সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা (আইকিউএয়ার) সূচকে আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে উঠে এসেছে ইরাকের বাগদাদ নগরী। অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকার বায়ুর মানের সামান্য উন্নতি হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) সকাল ৮টা ২০ মিনিটের দিকে সংস্থাটির সূচক থেকে জানা গেছে এসব তথ্য।

দূষণ তালিকায় শীর্ষে থাকা বাগদাদের স্কোর ২৮১ অর্থাৎ সেখানকার বাতাস খুবই অস্বাস্থ্যকর। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। এই শহরটির দূষণ স্কোর ১৮৩ অর্থাৎ এই শহরের বায়ু অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

অন্যদিকে, ঢাকা রয়েছে ১২ নম্বরে। ঢাকার দূষণ স্কোর ১৩৯ অর্থাৎ এই শহরের বায়ু সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর। বিশেষ করে যাদের অ্যাজমা, শ্বাসকষ্টজনিত রোগ রয়েছে তাদের জন্য ঢাকার বায়ু আজ ক্ষতিকর।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

এনজে

.

উৎস: SunBD 24

কীওয়ার্ড: ব ব চ ত হয় র জন য

এছাড়াও পড়ুন:

যমজ একভাই চোখের সামনে, অন্য ভাই কবরে

যমজ ভাই মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ আর মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। জন্মের পর তাঁরা ২৫ বছর ৯ মাস ১৪ দিন তাঁরা কমবেশি একসঙ্গে কাটিয়েছেন। পরের দিনটিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মুগ্ধ শহীদ হন।

আরেক যমজ আসিফ হাসান আর রাকিব হাসান। জীবনের প্রায় ২২টি বছর একসঙ্গে কাটিয়েছেন। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে মাহফুজুর রহমানের (মুগ্ধ) মতো আসিফও শহীদ হন।

জীবনে এবারই প্রথম যমজ ভাইকে ছাড়া ঈদ করলেন স্নিগ্ধ ও রাকিব। এই দুই পরিবারের সদস্যদের কষ্টটা যেন একটু বেশি; যমজ একজন চোখের সামনে থাকলেও আরেকজন নেই।

গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরার আজমপুরে মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর কপালে গুলি লাগে। স্বজনদের মধ্যে ভাই স্নিগ্ধ হাসপাতালে গিয়ে মুগ্ধর মরদেহ প্রথম দেখেন। ওই দিন অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া মানুষজনের মধ্যে পানি বিতরণ করছিলেন মুগ্ধ। পানির কেস হাতে নিয়ে ‘কারও পানি লাগবে, পানি, পানি...’ বলছিলেন মুগ্ধ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ভিডিও ভাইরাল হয়।
মুগ্ধর আগে জন্ম স্নিগ্ধর। মুগ্ধর চোখের নিচে একটি ছোট তিল আর শারীরিক গড়নে একটু হালকা–পাতলা—এই পার্থক্য ছাড়া দুজনের চেহারায় ছিল দারুণ মিল।
মুগ্ধ ২০২৩ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতে স্নাতক শেষ করেন। ঢাকায় ফিরে এমবিএ পড়তে ভর্তি হয়েছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি)। পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করে আয়ও করতেন।

যমজ ভাই মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ (ডানে) ও মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ

সম্পর্কিত নিবন্ধ