডশিপ অ্যালাউন্স, মোবাইল–টিফিন ভাতাসহ)। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ও ভাতা ৪২,২৪৬ টাকা। এ ছাড়া উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা, মাতৃত্ব/পিতৃত্বকালীন ছুটি ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স বোনাস, আবাসনসুবিধা ও শহর ভাতা/বিশেষ অঞ্চল ভাতা (ঢাকা, মানিকগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ জেলা, খুলনা, রাজশাহী মেট্রোপলিটন শহর, বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় শহরের জন্য) থাকবে। চাকরি স্থায়ীকরণের পর বর্ধিত বেতনসহ অন্যান্য সুবিধা (প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি ও কর্মী কল্যাণ ইত্যাদি) প্রদান করা হবে।
৫. পদের নাম: কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার-সিডিও
পদসংখ্যা: ৫০
যোগ্যতা: ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আরএমএ সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে এক বছর মাঠপর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা ও কম্পিউটারে দক্ষতা থাকতে হবে।
বয়স: সর্বোচ্চ ৩৫ বছর
বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিশকালে সাকল্যে মাসিক বেতন ৩০,৫০০ টাকা (প্রকৃত জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ, উৎসাহ ভাতা, হার্ডশিপ অ্যালাউন্স, মোবাইল–টিফিন ভাতাসহ)। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ও ভাতা ৩৯,০২৩ টাকা। এ ছাড়া উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা, মাতৃত্ব/পিতৃত্বকালীন ছুটি ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স বোনাস, আবাসনসুবিধা ও শহর ভাতা/বিশেষ অঞ্চল ভাতা (ঢাকা, মানিকগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ জেলা, খুলনা, রাজশাহী মেট্রোপলিটন শহর, বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় শহরের জন্য) থাকবে। চাকরি স্থায়ীকরণের পর বর্ধিত বেতনসহ অন্যান্য সুবিধা (প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি ও কর্মী কল্যাণ ইত্যাদি) প্রদান করা হবে।
আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত (যোগাযোগ নম্বরসহ), শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি, অভিজ্ঞতার সনদ, এক কপি ছবি এবং কাজ করতে আগ্রহী বিভাগের নাম উল্লেখ করে আবেদনপত্র সরাসরি, কুরিয়ার বা ডাকযোগে পাঠাতে হবে। খামের ওপর পদের নাম উল্লেখ করতে হবে।
আবেদন ফি
‘ওয়েভ ফাউন্ডেশন’ শিরোনামে ২০০ টাকার পে-অর্ডার করতে হবে। পে-অর্ডারের রসিদ আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।
আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগ, ওয়েভ ফাউন্ডেশন, ২২/১৩বি, ব্লক-বি, খিলজী রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা - ১২০৭।
আবেদনের শেষ সময়: ১৫ মার্চ ২০২৫।
আরও পড়ুনবেসরকারি ব্যাংক নেবে ট্রেইনি অফিসার, বেতন ৩১ হাজার২০ ঘণ্টা আগেআরও পড়ুনবিডার সংশোধিত নিয়োগে পদ বেড়ে ১০৮, আবেদন শুরু ৪ মার্চ০৩ মার্চ ২০২৫উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: প রফরম য ন স ব ন স ম য ন জ রপদস খ য ন র য নগঞ জ জ ল গ র য চ ইট ও শহর ভ ত ম ন কগঞ জ উৎস হ ভ ত উৎসব ভ ত পদ র ন ম ত ন বছর কমপক ষ স কল য ও কর ম য গ যত
এছাড়াও পড়ুন:
রান্না-খাওয়া পর্ব ভিন্ন আঙ্গিকে চিন্তা করলে নারীরাও আনন্দ করতে পারবেন
ঈদ মানে উৎসব। উৎসব মানে আনন্দ। বয়স, অর্থনৈতিক সচ্ছলতার মানদণ্ডে আনন্দ উপভোগের মাত্রা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। এই ধরুন, মফস্সল শহর রংপুরে আমার বেড়ে ওঠা। আমি একসময় ঈদ উদ্যাপন করেছি বাঁধনহীনভাবে। ছিল নির্মল আনন্দ। এখন বয়সের কারণে সেভাবে আর হয়ে ওঠে না।
রংপুর শহর ছিল তখন ছিমছাম, গোছানো। এখনকার মতো বড় বড় বহুতল ভবন, ঝলমলে শপিং মল, এত গাড়ি, রিকশা, অটোরিকশা ছিল না। মা-বাবারাও সন্তানদের নিয়ে এত চিন্তা করতেন না। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াকালীন পর্যন্ত মা–বাবার সঙ্গে নতুন কাপড় পরে আত্মীয়স্বজনের বাড়ি বেড়াতে গিয়েছি। তাঁদের ছাড়া একা বেড়ানোর সাহস হয়নি। আমরা ঠিকাদারপাড়া কলেজ রোডে থাকতাম। মাধ্যমিকে এসে পাড়ার সমবয়সীদের নিয়ে দল বেঁধে এ বাড়ি–ও বাড়ি যেতাম। কলেজে এসে বেড়ানোর সীমানা বেড়ে গেল। রংপুরের বিভিন্ন পাড়ায় বান্ধবীদের বাসায় গিয়ে আড্ডা দিতাম। আর ঈদে কার পোশাক কত সুন্দর, সেটা দেখা হতো!
আমার মা বা অন্য মায়েদের যেমন দেখেছি, ঈদ এলে হাসিমুখে রাজ্যের দায়িত্ব তাঁরা পালন করেন। ঈদ উৎসব সার্থক করতে আম্মাকে দেখতাম, বাড়িঘর পরিপাটি থেকে সাজগোজ, ধোয়ামোছা, কেনাকাটা, জাকাত দেওয়া, রান্নাবান্না নিয়ে ব্যস্ততার কমতি নেই। ঈদের দিনে আমাদের সাজগোজ, পোশাক ঠিক আছে কি না, সেটি যেমন দেখতেন, তেমনি রান্নাবান্না, অতিথি আপ্যায়ন নিয়ে আম্মা ব্যস্ত থাকতেন।
আরও পড়ুনঈদের দিনটা কেটে যায় কাজে, নিজের জন্য আর কিছুই থাকে না৩১ মার্চ ২০২৫নামাজ শেষে আব্বা সঙ্গে করে পাড়ার মামা, চাচাদের নিয়ে আসতেন। নিজেদের আত্মীয়স্বজন আসত। আম্মা হরেক রকম সেমাই, পুডিং, মাংস, পোলাও দিয়ে আপ্যায়ন করতেন। ঈদের পরেও কয়েক দিন ব্যস্ততায় কাটত। আম্মার কাজের সহকারী হানুফার কথা মনে পড়ে। তার কোনো ঈদ–আনন্দ ছিল কি না, কখনো জানা হয়নি। কারণ, তার তো বসে থাকারই ফুরসত ছিল না।
নাসিমা আকতারের (ডান দিক থেকে প্রথম) বড়বেলার ঈদ কাটে নিজের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে